এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র বিতর্ক শুরু হয়, রেগে আগুন হয়ে যান নেটিজেনরা……

বাংলা সিনেমার ইতিহাসে উত্তম কুমার শুধু একজন অভিনেতা নন, তিনি বাঙালির আবেগ। দশকের পর দশক পেরিয়ে গেলেও রোম্যান্টিক নায়ক হিসেবে তাঁর জনপ্রিয়তা আজও অটুট। পর্দায় তাঁর ব্যক্তিত্ব, অভিনয় এবং ক্যারিশ্মা এখনও দর্শকদের মুগ্ধ করে। তবে এবার মহানায়ককে ঘিরেই বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে এলেন তাঁর নাতনি নবমিতা চট্টোপাধ্যায়। সম্প্রতি একটি পডকাস্টে অতিথি হিসেবে হাজির হয়েছিলেন নবমিতা। স্বাভাবিকভাবেই আলোচনার বড় অংশ জুড়ে ছিল তাঁর দাদু উত্তম কুমারকে নিয়ে নানা স্মৃতি ও ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা। সেখানেই তিনি দাবি করেন, ছোটবেলায় উত্তম কুমারের গায়ের রং নাকি অনেকটাই শ্যামবর্ণ ছিল।

নবমিতার কথায়, “বললে কেউ বিশ্বাস করবে না। কিন্তু দাদু ভীষণ কালো ছিলেন। আমার কাছে ওঁর পুরনো ছবি আছে। পরে বিভিন্ন ক্রিম ব্যবহার করে, চিকিৎসকদের পরামর্শ নিয়ে কিছু ক্যাপসুল খেয়ে নিজের ত্বকের বিশেষ যত্ন নিয়েছিলেন।” এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয় তীব্র বিতর্ক। অনেকেই নবমিতার বক্তব্যের সমালোচনা করে দাবি করেন, মহানায়কের ব্যক্তিত্ব ও জনপ্রিয়তা কখনও তাঁর গায়ের রঙের ওপর নির্ভর করেনি।

একজন নেটিজেন মন্তব্য করেন, “ভিউ পাওয়ার জন্য নিজের দাদুকে নিয়ে যা খুশি বলা উচিত নয়।” আরেকজন লেখেন, “উত্তম কুমারের ক্যারিশ্মা কোনও ক্রিম বা প্রসাধনীর জন্য ছিল না, তাঁর অভিনয়ই তাঁকে মহানায়ক করেছে।” আবার কেউ কেউ সরাসরি নবমিতার দাবিকেই অস্বীকার করেছেন। যদিও নবমিতার বক্তব্যের সত্যতা নিয়ে বিতর্ক চলতেই পারে, তবে এই ঘটনায় আরও একবার স্পষ্ট হয়েছে যে, উত্তম কুমারকে ঘিরে বাঙালির আবেগ আজও একই রকম অটুট। তাঁর সম্পর্কে যেকোনও মন্তব্যই এখনও ভক্তদের মধ্যে প্রবল প্রতিক্রিয়া তৈরি করে, যা প্রমাণ করে মহানায়কের জনপ্রিয়তা সময়ের সীমানা ছাড়িয়ে আজও সমান উজ্জ্বল।