বিশ্ব জুড়ে নিজের মারণ থাবা ক্রমেই বিস্তার করে চলেছে করোনা প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা ভাইরাসের প্রকোপ থেকে বাঁচতে নানা জিনিস ব্যবহার করছেন সকলে ফুটবল তারকা লিওনেল মেসি ব্যবহার করছেন করোনা প্রতিরোধক তোশক  

করোনা ভাইরাস আবহের মধ্যেই বিশ্ব জুড়ে কড়া স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুরু হয়েছে ফুটবল। মাঠে ফিরেছেন মেসি , রোনাল্ডোরা। কিন্তু এখনও কোনওভাবেই বাগে আনা যাচ্ছে না বিশ্ব মহামারী ভাইরাসকে। হ্যান্ড স্যানিটাইজার, মাস্ক, হেড ক্যাপ, গ্লাভস, ফেস শিল্ড ব্যবহার করেও পুরোপুরি রোখা যাচ্ছে মারণ ভাইরাসকে। করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন কবে বেরোবে তা নিয়ে এখনও নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। তাই সাধারণ মানুষ তো বটেই, তারকারা যতটা সম্ভব সাবধানতা অবলম্বন করে চলছে। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুনঃচ্যাম্পিয়ন্স লিগে খারাপ পারফরমেন্সের জের, কোচের পদ থেকে সারি-কে ছাঁটাই জুভের

করোনা থেকে বাঁচতে বাড়িতে বাড়তি করোনা প্রতিরোধক তোশক ব্যবহার করছেন লিও মেসির মতো তারকারা। কী অবাক হলেন। হ্যা, করোনা প্রতিরোধক তোশক। এই তোশক চার ঘণ্টার মধ্যে করোনার জীবাণু মারতে সক্ষম বলে দাবি করেছে প্রস্তুতকারক সংস্থা। মেসি অবশ্য সেই তোশক কেনেননি। যে সংস্থা এই তোশক তৈরি করেছে তাঁরাই বার্সলোনার তারকাকে এটি উপহার দিয়েছে। ‘টেক মুন’ নামের সেই তোশকের উপর এখন মেসি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা ঘুমোচ্ছেন। মেসি, সল নিগেজ ও সার্জিও আগুয়েরো, তিনজনকেই এই তোশক উপহার দিয়েছে প্রস্তুতকারক সংস্থা। মেসির এই তোশক নিয়েই এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় জোর আলোচনা চলছে।

আরও পড়ুনঃযুবরাজের ভয়ঙ্কর সর্বনাশ করেছিলেন শোয়েব আখতার,জানালেন স্বয়ং রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস

আরও পড়ুনঃদুর্দান্ত শুরু করেও আন্তর্জাতির ক্রিকেট থেকে হারিয়ে গেলেন যে ক্রিকেটাররা

এই তোশক ৯৯.৮৪ শতাংশ করোনার জীবাণু ধংস করতে সক্ষম বলে দাবি করা হয়েছে। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মুন্দো দেপোর্তিভো জানিয়েছে, এই তোশকের সুতোয় অতি সুক্ষ কণা। সেই কণা ভাইরাস মারতে সক্ষম। করোনা আক্রান্ত কেউ এই তোশকে ঘুমোলে তাঁর শরীরে থাকা করোনার জীবাণু মেরে ফেলতে পারবে এই তোশক। করোনার থেকেও পাঁচ গুণ ছোট জীবানুনাশক কণা ব্যবহার করে এই তোশক তৈরি করা হয়েছে। এই প্রতিরোধ ব্যবস্থার নাম দেওয়া হয়েছে ‘ভাইরাক্লিন’। এই খবর সামনে আসার পরই বাজারে এই তোশক নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। কেনার জন্য খোঁজ শুরু করেছেন। বিশ্বমহামারীর হাত থেকে বাঁচার জন্য ভ্যাকসিন আসার আগে তোশককেই ঢাল বানাতে চাইছেন অনেকেই।