গত ২৫ নভেম্বর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হয়েছেন কিংবদন্তী ফুটবলার দিয়াগো মারাদোনা। বিশ্ব জুড়ে চলছো ৮৬-র বিশ্বকাপ জয়ের নায়কের স্মরণসভা ও শ্রদ্ধাজ্ঞাপন অনুষ্ঠান। এরইমধ্যেই মৃত্যুর পর বিতর্ক পিছু ছাড়েনি ফুটবলের রাজপুত্রের। তার সম্পত্তির মালিকানা নিয়ে শুরু হয়েছে বিবাদ। মারাদোনার সম্পত্তির মালিকানা নিয়ে তৈর হয়েছে বিবাদ। একাধিক ব্যক্তিত্ব নিজেদেল মারাদোনার সন্তান বলে দাবি করায় তৈরি হয়েছে সমস্যা। এরই মধ্যে সামনে এল মারাদোনার শেষ চিঠি। সেখানে নিজের ইচ্ছার কথা প্রকাশ করে গেছেন কিংবদন্তী ফুটবলার।

১৩ অক্টোবর নিজের শেষ ইচ্ছার কথা জানিয়ে তাঁর আইনজীবী মাতিয়া মোরলাকে একটি চিঠি লিখে দিয়ে গিয়েছিলেন দিয়াগো মারাদোনা।  লেনিনের মতো তাঁর দেহ সংরক্ষিত করা হোক তেমন ইচ্ছাই প্রকাশ করেছিলেন মারাদোনা। চিঠিতে মারাদোনা লিখেছেন,'গভীর ভাবে চিন্তা করার পর, আমার ইচ্ছা যে আমার দেহ সংরক্ষণ করা হোক। সেখানেই রাখা থাক আমার সব ট্রফি, ব্যক্তিগত জিনিস। মানুষ এসে তাঁদের ভালবাসা জানিয়ে যাক সেখানেই।' চিঠিতে নিজের শেষ ইচ্ছা জানানোর পর তাতে সইও করে গিয়েছেন ফুটবলরে রাজপুত্র।

এমনিতে সম্পত্তির নিয়ে বিবাদের জেরে মারাদোনার দেহ কবর থেকে তুলে আমার কথা জানিয়েছিল আর্জেন্টিনার আদালত। মারাদোনার সন্তানদের চিহ্নিত করতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল আদালত। যাতে ডিএনএ সংগ্রহ করা যায়। তারই মধ্যে মারাদোনার এই চিঠি  ও দেহ সংরক্ষণের ইচ্ছে প্রকাশ আদালতের রায়কে প্রশ্নের মধ্যে ফেলল না। ফলে খুব শীঘ্রই হয়তো লেনিনের মত সংরক্ষিত করা হয়ে ১৯৮৬- বিশ্বকপা জয়ের নায়ক, 'হ্যান্ড অফ গড' দিয়াগো মারাদোনার দেহ।