পুজোর আমেজ কাটতে না কাটতেই কলকাতায় ঝুপ করে নেমে আসে ঠান্ডা। শীতের মুরশুমে গা ভাসাতে কাছে পিঠে কিংবা দূরে কোথাও পাড়ি দেওয়ার পালা। সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বদল ঘটে খাদ্যতালিকার। প্রাতরাশে যুক্ত হয় কমলালেবু, নলেনগুড় আর ফ্রুটকেক। বড়দিন যতই এগিয়ে আসে ততই চাহিদা বাড়তে থাকে এই হয় কমলালেবু, নলেনগুড় আর ফ্রুটকেক। বেকারিতে তড়ঘড়ি শুরু হয় প্রস্তুতি। তাই ডিসেম্বর পড়তে না পড়তেই মধ্যবিত্তের বাজারের তালিকাতে যুক্ত হয়ে যায় একটা উপাদান, বড়ুয়ার কেক। কলকাতার বুকে সাবেকি কেকের স্বাদ দেওয়ার জন্য নাম করা একের পর এক সংস্থার ঠিকানা মিলবে হয়তো সহজেই, কিন্তু মধ্যকলকাতার ঘরের স্বাদ মানেই বড়ুয়ার এক ভিন্ন ফ্লেভার। 

আরও পড়ুন- ছুটিতে আলিপুর চিড়িয়াখানা যাবেন ভাবছেন, এই নতুন নিয়ম না জানলে ফিরে আসতে হবে

করোনার সময়ও কোনও খামতি রাখতে নারাজ এই সংস্থা। তাই সতর্কতা মেনেই প্রতুস্ত করে ফেলেছেন চেনা স্বাদের চার প্রকারের কেক। সর্বনিম্ন দাম ১২০ টাকা। সর্বোচ্চ দাম ২৪০ টাকা। মাথায় হেয়ার কেয়ার কিট, হাতে গ্লাফস, মুখে মাস্ক, লাইল দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা সকলের হাতে সময় নিয়ে তুলে দেওয়া হচ্ছে কেক। কারুর চাই পাম কেক, কেউ আবার চাইছেন রিড ফ্রুট কেক। 

 

 

মধ্যকলকাতায় দীর্ঘ ৯০ বছর ধরে এভাবেই মধ্যবিত্তের মুখে হাসি ফুঁটিয়ে এসেছে বড়ুয়া বেকারী প্রাইভেট লিমিটেড। সাধারণত ব্রেড বিক্রেতা হিসেবেই সারা বছর পসার জমিয়ে থাকে এই সংস্থা। তবে জিসেম্বর আসতেই শুরু হয়ে যায় কেকে তৈরির প্রস্তুতি। বড়ুয়া বেকারির ডিরেক্টর অসীম বড়ুয়া জানান, কেবলমাত্র ২০দিনই মেলে এই কেকের দেখা। তৈরি শুরু হয় ১০ ডিসেম্বর থেকে, এই স্বাদ মিলবে ১ জানুয়ারী পর্যন্ত।