দিনভর কৌতুহলের পর শীর্ষ আদালতে ঝুলে রইল সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও জয় শাহদের ভাগ্য। বিসিসিআইয়ের প্রশাসক পদে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও জয় সাহের মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দায়ের  করেছিল ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড। গত ২১ এপ্রিল বোর্ডের তরফে সর্বোচ্চ আদালতে আবেদন করা হয়। তিন মাস অপেক্ষা করার পর বুধবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটি ওঠে। শাীর্ষ আদালত মাললাটি গ্রহণ করলেও, বুধবার কোনও শুনানি হয়নি। শুনানির জন্য ২ সপ্তাহ পর দিন ধার্য করা হয়েছে। ফলে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও জয় শাহদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অব্যাহত রউইল ধোঁয়াশা।

প্রসঙ্গত, দীর্ঘ দিন ধরে কয়েক জন প্রশাসকের ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য লোধা কমিটি নয়া আইন কার্যকর করে। আইন অনুযায়ী কোনও প্রশাসক ৬ বছরের বেশি একটানা পদে থাকতে পারবে না। তাদের ৩ বছরের জন্য কুলিং অফে যেতে হবে। তারপর তারা পুনরায় প্রশাসক হতে পারবেন। ইতিমধ্যেই প্রশাসক হিসেবে নিজের  ৬ বছর পূর্ণ করে ফেলেছেন সচিব জয় শাহ। আগামী ২৭ জুলাই প্রশাসক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের ৬ বছর পূর্ণ হচ্ছে। কারণ, বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে সিএবি সচিব এবং প্রেসিডেন্ট হিসেবে পাঁচ বছরের বেশি সময় কাটিয়েছেন সৌরভ। বোর্ড প্রেসিডেন্ট হিসেবে আরও এক বছর কাটানোর ফলে প্রশাসক সৌরভে টানা ৬ বছরের মেয়াদ কাল পূর্ণ। অন্যদিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহর ছেলে জয় শাহও গুজরাট ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন ও বিসিসিআই পদ মিলিয়ে ৬ বছর মেয়াদ পূর্ণ করেছেন। ফলে নিয়ম অনুযায়ী কুলিং অফে যেতেই হবে তাদের। 

বোর্ডের কঠিন সময়ে যাতে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও জয় শাহরাই দায়িত্ব থাকে সেই কারণেই সুপ্রিম কোর্টে তাদের মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য আ আবেদন করে বিসিসিআই। এমনিতেই করোনা মহামারীর কারণে বিস্তর চাপে রয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। তারউপর সামনে আইপিএল আয়োজনের সম্ভাবনা ও পরপর দুটি বিশ্বকাপ আয়োজন। এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে নতুন কেউ এলে তারপক্ষে সামলানো সম্ভব নাও হতে পারে। তাই সৌরভ ও জয়দের মত অভিজ্ঞদের রহাতেই দায়িত্বভার রাখার পক্ষে সওয়াল করেছেন বিসিসিআই কর্তারা। বিসিসিআই ভেবেছিল বুধবরাই হয়তো মামলার শুনানি হয়ে যাবে। কিন্চু শীর্ষ আদালতে আরও ২ সপ্তাহ ঝুলেই রইল সৌরভ বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও জয় শাহদের ভাগ্য।