সাধারণত বিশ্বকাপের টিম অফ দ্য টুর্নামেন্ট বলতে যা বুঝি আমার তার থেকে কিছুটা যেন আলাদা অনুর্ধ ১৯ বিশ্বকাপের টিম অফ দ্য টুর্নামেন্ট। আধুনিক যুগে ক্রিকেটের সুপার পাওয়ার বলে পরিচিত দেশগুলির মধ্যে থেকে কেবলমাত্র ভারতের কিছু ক্রিকেটার সুযোগ পেয়েছেন এই দলে। ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা বা নিউজিল্যান্ডের কোনও ক্রিকেটার সুযোগ পাননি অনুর্ধ ১৯ বিশ্বকাপের এই সেরার দলে। 

এখনকার যুগে আমরা ক্রিকেট খেলিয়ে দেশগুলির মধ্যে যাদেরকে সেরা বলে মানি তাদের মধ্যে ভারত অন্যতম। ভারতীয় দল থেকে সুযোগ পেয়েছেন তিনজন ক্রিকেটার। তারা হলেন যশস্বী জয়সওয়াল, রবি বিষ্ণই এবং কার্তিক ত্যাগী। কিন্তু অস্ট্রেলিয়া বা ইংল্যান্ড থেকে একজনেরও সুযোগ না পাওয়াটা আশ্চর্যের। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে বর্তমানে ক্রিকেটের ঘুমন্ত দৈত্য বলে মনে করা হয়। আফগানিস্তান উন্নতি করলেও তাদের সিনিয়র দল গত বছর বিশ্বকাপে একটিও ম্যাচ জিততে পারেনি। কিন্তু এই দুই দল থেকে ২ জন করে ক্রিকেটার সুযোগ পেয়েছেন সেরার দলে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ থেকে সুযোগ পেয়েছেন অলরাউন্ডার নাঈম ইয়ং এবং বোলার জেডন সিয়েলস। আফগানিস্তান থেকে সুযোগ পেয়েছেন ওপেনার ইব্রাহিম জাদরান এবং বোলার সফিকুল্লা গাফরি। বাংলাদেশ থেকে মাহদুল হাসান জয় এবং শাহাদাত হোসেনের সাথে সাথে অধিনায়ক হিসাবে সুযোগ পেয়েছেন বাংলাদেশি উইকেটরক্ষক এবং অধিনায়ক আকবর আলি। বাকি একটি জায়গায় সুযোগ পেয়েছেন টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক শ্রীলঙ্কার রবিন্দু রাসান্থা। 

ভারতীয় দল থেকে সুযোগ পাওয়া যশস্বী জয়সওয়াল টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক হয়েছেন। করেছেন ৪০০ রান। টুর্নামেন্টে তার গড় ১০০ এর উপরে। বল হাতেও টুর্নামেন্টে নিয়েছেন ৩ উইকেট। তাছাড়া রবি বিশ্নই নামের তরুণ ভারতীয় লেগস্পিনার টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ উইকেট শিকার করেছেন। নিয়েছেন ১৭ উইকেট। তার মধ্যে ফাইনালে ৪টি। এই দুজন ছাড়া সুযোগ পেয়েছেন পেসার কার্তিক ত্যাগী। টুর্নামেন্টে তার সুইং সামলাতে সমস্যায় পড়েছেন প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানরা। টুর্নামেন্টে তিনি নিয়েছেন ১১ উইকেটে। যোগ্য হিসাবেই তারা সুযোগ পেয়েছেন বলে মানছেন সকলে।