রবিবার বিগ বস বাংলার দুর্গ থেকে দর্শকদের ভোটে বিদায় নিলেন তাপসকন্যা সোহিনী পাল। তাঁর বিদায়ে তনুশ্রীরা কান্নায় ভেঙে পড়লেও, একই দিনে দুর্গে প্রবেশ করেন অনুষ্কা ঘোষ।
‘বিগ বস বাংলা’র রবিবার দাদার দরবার মানেই কারও একটা ছিটকে যাওয়ার পালা। রবিবার কে দুর্গ থেকে বেরিয়ে যাবেন, সেইদিকেই নজর ছিল সকলের। দর্শকদের ভোটের ভিত্তিতে এ সপ্তাহে ছিটকে গেলেন তাপসকন্যা সোহিনী পাল। সঞ্চালক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় তাঁকে দুর্গ ছাড়ার নির্দেশ দিতেই কেঁদে ভাসালেন তনুশ্রী, ঝিলমরা। সোহিনীকে পাশে নিয়ে সৌরভ বললেন, “তোমাকে আমি অনেক ছোট থেকে দেখেছি। আমার সন্তানসম। তুমি আমার খুব কাছের।” এদিকে একইদিনে বিগ বসের ঘরে ঢুকে পড়লেন অনুষ্কা ঘোষ।
বিগ বসের নিয়ম অনুযায়ী প্রতি সপ্তাহেই একজন প্রতিযোগীকে ছাড়তে হয় দুর্গ। এসপ্তাহেও তার অন্যথা হয়নি। দর্শকদের একাংশ ভেবেই নিয়েছিল, এদিন সোহিনী বেরিয়ে যেতে পারেন। তেমনটাই হল। সোহিনীর বেরোনোর পরপরই দুর্গে ঢুকেই ম্যাজিকের মতো পুরো আবহাওয়াটাই বদলে দিলেন অনুষ্কা। ঢুকেই তিনি সকলকে এক জায়গায় ডাকেন। বলেন, তাঁর সকলের সঙ্গে কথা রয়েছে। কার বিরুদ্ধে দর্শক কী ভাবছে, কার কোনটা সংশোধন করা প্রয়োজন, মুখের উপর তা বলেন অনুষ্কা। শুরুতেই নন্দিনীকে চাঁচাছোলা আক্রমণ করেন তিনি। জিতুকে অনুষ্কা দাদা বলে সম্বোধন করতেই নন্দিনী খোঁচা দেন। পালটা অনুষ্কা বলেন, “সবাই কি তোমার মতো প্রেম করতে এসেছে বাবু?”
দুর্নিবার থেকে শুরু করে ভরত কল, দীপেন্দু-সকলের ভালো-মন্দ তুলে ধরেন অনুষ্কা। সৃজলার সঙ্গে ঘটা দুর্ঘটনা নিয়ে এরপর ফের সরাসরি নন্দিনীকে আক্রমণ করেন তিনি। বলেন, “খেলায় ভুল হতেই পারে, কিন্তু তুমি তোমার দোষ দেখতে পারো না। সৃজলার ঘটনায় তুমি ভুল করেছো তা মানোনি, অনুশোচনাই হয়নি।” রাজবীরকেও তার আচরণ পরিবর্তনের পরামর্শ দেন মডেল। সরাসরি বলেন, “ওর জন্যই তোর খেলা নষ্ট হচ্ছে। কী বোকা তুই।” তবে শুরুতেই স্পষ্ট যে নন্দিনীকে চাপে ফেলতে একেবারে প্রস্তুত রিয়েলিটি শো কুইন অনুষ্কা।
