আবহাওয়া পরিবর্তনের এই সময় সর্দি-কাশির মত সাধারণ সমস্যা লেগেই থাকে। তবে এই সমস্যাগুলি থেকে মুক্তি পেতে আমাদের রান্নাঘরে উপস্থিত রয়েছে বেশ কিছু এমনই উপাদান। এমন এক পরিস্থিতিতে শরীর সুস্থ রাখতে ডায়েটে রাখুন এই পানীয়। যা শরীর সুস্থ রাখার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত রাখতেও সাহায্য করবে।

আরও পড়ুন- জমে উঠুক মাছে ভাতে বাঙালির পাত, রইল অন্য স্বাদের পমফ্রেট কালিয়ার রেসিপি

 বিশেষজ্ঞদের মতে বেদানা হল শরীরের জন্য অত্যন্ত কার্যকরী একটি ফল। এর ফলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাতেও উপকার পাওয়া যায়। বেদানা আয়ুর্বেদিক ও ইউনানী চিকিৎসায় পথ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বেদানা বা ডালিমে বিউটেলিক এসিড, আরসোলিক এসিড এবং কিছু আ্যলকালীয় দ্রব্য যেমন- সিডোপেরেটাইরিন, পেপরেটাইরিন, আইসোপেরেটাইরিন, মিথাইলপেরেটাইরিন প্রভৃতি মূল উপাদান থাকায় এটি বিভিন্ন রোগ উপশমে সাহায্য করে।

আরও পড়ুন- দোকানের স্বাদের নরম রসালো কালাকান্দ, পুজোয় এবার তৈরি হবে বাড়িতেই, দেখে নিন সহজ রেসিপি

পাশাপাশি পাতি লেবুতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, যা এন্টিসেপটিক ও ঠাণ্ডা লাগা প্রতিরোধ করে।  লেবুতে পর্যাপ্ত পরিমাণ সাইট্রিক এসিড বিদ্যমান যা ক্যালসিয়াম নির্গমন হ্রাস করে পাথুরী রোগ প্রতিহত করতে পারে। লেবুর খোসার ভেতরের অংশে ‘রুটিন’ নামের বিশেষ ফ্ল্যাভানয়েড উপাদান আছে যা শিরা এবং রক্তজালিকার প্রাচীরকে যথেষ্ট শক্তিশালী এবং সুরক্ষা দেয়। তাছাড়া এই সময়ে  সংক্রমণ, সর্দি, কাশি এবং ফ্লুর এর মত ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করবে এই পমিগ্রেনেট লাইম জুস। জেনে নেওয়া যাক এই দুই উপাদানের সাহায্যে কীভাবে বানাবেন এই পানীয়। 

১) ১ টো গোটা বেদেনার ছাড়িয়ে নিয়ে তা মিক্সিতে দিয়ে দিন। 
২) এতে ১ কাপ জল ও স্বাদ মতন চিনি, প্রয়োজনে নাও দিতে পারেন দিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। 
৩) এরপর ছাঁকনিতে ভালো করে ছেঁকে নিন যাতে তার মধ্যে কোনও বীজ না থাকে। 
৪) এবারে এতে ১ টা গোটা পাতিলেবুর রস ও ১ টা কমলালেবুর রস, সামান্য বিটলবন, প্রয়োজনে ঠান্ডা ২ কাপ জল দিতে পারেন
৫) এই সমস্ত মিশ্রণ আরও একবার ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। 
৬) এবারে গ্লাসে ঢেলে উপর থেকে কয়েকটা বেদানা ও পুদিনা পাতা দিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন পমিগ্রেনেট লাইম জুস।