"আমাকে কন্যাশ্রী অ্যাম্বাসেডর করেছেন  দিদি ।আমি বসিরহাটের  অ্যাম্বাসাডর হতে চাই।" নিজের লোকসভা কেন্দ্র বসিরহাটে এই সুরেই আসর মাতালেন নুসরত। হাড়োয়ায়  রাত্রিরে নুসরাতের জনসভায় মানুষের ঢল প্রমাণ করল উত্তর চব্বিশ পরগণা সত্যিই গেরুয়াবাহিনীক জন্যে বড় চ্যালেঞ্জ। 


এদিন হাড়োয়ায় ব্লকে মাজমপুর মিল মাঠে তৃণমূলের সভায় নুসরত ছাড়াও ছিলেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু , তৃণমূল নেতা খালেক মোল্লা সহ অনেকে। মঞ্চ থেকেই তৃণমূলের মন্ত্রী সুজিত বসু বলেন যে, বিজেপি কালো টাকা সাদা করে নিল নোটবন্দীর নামে। আমাদের দেশে বিভাজনের রাজনীতির সৃষ্টি করছেন নরেন্দ্র মোদী। মহাত্মা গাঁধীর হত্যা সমর্থন করেন যাঁরা তাঁরা কী ভাবে দেশ চালাবে। নিজেকে চৌকিদার বলেন অথচ ব্যবসায়ী টাকা লুটে পালিয়ে যায়। বিজেপি একটি সাম্প্রদায়িক দল । একটি ভোটও দেবেন না বিজেপিকে। 

নুসরাত এদিন আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ দিয়ে সভা শুরু করেন। বলেন,  "দল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন করেছেন বাংলা জুড়ে। উন্নয়নের দিকে লক্ষ্য রেখে আপনার ভোট দিন আমাকে নয় দল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কেউ কেউ বাংলা এসে বিভাজনের রাজনীতি করছে। সফল হবেন না।  যে ভাবে যে সব উন্নয়নমুখী প্রকল্প মানুষের ঘরে পৌঁছে দিয়েছে এই সরকার এর আগে কোনও সরকার তা তেমনভাবে করেনি। "

পরিশেষে ক্লাইম্যাক্স। সেখানে সরাসরি বলেন নুসরত, আমাকে দিদি কন্যাশ্রীর অ্যাম্বাস্যাডার বানিয়েছেন। রাজ্যে আমি বসিরহাটের মুখপাত্র হতে চাই।

বসিরহাটের বিস্তীর্ণ অঞ্চল মুসলমান ভোটার রয়েছেন। নুসরতকে জেনেবুঝেই প্রার্থী করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই চাল যে ভাতে বাড়বে, এ কথা প্রমাণ করল এদিনের জনসভা।