করোনার জেরে ব্যাপক ক্ষতির সম্মখীন ফুটবল বিশ্ব। পরিস্থিতি সামাল দিতে আগেই আসরে নেমেছিল ফিফা।  বিভিন্ন দেশের ফুটবল সংস্থা যাতে আর্থিকভাবে বিপুল ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, প্রতিটি সদস্য দেশকে আর্থিকভাবে সহায়তার কথাও ভাবা হচ্ছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ামক সংস্থার পক্ষ থেকে। তবে তার পরও দুঃশ্চিন্তা কাটছিল না ইউরোপের ক্লাব ও দেশগুলির। কারণ কোভিড ১৯-এর কারণে বন্ধ ইপিএল, লা লিগা, সিরি আ, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, ইউরোপা লিগের মতো ইউরোপের প্রথম সারির যাবতীয় ফুটবল লিগ। ইউরোপের বর্তমান যা পরিস্থিতি তাতে লিগগুলি আদৌ কবে শুরু করা যাবে তা নিয়ে সন্দিহান সকলে। এবার প্রত্যেকটি লিগের বর্তমান মরসুম শেষ করা নিশ্চিত করতে ফের আসরে নামল ফিফা।

আরও পড়ুনঃমেসির ব্যক্তিগত জীবনের কিছু মূহুর্ত, যা বরাবর ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়

আরও পড়ুনঃআইপিএলের জন্য ভারতীয় ক্রিকেচারদের স্লেজিং করতে ভয় পান অজি ক্রিকেটাররা, বিস্ফোরক দাবি ক্লার্কের

করোনার জেরে মাঝপথে লিগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে ক্লাবগুলি। অনেকগুলি ম্যাচ না হওয়ায় আর্থিকভাবে বিপুল ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে তাঁদের। কথা হচ্ছে খেলোয়াড়দের বেতন কাটা নিয়েও। তাছাড়া লিগ যদি শেষ না হয়, তাহলে লিভারপুলের মতো ক্লাব যারা কিনা দীর্ঘদিন বাদে জাতীয় লিগ জয়ের আশায় বুক বেঁধেছে, তাঁরাও চূড়ান্ত হতাশ হবে। এই পরিস্থিতিতে ব্রিটিশ প্রচারমাধ্যমের খবর অনুযায়ী খুব শীঘ্রই ফিফা  প্রতিটা ইউরোপিয়ান ফুটবল সংস্থাকে অনুমতি দিতে চলেছে যে, পরিস্থিতি অনুযায়ী তারা মরশুম এগোতে বা পেছোতে পারে। কোনও ক্লাব বা সংস্থার উপরে মরসুম শেষ করার কোনও নির্দিষ্ট সময় চাপিয়ে দেওয়া হবে না। এই খবরের পর কিছুটা হলেও চাপ কমেছে ক্লাবগুলির উপর থেকে। এই নিয়ম লাগু হলে মরসুম শেষ করতেও কোনও সমস্যা হবে না আয়োজকদের। সঙ্গে আবার ফিফা দলবদলের সময়েও বাড়িয়ে দেবে। যার ফলে ৩০ জুনের পরেও ফ্রি এজেন্ট হতে চলা ফুটবলারদেরও নতুন চুক্তি দিতে পারবে ক্লাবগুলো। সরকারিভাবে এখনও কোনও ঘোষণা না হলেও, সূ্ত্রের খবর ক্লাবগলির কথা ভেবে এই পথে হাঁটতে চলেছে ফিফা। এর আগেও ক্লাবগুলিকে টাকার বিষয় নিয়ে ভাবতে মানা করা হয়ছিল ফিফার তরফে। এবার যদি সত্যিই লিগ শেষের সময়সীমা বাড়িয়ে দেয় বিশ্ব ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা তাহলে হাঁফ ছেড়ে বাঁচবে প্রতিটি ক্লাব। ফিফার এই ভাবনা শুধু ক্লাব কর্তৃপক্ষ ও সদস্য দেশগুলিই নয় স্বাগত জানিয়েছে বিশ্ব জুড়ে ফুটবল প্রেমীরা।

আরও পড়ুনঃছোট ছোট গ্রূপে অনুশীলন শুরুর সিদ্ধান্ত বায়ার্নের