মানহানি মামলা দায়ের করার একদিন পরেই নাকি স্ত্রী আলিয়া সিদ্দিকিকে সমঝোতা প্রস্তাব পাঠিয়েছেন নওয়াজ। এর মধ্যেই শোনা যাচ্ছে, স্ত্রী আলিয়া জানিয়েছেন, বিবাহবিচ্ছেদ আমাদের হবেই। তবে আপাতত সন্তানের নিয়ে দড়ি টানাটানি চলছে।

একের পর এক অভিযোগে বিদ্ধ বলিউডের অভিনেতা নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকি। দীর্ঘ ১১ বছরের বিবাহিত জীবনে দাড়ি টানতে চলেছেন নওয়াজ ও আলিয়া। পরকীয়া, যৌন হেনস্তা, নারীসঙ্গে জর্জরিত নওয়াজের ব্যক্তিগত জীবন। বিবাহিত জীবনে দাড়ি টানতে চলেছেন নওয়াজ ও আলিয়া। তবে তাদের দাম্পত্য কলহ দিনদিন বেড়েই চলেছে। কোনওভাবেই যে তাদেরকে থামানো যাবে না তা একপ্রকার যেন নিশ্চিত সকলেই। যত দিন যাচ্ছে ততই যেন পরিস্থিতি জটিল থেকে জটিলতর হচ্ছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

বলিউডের অন্দরে চর্চা যেন দিনদিন বেড়েই চলেছে নওয়াজউদ্দিন ও আলিয়াকে নিয়ে। আলিয়া ও নওয়াজের সম্পর্ক নিয়ে ক্রমশ জলঘোলা হচ্ছে। তাদের সাংসারিক অশান্তিকে কেন্দ্র করে সরগরম মায়ানগরী। বর্তমানে তাদের দাম্পত্য কলহ আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। দুজনের দাম্পত্য কলহ এতটাই বেড়ে চলেছে যে তার প্রভাব পড়েছে সন্তানদের উপর। যদিও শোনা যাচ্ছিল,সন্তানদের দিকে তাকিয়েই নাকি ঝামেলা মিটিয়ে ফেলতে চাইছেন নওয়াজ। দিনকয়েক আগেই স্ত্রী আলিয়া ও ভাই শামাস সিদ্দিকির বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছিলেন নওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকি, সেই মামলায় ১০০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছিলেন নওয়াজ। এবার সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে, মানহানি মামলা দায়ের করার একদিন পরেই নাকি স্ত্রী আলিয়া সিদ্দিকিকে সমঝোতা প্রস্তাব পাঠিয়েছেন নওয়াজ।

আলিয়ার আইনজীবী দাবি করেছেন, সমঝোতা প্রস্তাব পাঠিয়েছেন তার মক্কেলকে। কী লেখা রয়েছে সেই প্রস্তাবে। জানা গিয়েছে, আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করতে প্রস্তুত তারা। মামলার শুনানির আগামী তারিখের আগেই নাকি আলিয়ার সঙ্গে বোঝাপড়া করতে আগ্রহী অভিনেতা। এমনকী মানহানির মামলা তুলে নেওয়ার কথাও ভেবে দেখবেন তিনি। তবে কি সন্তানদের জন্যই এই পদক্ষেপ নিচ্ছেন নওয়াজ, নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য কোনও কারণ। এর মধ্যেই শোনা যাচ্ছে, স্ত্রী আলিয়া জানিয়েছেন, বিবাহবিচ্ছেদ আমাদের হবেই। তবে আপাতত সন্তানের নিয়ে দড়ি টানাটানি চলছে। একে অপরকে কাদা-ছোড়াছুড়ি, নোংরামি লাগাতার চলছে। কিছুদিন আগেও মুম্বই কোর্টের দুই বিচারপতি আলিয়া ও নওয়াজকে দুই সন্তানের অভিভাবকত্ব নিয়ে সমস্যার সমাধান করার নির্দেশ দেন। জানা যায়, নওয়াজ তার ১২ বছরের মেয়ের দায়িত্ব নিলেও ৭ বছরের ছেলের দায়িত্ব নিতে অস্বীকার করেছিলেন। আদালতের দ্বারস্থ হয়ে দ্বিতীয় সন্তানের ডিএনএ পরীক্ষার দাবি জানিয়েছিলেন স্ত্রী আলিয়া। তিনি অভিযোগ জানিয়েছিলেন, পিতৃপরিচয় দিতে রাজি নন নওয়াজ, এমনকী তাকে নিজের সন্তান বলে গ্রহণ করছেন না অভিনেতা। তাই বাধ্য হয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। আইনজীবী জানিয়েছিলেন, সন্তানরা তার মায়ের সঙ্গে রয়েছে, তারা মাকে ছেড়ে দুবাই ফিরতে চায় না।