বাংলার চলচ্চিত্র জগতে প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণা মানেই এক অনবদ্য জুটি। একসময় যে জুটি একাই দাপিয়ে বেড়িয়ে বড়পর্দা। একটি কিংবা দুটি নয়, মোটের ওপর ৫২টি ছবি তাঁরা একই সঙ্গে অভিনয় করেছিলেন। তখন তাঁদের সাফল্য মধ্যগগণে পৌঁছিয়েছে। টলিপাড়ায় কাকাঘুষও কম নয়। তাঁদের সম্পর্কের জল কতদূর গড়ালো, কেমন তাঁদের পর্দায় পেছনের কেমিস্ট্রি, সব মিলিয়ে যাকে বলে অনবদ্য উপস্থিতি। 

হঠাতই এই দুই অভিনেতার পথ হয়ে যায় আলাদা। জল্পনা আরো তুঙ্গে। একসঙ্গে কাজ করা তাঁরা বন্ধ করে দেন। এক কিংবা দুবছর নয়, মধ্যে কেটেগিয়েছিল ১৪ বছর। তারপর আবারও এক ব্লকবাস্টার ছবি উপহার দেওয়া দর্শকদের, প্রাক্তন। কিন্তু কেন এই বিরতি, এক সাক্ষাৎকারে তাঁরা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় জানান, তাঁরা নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিয়ে ছিলেন এক সঙ্গে কাজ না করার। তাঁদের কোথাও গিয়ে মনে হয়েছিল তাঁরা একই সঙ্গে কাজ করতে পারবেন না। তবে তা বেশি দিনের জন্য নয়। এক সময় তাঁদের মত বদলালেও হাতে পাননি সঠিক স্ক্রিপ্ট। বর্তমানে সব অভিমান ভুলে আবারও একসঙ্গে পর্দায় তাঁরা। ঋতুপর্ণার জন্মদিনে স্মৃতির পাতা উল্টে জানালেন শুভেচ্ছা। 

 

 

অন্যদিকে একই সুরে ঋতুপর্ণা জানান তাঁর মনের কথা। প্রথম যখন তিনি পা রেখেছিলেন বড়পর্দায়, তখন অভিনয় সম্পর্কে তেমন কিছু জানতেন না, তখন সমান তালে তাঁকে সামাল দিয়েছেন প্রসেনজিৎ। যদিও মধ্যের সময়টা অনেকখানি, কিন্তু ওই সময় কাজ করলে কাজটা সঠিক হয়ে উঠত না। তাই সরে থাকা। এই জুটি দর্শকদের কাছে খুব প্রিয়, তাই ফিরে আসার জন্য প্রয়োজনছিল একটি জোড়ালো স্ক্রিপ্ট, সেখান থেকেই প্রাক্তন।