জনপ্রিয় ইউটিউবার শমীক অধিকারী ওরফে শমীক ননসেনকে গ্রেফতার করেছে বেহালা থানার পুলিশ। তার বিরুদ্ধে বান্ধবীকে শারীরিক, মানসিক ও যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। নির্যাতিতার দাবি, তাকে একটি ফ্ল্যাটে প্রায় ১২ ঘন্টা আটকে রেখে অত্যাচার করা হয়।
গ্রেফতার হল ইউটিউবার শমীর অধিকারী। বান্ধবীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছিল তার বিরুদ্ধে। তাঁকে গ্রেফতার করেছে বেহালা থানার পুলিশ। শমীক ননসেন নামে পরিচিত। বৃহস্পতিবার তাকে গ্রেফতার করা হয়। একাধিক ধারায় মামলা হয়েছে শমীকের বিরুদ্ধে। তার বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১২৭ (২), ৭, ৪ এবং ৩৫১ (২) ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে।
নির্যাতিতার দাবি, শমীক তার পূর্ব পরিচিত। ঘনিষ্ঠ পরিচয় ছিল। তাকে সে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করে। যৌন নির্যাতনও চালানো হয় বলে অভিযোগ। দীর্ঘ সময় ধরে ওই নির্যাতন চলেছিল মেয়েটির ওপর। বিষয়টি সামনে আসতে শোরগোল পড়ে সর্বত্র। শমীককে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। অবশেষে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে।
পুলিশকে নির্যাতিতা জানিয়েছে, বেহালার একটি আবাসনে তাঁকে আটকে রেখেছিল শমীক। প্রায় ১২ ঘন্টা তাঁর ওপর অত্যাচাক করা হয়। মারধরের পাশাপাশি যৌন নির্যাতনও চলে। তাকে ভয় দেখানো হয়, হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। নির্যাতিতা তরুণীর ডাক্তারি পরীক্ষা হয়েছে। তাঁর শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে।
এদিকে শমীক গ্রেফতার হতেই প্রতিবাদে সরব হন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য। তৃণমূল সাংসদ দেবের সঙ্গে শরীকের একটি ছবি পোস্ট করে তিনি লেখেন, মমতা ব্যনার্জির অধীনে পশ্চিমবঙ্গ একটি স্বৈরতন্ত্রে পরিণত হয়েছে। বৈধ সমালোচনার জবাবে সংশোধনের পরিবর্তে ভুয়ো, উদ্দেশ্যপ্রণেদিত এফআইআর দায়ের করা হয়, ভুয়ো মামলা দায়ের করা হয়… প্রথমে সায়ক… এখন Nonsane…
এরপর মালব্যকে পাল্টা আক্রমণ করে কুণাল ঘোষ লেখেন, ইনি সেই ব্যক্তি, যিনি পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে নিশানা করে একটি ভিডিও বানিয়েছিলেন, দাবি করেছিলেন এখানে মেয়ের নিরাপদ নয়। তৃণমূলকে ভোট না দিতে আহ্বান জানান। আর জি করের সময় বিজেপি সমর্থক মদতপুষ্টরাই কুৎসা ছড়াতে নেমেছিল। এখন মুখোশ খুলে যাচ্ছে।


