‘বিগ বস বাংলা’র ঘরে রাজবীর দে ও নন্দিনী দত্তের ঘনিষ্ঠতা বাড়ছে, যা নিয়ে চর্চা তুঙ্গে। তাঁদের রসায়ন দেখে প্রকাশ্যেই কটাক্ষ করেন অভিনেতা জীতু কমল, যার জেরে নন্দিনীর সঙ্গে তাঁর তীব্র বচসা শুরু হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঘরের অন্দরে নতুন করে উত্তেজনা ও সমীকরণ তৈরি হয়েছে।
সময় যত এগোচ্ছে, ততই জমে উঠছে ‘বিগ বস বাংলা’র অন্দরের সমীকরণ। কখনও টাস্ক ঘিরে বচসা, কখনও বন্ধুত্বের টানাপোড়েন, আবার কখনও প্রেমের ইঙ্গিত—সব মিলিয়ে প্রতিদিনই বাড়ছে উত্তেজনা। এবার চর্চার কেন্দ্রে রাজবীর দে ও নন্দিনী দত্তের ঘনিষ্ঠতা। আর তাঁদের রসায়ন দেখেই মেজাজ হারাতে দেখা গেল অভিনেতা জীতু কমলকে।
‘বিগ বস’-এর ঘরে প্রতিযোগীদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হওয়া নতুন কিছু নয়। হিন্দি সংস্করণেও এমন বহু নজির রয়েছে। এবার সেই তালিকাতেই যেন নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছেন রাজবীর ও নন্দিনী। ‘রোমিও’ রাজবীরের সঙ্গে নন্দিনীর ঘনিষ্ঠতা ইতিমধ্যেই নজর কেড়েছে দর্শকদের।
একটি দৃশ্যে নন্দিনীর হাত ধরে রাজবীরকে বলতে শোনা যায়, “লাইফ পার্টনারের সঙ্গে গেম খেলব আমি?” জবাবে নন্দিনী বলেন, “তাহলে আমি তোমাকে বিশ্বাস করছি।” শুধু কথোপকথনেই নয়, একই বিছানায় পাশাপাশি শুয়ে তাঁদের প্রেমালাপও নজর কাড়ে। রাজবীরকে নন্দিনীর উদ্দেশে বলতে শোনা যায়, “তুমি সবথেকে সুন্দর।” এরপরই খুনসুটি করে তাঁর গাল টিপে দেন নন্দিনী।
আর এই ঘনিষ্ঠ দৃশ্যই যেন ভালভাবে নিতে পারেননি জীতু কমল। প্রকাশ্যেই নন্দিনীকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, “ওই মাথায় হাত দিয়ে ছেলে পটানো আমাদের দ্বারা হবে না!” জীতুর এই মন্তব্যে অবশ্য চুপ করে থাকেননি নন্দিনী। পাল্টা ঝাঁঝালো জবাব দেন অভিনেত্রী। তাঁকে বলতে শোনা যায়, “তুমি কি সারাদিন বসে জপ করতে করতে এরকম কূটকচালী করো?” ফলে মুহূর্তেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ‘বিগ বস বাংলা’র পরিবেশ।
তবে এখানেই শেষ হয়নি দ্বন্দ্ব। জীতুর মন্তব্যে মন খারাপ করে ঘরের এক কোণে মনামী ঘোষের সঙ্গে নিজের মনের কথা ভাগ করে নিতে দেখা যায় নন্দিনীকে। অভিনেত্রী জানান, জীতুর কথাগুলি তাঁর কাছে বেশ অদ্ভুত লেগেছে। এরপর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয় ড্রয়িংরুমে। ডাইনিং টেবিলে খেতে খেতে জীতুকে বলতে শোনা যায়, “আমার পিছনে কাঠি কোরো না! তাহলে সারাদিন আমিও সেটাই করব।” রাজবীর-নন্দিনীর ঘনিষ্ঠতা, জীতুর মন্তব্য এবং তার পাল্টা জবাব—সব মিলিয়ে ‘বিগ বস বাংলা’র ঘরে এখন নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। আগামী দিনে এই সম্পর্ক কোন দিকে যায় এবং জীতু-নন্দিনীর সংঘাত আরও কতটা বাড়ে, এখন সেদিকেই নজর দর্শকদের।
