লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় নাম উঠে আসা মাত্রই বিভিন্ন ভাবে ট্রোলের শিকার হতে হয়েছিল নুসরত জাহান ও মিমি চক্রবর্তীকে। কয়েক মাস যাবত একের পর এক মিম ছড়াতে থাকে সোশ্যাল পেজে। সে বিষয় তাঁদের প্রশ্ন করা হলে দুই তারকাই স্পষ্ট ভাষায় জবাব দেন। মিমি চক্রবর্তীর মতে, 'যাদের সময় আছে, যারা এটা করে আনন্দ পাচ্ছে, তারা করছে। এতে তাদেরই ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে।' অন্যদিকে নুসরতের মতও ছিল খানিকটা একই রকম। তিনিও জানিয়ে ছিলেন, 'মানুষের ভালোবাসাটা এতটাই বেশি যে, এই ছোট খাটো বিষয়গুলো স্পর্শ করে না।' কিন্তু, দুই তারকা অভিনেত্রীর এই বয়ানগুলো তো ছিল লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার পরপর। এই মুহূর্তে তাঁদের নিয়ে কী চলছে নেট দুনিয়ায়, তাতে অবশ্যই নজর রাখতে হয়। 

এখন নুসরত ও মিমি-র সাংসদ হওয়া নিয়ে নতুন করে নেট দুনিয়ার শুরু হয়েছে তরজা।  প্রশ্ন ওঠেছে দুই তারকার ড্রেসিং সেন্স নিয়েও। সংসদ ভবনের সামনে ছবি তুলে পোস্ট করেছিলেন নুসরত ও মিমি। স্বাভাবিক ভাবেই উত্তেজনা ছিল দুই নায়িকার মনে। পোস্ট দেখে অনেকেই শুভেচ্ছা জানালেও, অনেকে হেনেছেন তির্যক মন্তব্য। কেউ কেউ রে রে করে তেড়ে এসেছেন কেন মিমি ও নুসরত ওয়েস্টার্ন মর্ডার্ন ড্রেস পরে সংসদে এসেছেন? নেটিজেনদের কেউ আবার নীতিশিক্ষার পাাঠও পড়িয়েছেন নুসরত ও মিমি-কে। তারা টেনে এনেছেন ভারতীয় সংস্কৃতি এবং তার ন্যায়নীতি মার্কা হাজারো গুরুগম্ভীর প্রসঙ্গ। 

নুসরত ও মিমি-র এই অবস্থায় তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছেন স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। দুই নবাগতা সাংসদের ছবি রিটুইট করে স্বস্তিকা জানিয়েন, 'বেশ করেছে জিন্স পরেছে।' সেইসঙ্গে স্বস্তিকা টেনে এনেছেন, সংসদের এথিক্স প্রসঙ্গও। তিনি দাবি করেছেন, 'কোড অব পার্লামেন্ট-এর কোথাও বলা নেই যে সংসদরা জিনস পরতে পারে না।'

বেশ কয়েকজনের কমেন্ট ধরে ধরে উত্তর দিলেন স্বস্তিকা। তিনি আরও জানান, 'রীতি মতন জনতার রায়ে  জয় লাভ করে তবেই এঁরা এই জায়গায় এসেছেন। অবশ্যই এটা তাঁদের কাছে আনন্দের দিন। ছবি তুলেছে তো কী অপরাধ করেছে।'

স্বস্তিকার পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তে বেজায় খুশি মিমি চক্রবর্তী। রিটুইট করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।