শেষ মরশুমটি খুব একটি ভালো যায়নি রোনাল্ডোর। সিঁরি আ বাদে অন্য কোনও ট্রফি জিততে পারেনি তার ক্লাব। দুটি টুর্নামেন্টের ফাইনাল হারতে হয়েছে তাকে। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পরেও গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে তাকে হার মানতে হয়েছে লাৎজিওর কিরো ইমোবাইলের কাছে। মরশুম শেষ হওয়ার পর ভক্তদের প্রত্যাশা পূরণ করতে আরও পরিশ্রম করবেন কথা দিয়েছিলেন রোনাল্ডো। সদ্য জুভেন্তাসের প্রাক-মরশুম প্রস্তুতি শিবিরেও যোগ দিয়েছেন তিনি। কিছুদিনের মধ্যেই দেশের হয়ে নামবেন নেশনস লিগের যোগ্যতা অর্জন পর্ব খেলতে। আর মধ্যেই খুশির খবর পেলেন পর্তুগালের এক নম্বর ফুটবলার। গত চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেরা গোলের সম্মান পেলেন তিনি। 

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের দিক দিয়ে দেখতে গেলে মরশুমটি অত্যন্ত সাদামাটা গেছে সি আর সেভেনের। একসময় যিনি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে প্রতি মরশুমে অন্তত দশ গোল করা অভ্যাস করে ফেলেছিলেন সেই ফুটবলারই এই মরশুমে করেছেন মাত্র ৪ টি গোল। তার মধ্যে দুটি গোল বায়ার লেভারকুসেনের বিরুদ্ধে। বাকি দুটি শেষ ষোলো পর্বে লিওনের বিরুদ্ধে হোম ম্যাচে যা জুভেন্তাসকে জেতানোর জন্য যথেষ্ট ছিল না। তার মধ্যেই লিওনের বিরুদ্ধে করা রোনাল্ডোর দ্বিতীয় গোলটি নির্বাচিত হলো প্রতিযোগিতার সেরা গোল হিসাবে। 

লিওনের বিরুদ্ধে গোলপোস্টের ২৫ গজ দূর থেকে চোঁখ ধাঁধানো শটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেছিলেন রোনাল্ডো। বলে গতি এতটাই বেশি ছিল যে লিওন গোলরক্ষক হাত লাগিয়েও আটকাতে পারেননি বলটিকে। ডানদিকের টপ কর্নার দিয়ে বল জালে জড়িয়ে যায়। সবচেয়ে বড় কথা রোনাল্ডো শটটি নিয়েছিলেন তার অপেক্ষাকৃত দুর্বল বাঁ পায়ে। নন-কিকিং ফুট থেকে একটি শটের পেছনে অতখানি শক্তি প্রয়োগ করা সাধারণ যে কোনও ফুটবলারের পক্ষে অসম্ভব। তাই বাকিদের টপকে এই সম্মান পেলেন সি আর সেভেন। দৌড়ে ছিল গ্রূপ পর্বে সুয়ারেজের ইন্টার মিলানের বিরুদ্ধে মারা অসাধারণ সাইড ভলি গোল এবং সেমি ফাইনালে লিওনের বিরুদ্ধে করা বায়ার্ন মিউনিখের সার্জ গ্যানাবরীর অসাধারণ সোলো গোলটিও।