Janhvi Kapoor: বলিউড অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুরের নাম ও ছবি ব্যবহার করে অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া অশ্লীল, আপত্তিকর ও AI-নির্মিত ভুয়ো কনটেন্ট নিয়ে দিল্লি হাইকোর্টে মামলা হয়।

বলিউড অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুরের নাম ও ছবি ব্যবহার করে অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া অশ্লীল, আপত্তিকর এবং ভুয়ো কনটেন্ট নিয়ে দিল্লি হাইকোর্টে মামলা হয়। জাহ্নবী তাঁর ব্যক্তিগত অধিকার রক্ষার জন্য আদালতের দ্বারস্থ হন।

জাহ্নবীর অভিযোগ ছিল, তাঁর নাম ও পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে অশ্লীল কনটেন্ট, ভুয়ো প্রোফাইল এবং AI-নির্মিত ডিপফেক ছবি ছড়ানো হচ্ছে। এই ধরনের কনটেন্ট তাঁর সম্মান ও ব্যক্তিগত অধিকারের উপর প্রভাব ফেলছে বলে তিনি আদালতের কাছে তা সরানোর আবেদন করেন। আদালত স্পষ্টভাবে আপত্তিকর ও অশ্লীল কনটেন্ট সরানোর বিষয়ে হস্তক্ষেপের কথা জানিয়েছে। তবে জাহ্নবীর আবেদনে থাকা সমস্ত ফ্যানপেজ বা ফ্যানক্লাব বন্ধ করে দেওয়ার মতো রায় দিতে আদালত রাজি হয়নি। বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, সব ফ্যানপেজকে একসঙ্গে কীভাবে বন্ধ করে দেওয়া যায়।

আদালতের মতে, একজন অভিনেত্রীর ব্যক্তিত্বের অধিকার যেমন সুরক্ষিত হওয়া প্রয়োজন, তেমনই বৈধ মতামত, সমালোচনা ও স্বাধীন মতপ্রকাশের অধিকারও বজায় রাখতে হবে। তাই কোন কনটেন্ট সত্যিই আপত্তিকর এবং কোনটি সাধারণ ফ্যানপেজ বা মতামত—তা আলাদা করে দেখা প্রয়োজন।

এই মামলায় AI ও ডিপফেক প্রযুক্তির অপব্যবহারের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। অনলাইনে কোনও তারকার ছবি ও পরিচয় অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করে ভুয়ো বা অশ্লীল কনটেন্ট তৈরি করা নিয়ে আদালতের এই পদক্ষেপ ভবিষ্যতের এমন মামলাতেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

সারাংশ: জাহ্নবী কাপুর আপত্তিকর ও অশ্লীল অনলাইন কনটেন্ট সরানোর ক্ষেত্রে আদালতের সুরক্ষা পেয়েছেন। তবে সমস্ত ফ্যানপেজের উপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়নি, কারণ ব্যক্তিত্বের অধিকার ও স্বাধীন মতপ্রকাশের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার প্রয়োজন রয়েছে।