অবশেষে প্রকাশ্যে এল অন্তিম রায়। আদালত থেকে স্পষ্ট ভাষায় খারিচ করে দেওয়া হল কোয়েনা মিত্রর সমস্ত আবেদন। চেক বাউন্স করার অবরাধে কোয়েনা মিত্রর বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছিল ছিলেন পুনম শেঠি। তারই ভিত্তিতে এবার রায় শোনালো আদালত। ছয় মাসের জেল ও   ১.৬৪ হাজার টাকাসুদসহ ৪ লাখ ৬৪ হাজার টাকা পুনমকে ফেরত দেওয়ার কথাও বলা হয় এদিন আদালতের পক্ষ থেকে।

আরও পড়ুনঃ চোখ দিয়েই ধর্ষণ, এষা গুপ্তার অভিযোগের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ ব্যবসায়ীর

ঘটনার সূত্রপাত হয় ২০১৩ সালে। অভিনেত্রী ও মডেল কোয়েনা মিত্র পুনম শেটির থেকে ব্যাক্তিগত কারণ বশত ২২ লাখ টাকা ধার নেয়। কথা ছিল সেই অঙ্কের টাকা ধিরে ধিরে তিনি চুকিয়ে দেবেন। সেই চুক্তি অনুযায়ী তিন লাখ টাকার একটি চেক জমা দিলে তা বাউন্স করে। ঘটনার পর বারংবার পুনম কোয়েনাকে বিষয়টি দেখার কথা বলেছিলেন। এতে কোনও কাজ না হলে ২০১৩ সালে ১৯শে জুলাই আইনি নোটিশ পাঠান পুনম শেঠি। এরপর চার মাস কেটে গেলে যখন কোনও সঠিক উত্তর মেলে না কোয়েনার তরফ থেকে, তখন পুনম শেঠি তাঁর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন ১০ই অক্টোবর। 

আরও পড়ুনঃ সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগে ১৪ দিনের জেল হেফাজতে আজাজ খান

ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে অন্ধেরি আদালতে কোয়েনা জানান যে পুনম শেঠির এত টাকা ঋণ দেওয়ার মতন কোনও ক্ষমতাই নেই। কিন্তু সেই যুক্তি খারিচ করে দিয়েই এদিন রায় শোনালেন আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট কেতকী চাভান। ফলে ৬ মাসের জেল নির্ধারিত হয় কোয়েনার।