ভারতের ২০১১ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপ জেতার পিছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা নিয়েছিলেন যুবরাজ সিং। ব্য়াটে-বলে দুর্দান্ত পারফর্ম করে তিনিই হয়েছিলেন টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়। আরও এক বিশ্বকাপ যখন দরজায় কড়া নাড়ছে তখনই তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের কথা ভাবছেন বলে জানা গেল। বিসিসিআই-এর অনুমতি পেলে এবার তিনি ক্রিসে গেইল, আন্দ্রে রাসেলদের মতো বিশ্বজুড়ে চলা বেসরকারি টি২০ লিগগুলিতে খেলতে চান।

সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের একটি সূত্র জানিয়েছে, ইতিমধ্য়েই কানাডার জিটি২০ লিগ এং আয়ারল্য়ান্ড ও হল্যান্ডে,আয়োজিত ইউরো টি২০ স্ল্যামে খেলার জন্য ডাক পেয়েছেন যুবি। ভারতীয় বোর্ড যুবরাজকে যদি ওই টি২০ লিগগুলিতে খেলার অনুমতি দেয়, তাহলে এই বছরই আন্তর্জাতিক ও প্রথম শ্রেনির ক্রিকেট থেকে অবসর নেবেন তিনি।

ভারতীয় দলের জার্সিতে আর যুবির ফেরার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। ২০১৭ সালের জুন মাসে, শেষ বার তিনি বিরাট কোহলির নেতৃত্বে মাঠে নেমেছিলেন। তারপর থেকে আর ভারতীয় দলের আকাশী নীল জার্সি পরার সুযোগ পাননি। এই বছর আইপিএল নিলামে প্রথমে অবিক্রিত থাকার পর মুম্বই ইন্ডিয়ান্স তাঁকে ১ কোটি টাকা দিয়ে দলে নিয়েছিল। তাঁর দল আইপিএল জিতলেও গোটা মরসুমে যুবি মাত্র ৪টি ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন, রান করেছেন ৯৮।

যুবরাজের ক্ষমতার সেরা প্রকাশ ঘটেছিল ২০১১-এর বিশ্বকাপেই। ৩৬২ রান করার পাশাপাশি বল হাতে ১৫টি উইকেট দখল করেছিলেন। টি২০ ক্রিকেটেও যুবরা একজন কিংবদন্তি। প্রথম টি২০ বিশ্বকাপই তিনি মাতিয়ে দিয়েছিলেন স্টুয়ার্ট ব্রজের ওভারে ৬ বলে ৬টি ছয়  মেরে।

ভারতীয় বোর্ড অবশ্য ভারতীয় ক্রিকেটারদের আইপিএল ছাড়া বিশ্বের অন্য কোন টি২০ লিগে খেলার অনুমতি দেয় না। সম্প্রতি ইরফান পাঠান ক্যারিবিয়ান লিগে খেলার জন্য নাম দিয়েছিলেন। বোর্ড তাঁকে নাম তুলে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। আন্তর্জাতিক ও প্রথম শ্রেনির ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেও আইপিএল এখালর জন্য যুবরাজ তারপরেও ভারতীয় বোর্ডের চুক্তিব্ধ খেলোয়াড়ই থাকবেন। কাজেই বোর্ড অনুমতি না দিলে তাঁর পক্ষে টি২০ লিগে অংশ নেওয়া কঠিন।