দক্ষিণী অভিনেতা কৃষ্ণকুমারের পরিবারে ফের বিতর্ক। এবার নিজের মায়ের বিরুদ্ধেই বিস্ফোরক অভিযোগ আনলেন তাঁর স্ত্রী সিন্দু কৃষ্ণ।

চারদিকে যখন অভিনেতা কৃষ্ণকুমারের পরিবারের ঝামেলা নিয়ে চর্চা চলছে, ঠিক তখনই আগুনে ঘি ঢালল নতুন একটি ঘটনা। গত কয়েকদিন ধরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় এই পরিবারকে নিয়ে তুমুল আলোচনা। সিন্দু কৃষ্ণ তাঁর মায়ের দেখাশোনা করেন না বা মেয়ে অহনা কৃষ্ণ দিদিমাকে অপমান করেছেন - এই ধরনের অভিযোগ তুলেছিলেন তন্বী নামের এক আত্মীয়। এরপর থেকেই পরিবারটিকে নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক সাইবার বুলিং। मामलाটা যখন থিতিয়ে আসছে বলে মনে হচ্ছিল, ঠিক তখনই নিজের মায়ের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক প্রমাণ নিয়ে হাজির হলেন সিন্দু কৃষ্ণ। তিনি একটি ভিডিও ফাঁস করেছেন, যেখানে তাঁর বাবাকে তাঁর মা মারধর করছেন বলে অভিযোগ।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

ইউটিউবার সাই কৃষ্ণ এই বিষয়টি সামনে এনেছেন। তাঁর দাবি, সিন্দু কৃষ্ণ নাকি এই ফুটেজটি অচেনা লোকেদেরও পাঠাচ্ছেন। সাইয়ের কথায়, “বিষয়টা হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে। ঠাকুমার ব্যবহার দেখলে যে কেউ মেজাজ হারাবে। উনি এতটাই টক্সিক।”

সাই জানান, "যারা জিজ্ঞেস করছিল সমস্যাটা কী, তাদের সিন্দু কৃষ্ণ একটা সিসিটিভি ফুটেজ ফরওয়ার্ড করেছেন। অচেনা লোকেদেরও এটা পাঠিয়ে দিচ্ছেন। এর দরকার কী? যদি মিটমাট হয়েই গিয়ে থাকে, তাহলে তো সব থেমে যাওয়া উচিত। আপনার অচেনা কারও হাতে এই ভিডিও গেলে তো यही হবে। আমি ভিডিওটা চালাব না, কারণ সিন্দু কৃষ্ণর বাবা আজ বেঁচে নেই। আর ওঁর মা একজন বয়স্ক মানুষ। যদিও ওঁর প্রতি আমার কোনও নরম মনোভাব নেই। ওঁর কাজগুলো দেখলে শুধু বয়সের সম্মানটুকুই করা যায়, মানুষটাকে নয়।"

সাই আরও বলেন, "সিসিটিভি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ঠাকুমা চটি বা ওই জাতীয় কিছু দিয়ে দাদুকে মারছেন। সিন্দু ভিডিওটি শেয়ার করে লিখেছেন, 'সার্জারির আগে বাবাকে মা মারধর করত'। সিন্দু বা অহানার মনে কতটা ক্ষোভ জমা হলে এই ভিডিও বাইরে আসে! এই সব দেখলে যে কেউ তো গালিগালাজ করবেই, তাই না? পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে।"

ইউটিউবার আরও যোগ করেন, “সিন্দু কৃষ্ণ, আপনি কি জানেন না যে এই সব বাইরে আসবে? আপনি তো ভিডিওতে বলেন যে এই সব নিয়ে কথা বলতে চান না। তাহলে তো সেটাই করা উচিত ছিল। ঠাকুমা তাঁর নাতি-নাতনিদের নিয়ে যা যা বলেছেন, তা মুখে আনা যায় না। অহনা যদি এর বিরুদ্ধে কিছু বলেও থাকে, তাকে কি দোষ দেওয়া যায়? এত টক্সিক একজন ঠাকুমা থাকলে তাঁর কথা শোনা যায় না। উনি বয়সের সুযোগ নিচ্ছেন। এই ঝামেলা যখন চলছিল, তখন সিন্দু কৃষ্ণর মুখ খোলা উচিত ছিল, কিন্তু তিনি ক্যামেরার পেছনেই থেকে গেলেন। অহনা আবার পরিবারের জন্য সামনে এসে দাঁড়াল। এই ভিডিও দেখে বোঝা যাচ্ছে ঠাকুমা কতটা টক্সিক। অহানাকে এতটা সাইবার বুলিং বা ঘৃণা পাওয়ার কোনও কারণ নেই।”