বিশাখাপত্তনম টেস্টের চতুর্থ দিনের শেষে জয়ের গন্ধ পেতে শুরু করেছে টিম ইন্ডিয়া। দিনের শুরুতে দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংস গুটিয়ে দেন অশ্বিন। শুক্রবার পাঁচ উইকেটের পর শনিবার আরও দুটি উইকেট তাঁর। প্রথম ইনিংসে মোট সাত উইকেট পেলেন রবিচন্দ্রন। দ্বিতীয় ইনিংসে ভারতীয় দল যখন ব্যাট করতে নামে তখন একটাই লক্ষ্য তাদের সামনে, টেস্ট ক্রিকেটে একদিনের ক্রিকেটের মেজাজে ব্যাটিং। মায়ঙ্ক প্রথম ইনিংসে ডবল সেঞ্চুরি করলেও দ্বিতীয় ইনিংসে সাত রান করলেন। তবে হিটম্যান মেজাজে। শুরু থেকেই দক্ষিণ আফ্রিকার বোলাদের দের কোণঠাসা করে দিলেন। পূজারা শুরুতে কিছুটা স্লো ব্যাটিং করলেও পরে রোহিতের সঙ্গে পাল্লা দিলেন। 

আরও পড়ুন - দ্বিতীয় ইনিংসেও সেঞ্চুরি, সব থেকে বেশি ছক্কা হাঁকানোর রেকর্ড রোহিতে শর্মার ব্যাটে

রোহিত-পূজারার ব্যাটে ভর করে জয়ের ভীত তৈরি করতে শুরু করে ভারত। ৮১ রান করে পূজারা ফিরতে মাঠে এলেন জাদেজা। পরিকল্পনা খুব পরিস্কার। একাবর টি২০ মেজাজ। হলও তাই একর পর এক চার ছয়। ১২৭ রান করে আউট হলেন রোহিত। বিরাটও এসে মারকাটারি মেজাজে দেখালেন। রাহানেও তাই। ৬৭ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ৩২৩ রানে ইনিংস ডিক্লেয়ার করলেন বিরাট। দক্ষিণ আফ্রিকার সামনে লক্ষ্য দাঁড়াল ৩৯৫ রানের। 

আরও পড়ুন - লন্ডনে সফল অস্ত্রপচার হার্দিকের, মাঠে ফিরতে লাগবে প্রায় পাঁচ মাস

চতুর্থ দিনের শেষে ৯ ওভার ব্যাটিং করল প্রোটিয়াসরা। প্রথম ইনিংসে ভারতীয় স্পিনারদের সামলে দিয়েছিলেন এলগর। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে তিনি ২ রান করে জাদেজার শিকার। চতুর্থ দিনের শেষে ১ উইকেট হারিয়ে ১১ রান প্রোটিয়াদের। শেষ দিনে জয়ের জন্য চাই ৩৮৪ রান। হাতে ৯ উইকেট। দক্ষিণ আফ্রিকা অশ্বিন জাদেজাদের সামনে জয়ের জন্য ঝাঁপাবে না। ড্র করাই তাদের মূল লক্ষ্য। কিন্তু পঞ্চম দিনের উইকেটে কতক্ষণ তারা দুই ভারতীয় স্পিনারকে তারা সামলাতে পারে সেটাই দেখার। ভরসা মাত্র দু’জন। অধিনাক ডুপ্লেসি ও ফউকেট কিপার ডি’কক। 

আরও পড়ুন - নতুন মেন্টর ডেভিড হাসি, বোলিং কোচ মিলস, বদলে যাচ্ছে কলকাতা নাইট রাইডার্স