Boong: লক্ষ্মীপ্রিয়া দেবী পরিচালিত এবং ফারহান আখতার প্রযোজিত মণিপুরি ছবি ‘বুং’ ৭৯তম ব্রিটিশ অ্যাকাডেমি ফিল্ম অ্যাওয়ার্ডস (বাফটা)-এ ‘বেস্ট চিলড্রেনস অ্যান্ড ফ্যামিলি ফিল্ম’ বিভাগে সেরার সম্মান অর্জন করেছে।

আন্তর্জাতিক মঞ্চে ফের গর্বের মুহূর্ত ভারতের জন্য। ৭৯তম British Academy Film Awards (বাফটা)-তে সেরার সম্মান পেল মণিপুরি ভাষায় নির্মিত ছবি ‘বুং’ (Boong) ‘বেস্ট চিলড্রেনস অ্যান্ড ফ্যামিলি ফিল্ম’ বিভাগে এই সম্মান অর্জন করেছে ছবিটি। একাধিক আন্তর্জাতিক ছবির সঙ্গে পাল্লা দিয়েই সেরার শিরোপা ছিনিয়ে নিয়েছে ‘বুং’। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

ছবিটি পরিচালনা করেছেন লক্ষ্মীপ্রিয়া দেবী (Lakshmipriya Devi) । প্রযোজনায় রয়েছেন বলিউডের পরিচিত প্রযোজক-পরিচালক ফারহান আখতার (Farhan Akhtar) । তাঁর উপস্থিতি এবং সমর্থন ছবিটিকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে পৌঁছে দিতে বিশেষ ভূমিকা নিয়েছে বলেই মনে করছেন অনেকে। পুরস্কার গ্রহণের মুহূর্তে ফারহানের সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী শিবানী দন্ডেকার (Shibani Dandekar)। মঞ্চে ওঠার সময় তাঁদের মুখে ধরা পড়ে গর্ব আর আবেগের ঝলক। 

‘বুং’ মণিপুরের উত্তপ্ত সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এক কিশোরের জীবনের গল্প তুলে ধরেছে। মণিপুরি ভাষায় ‘বুং’ শব্দের অর্থ ‘ছোট ছেলে’। ছবির কেন্দ্রীয় চরিত্র এক কিশোর, যে তার হারিয়ে যাওয়া বাবাকে খুঁজে বের করার দৃঢ় সংকল্প নেয়। তার বিশ্বাস, বাবাকে ফিরিয়ে আনতে পারলেই মায়ের মুখে আবার হাসি ফুটবে। এই আবেগঘন চরিত্রে অভিনয় করেছেন গুগুন কিপগেন (Gugun Kipgen)। গত সেপ্টেম্বর মাসে মুক্তি পেয়েছিল ছবিটি। 

মুক্তির আগেই একাধিক আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয় ‘বুং’ এবং আন্তর্জাতিক মানের সমালোচকদের কাছ থেকে ব্যাপক প্রশংসা কুড়োয়। উত্তর-পূর্ব ভারতের আঞ্চলিক গল্প যে বিশ্বদরবারেও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক এবং আকর্ষণীয়, ‘বুং’ তার উজ্জ্বল প্রমাণ। এই সম্মান শুধু একটি ছবির সাফল্য নয়, বরং উত্তর-পূর্ব ভারতের চলচ্চিত্র জগতের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। ভারতের আঞ্চলিক ভাষার গল্প যে আন্তর্জাতিক দর্শকের মন জয় করতে পারে, তা আবারও প্রমাণ করল ‘বুং’।