অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে প্রযোজনা সংস্থার দেওয়া তথ্যে অসন্তুষ্ট আর্টিস্ট ফোরাম। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ফোরাম এই রহস্যজনক মৃত্যুর আসল কারণ জানতে এফআইআর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু ঘিরে একের পর এক রহস্য দানা বাঁধছে। প্রযোজনা সংস্থার দেওয়া তথ্যে খুশি নয় আর্টিস্ট ফোরাম। শুক্রবার রাত সাড়ে দশটা নাগাদ মাত্র পনেরো মিনিটে নোটিসে টেকনিশিয়ান্স স্টুডিয়োতেে প্রেস কনফারেন্স ডাকেন অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়।
তিনি বলেন, আমরা চিঠি পাঠিয়েছিলাম ১ এপ্রিল। আমরা আশা করেছিলাম, একটা মোটামুটি উত্তর পাব। কিন্তু, আমরা কোনো সন্তোষজনক উত্তর পাইনি। শনিবার আমরা এফআইআর করব। তিনি আরও হলেন, যে চলে গিয়েছে তাকে তো ফেরানো যাবে না। কিন্তু এই মৃত্যু নিয়ে অনেক প্রশ্ন রয়েছে।
কিন্তু, এই অভিযোগ জানাতে এত দেরি হল , এই প্রশ্ন উঠলে তিনি বলেন, কিছু কিছু জিনিস থাকে, যেখানে আইন জড়িয়ে থাকে। আমরাও তো আঘাত রেয়েছি। সেই আঘাত কাটিয়ে উঠতে ২-৩ দিন সময় লেগেছে। এটা বুঝতেই সময় লেগেছে যে রহুল আমাদের মধ্যে আর নেই। আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করব, আসল কারণটা জানতে।
ঘটনার তিন দিন পর প্রযোজনা সংস্থার পক্ষ থেকে বিবৃতি দেওয়া হয়েছিল। তা দেখে অনেকেই মনে করেন অসংলগ্ন আছে। সে কারণে এফআইআর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।
তালসারিতে ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ নামের একটি ধারাবাহিকের শ্যুটিং করতে গিয়ে প্রয়াত হন অভিনেতা রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়। জানা গিয়েছিল, শ্যুটিং-র সময় জলে নেমেছিলেন। তখনই ঘটে এই দুর্ঘটনা। তবে সে সময় ঠিক কী হয়েছিল তা এখনও স্পষ্ট নয়। তাঁর মৃত্যু ঘিরে উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। রাহুলের মৃত্যুর ন্যায় বিচারের দাবিতে শনিবার টলিপাড়ায় মিছিলের ডাক দেওয়া হয়েছে। এবার এই নিয়ে শুরু হল বিতর্ক। রাহুলের মৃত্যুর খবর সামনে আসতে সে সময় বহু তারকা সঠিক তদন্তের দাবি করেন। কিন্তু, বাস্তবে অনেকেই পিঠিয়ে গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। আর্টিস ফোরামের সদস্য সংখ্যা প্রায় ৩ হাজার। কিন্তু রাহুলের মৃত্যুর ন্যায় বিচারের দাবিতে মিছিলের আহ্বান দিলেন মাত্র ৪৭ জন। তালিকায় আছেন শ্রাবন্তী চ্যাটার্জী, পায়েল চ্যাটার্জী, কিউ, রিদ্ধি সেন, গৌরব চক্রবর্তী, শ্রীজিৎ মুখোপাধ্যায়, অরিন্দম শিল, রানা সরকার-সহ আরও অনেকে।

