২০১৪ ও ২০১১৬ দুইবার আইএসএল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে এটিকে। কিন্তু গত দুই বছরই ব্যর্থতার মুখ দেখতে হয়েছে কলকাতার দলকে। তাই এইবার শুরু থেকেই দল গোছাতে শুরু করেছে তারা। শুরুতেই প্রাক্তন কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাসকে দলের কোচের হটসিটে ফিরিয়ে এনেছে এটিকে। তারপর মঙ্গলবার আরও তিন ফুটবলারকে সই করানোর কথা জানালো কলকাতার আইএসএল ক্লাব।

এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় কলকাতার ক্লাবটি জানায়, নতুন মরসুমে তাদের হয়ে খেলতে আসছেন আইরিশ রক্ষণভাগের খেলোয়াড় কার্ল ম্যাকহিউঘ। সেইসঙ্গে এখই দিনে সই করানো হয়েছে দুই ভারতীয় আক্রমণাত্বক মাঝমাঠের ফুটবলার মাইকেল সুসাইরাজ ও মাইকেল রেগিন-কে।

এক বিবৃতিতে এটিকে কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস জানিয়েছেন, ম্যাকহিউঘ এক উত্তেজক ও বহুমুখী ফুটবলার। প্রতিভাবান তো বটেই তাঁর মধ্যে নেতৃত্বদানেরও স্বাভাবিক ক্ষমতা রয়েছে বলে দাবি হাবাসের। তাঁর মতে ম্যাকহিউঘের অন্তর্ভুক্তি এটিকে দলে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

আর দুই ভারতীয় আক্রমণাত্বক মাঝমাঠের ফুটবলার সম্পর্কে তাঁর অভিমত, মাইকেল সুসাইরাজ ও মাইকেল রেগিন দুজনেই দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় প্রতিয়োগিতামূলক ফুটবল খেলেছেন। তাঁদের অনেকশ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাঁদের খেলা বোঝার ক্ষমতা, আক্রমমাত্বক খেলার ধরণ এটিকে দলে বাড়তি মূল্য যোগ করবে।

আইরিশ পেশাদার ফুটবলার কার্ল ম্যাকহিউঘ গত মরসুমে স্কটিশ প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব মাদারওয়েল-এ খেলেছেন। সাধারণত সেন্ট্রাল ডিফেন্ডার হিসেবে খেলেন তিনি। এটিকে-তে পাশে পাবেন ইংরেজ ফুটবলার জন জনসনকে। গত মপরসুমে এটিকের রক্ষণে জনসন কিন্তু দারুণ ভরসা দিয়েছিলেন। কাজেই এইবার এটিকের দুর্গ রক্ষার দায়িত্ব পড়তে চলেছে এই স্কটিশ-ইংরেজ জুটির কাঁধেই। ম্যাকহিউঘ অবশ্য একই সঙ্গে লেফট ব্যাক এবং রক্ষণাত্বক মাঝমাঠের ফুটবলার হিসেবেও খেলতে পারেন।

সুসাইরাজ ও রেগিনকে নেওয়া হয়েছে মাঝমাছঠে একটি মজবুত জুটি গড়ে তোলার লক্ষ্যে। লাঞ্জাোতের সঙ্গে তাঁদের বোঝাপড়ায় এটিকের গোল করার সমস্যা মিটতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। গত মরসুমে জামসেদপুর এফসির হয়ে খেলেছিলেন সুসাইরাজ। ১৪টি ম্য়াচ খেলে ৪টি গোলও করেছিলেন। আর রেগিন মাঝমাঠে ভরসা দিযেছিলেন গতবারে আই বিজয়ী দল চেন্নাই সিটি এফসি- হয়ে।