ভারত-অস্ট্রেলিয়া সিরিজের উত্তাপের মাঝখানেই, সরগরম হতে চলেছে বিসিসিআইয়ের বার্ষিক সাধারণ সভা। আগামি ২৪ ডিসেম্বর দীর্ঘ টালবাহানার পর হতে চলেছে বোর্ডের সভা। সেখানে ভারতীয় ক্রিকেট, আইপিএল, সৌরভ পরিচালিত বোর্ডের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা হবে। তবে জানা যাচ্ছে, সভায় বেশ কিছু বাউন্সারের সম্মুখীনও হতে হবে প্রাক্তন ভারত অধিনায়ককে। কারণ বিসিসিআই সভাপতির পদে থাকা সত্ত্বেও একাধিক পণ্যের বিজ্ঞাপন করা নিয়ে সৌরভের বিরুদ্ধে সরব হতে পারেন  বোর্ডের একাধিক সদস্য। স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগও আনতে পারেন অনেকেই।

 

বিসিসিআই প্রধানের মত সাম্মনিক পদে থেকে একাধিস  পণ্যের বিজ্ঞাপন করা নিয়ে সৌরভের বিরুদ্ধে বোর্ড কর্তাদের ক্ষোভ নতুন নয়। সেই ক্ষোভ আরও বেড়েছে বিসিসিআইয়ের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ সংস্থার বিপরীত সংস্থার সঙ্গে সৌরভ বিজ্ঞাপন করায়। যেমন, আইপিএলের বিসিসিআইয়ের স্পনসর 'ড্রিম ইলেভেন'। কিন্তু সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় বিজ্ঞাপন করেন 'মাই সার্কল ১১' নামক অপর একটি স্পোর্টস ফ্যান্টাসি অ্যাপের। ঠিক তেমনই ভারতীয় দলের সম্প্রতি কিট স্পনসর হয়েছে শিক্ষামূলক অ্যাপ 'বাইজুস'। সখানে সৌরভ এনডোর্স করেন অপর একটি শিক্ষামূলক অ্যাপের। এছাড়াও আরও একাধিক বিষয়ে সৌরভের বিরুদ্ধে সরব হতে পারেন বোর্ডের একাংশের কর্তারা।

 

এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক বোর্ডের বার্ষিক সাধারণ সভায় কোন কোন প্রশ্নের সম্মুখীন হতে পারেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়-

১. বিসিসিআই সভাপতির মত সাম্মানিক পদে থেকেও কতগুলি ব্র্যান্ডের সঙ্গে চুক্তি বদ্ধ রয়েছেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়?

২. বোর্ডের সভাপতি পদে থেকে আদৌ এইভাবে টাকার চুক্তি সই করা যায় কিনা?

৩. বিসিসিআইয়ের সভাপতি হওয়ার পরও কেনও বোর্ডের স্পনসরের প্রতিপক্ষ ব্র্যান্ডের সঙ্গে চুক্তি?

৪. বোর্ড সভাপতি হিসেবে ফ্যান্টাসি লিগ খেলার জন্য সাধারণ মানুষকে আর্জি জানানো যায় কিনা?

৫. বিসিসিআইয়ের সংবিধান কি সত্যিই এই সকল কাজ করার অনুমতি বোর্ড সভাপতিকে দেয়?

এছাড়াও রয়েছেন আরও একাধিক প্রশ্ন রূপী বাউন্সার যার সম্মুখীন হতে হবে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে। এই সব কিছুর পালটা জবাব সৌরভ গঙ্গোপাধ্য়ায় কি দেন এখন সেদিকেই নজর সকলের। ফলে একটি বিষয় নিশ্চিৎ সৌরভকে নিয়ে ফের একবার সরগরম পরিস্থিতি তৈরি হতে চলেছে বিসিসিআইয়ের বার্ষিক সাধারণ সভায়।