চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শেষ ম্যাচে অবিশ্বাস্য গোল করে বার্সেলোনাকে কোয়ার্টার ফাইনালে তুলেছেন লিও মেসি। শুধুর দলের হয়ে হয়ে নয়, প্রয়োজনে তার দেশের পাশে দাঁড়াতেও যে ভোলেন না লিও ফের তার প্রমাণ পাওয়া গেল। আধুনিক ফুটবলের যাদুকরের মানবিক রূপ দেখল ফুটবল গোটা বিশ্ব। করোনা ভাইরাসের দাপটে পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো খারাপ অবস্থা আর্জেন্তিনারও। পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য ৫০টি ভেন্টিলেটর দিলেন মেসি। যার মধ্যে ৩২টি ভেন্টিলেটর দেওয়া হয়েছে রোজারিও হাসপাতালে। 

আরও পড়ুনঃআইপিএলে নতুন 'এইট প্যাক' লুকে নবদীপ সাইনি, মরু দেশে ঝড় তুলতে প্রস্তুত ভারতীয় স্পিড স্টার

এই প্রথম নয়, এর আগেও লিও মেসি ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে অর্থ সাহায্য করেছেন মেসি। অর্থ সাহায্যে সময়ই রোসারিও হাসপাতালের চিকিৎসকেরা জানিয়েছিলেন, ভেন্টিলেটরের সমস্যা দেখা গিয়েছে। কারণ প্রতিদিনই আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে৷ বিশেষ করে শিশুদের চিকিৎসার জন্য ভেন্টিলেটর বেশি প্রয়োজন। তাই নিজের উদ্যোগে মেসি এই ভেন্টিলেটর পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। করোনা আক্রান্তদের পাশে দাঁড়াতে গত সপ্তাহে মেসির অ্যাকাডেমির মাধ্যমে অর্থ পাঠিয়েছিলেন মেসি। এর আগেও অর্থাৎ মে মাসেও তাঁর ফাউন্ডেশনের তরফে অর্থসাহায্য করা হয়েছিল। ব্যক্তিগতভাবে করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য ১০ লাখ ইউরোর বেশি কাতালোনিয়া ও আর্জেন্তিনায় অনুদান দিয়েছেন মেসি।

আরও পড়ুনঃসদ্যজাতকে কোলে নিয়ে জিভা, তাহলে কি ধোনি-সাক্ষীর পরিবারে নতুন অতিথি, জল্পনা নেট দুনিয়ায়

আরও পড়ুনঃজন্টি রোডসকে চ্যালেঞ্জ জানানোর মত ফিল্ডার, খুঁজে বার করলেন সচিন তেন্ডুলকর, দেখুন ভাইরাল ভিডিও

ফাইন্ডেশনের পক্ষ থেকে এক বার্তায় লিওনেল মেসি জানিয়েছেন,'করোনায় বাকি বিশ্বের মতো আমার দেশও বিপর্যস্ত।  সাধারণ মানুষরা এই ভাইরাসের হাত থেকে নিজেদের বাঁচাতে মরিয়া হয়ে পড়েছেন। এই অবস্থায় আমি মুখ ফিরিয়ে থাকতে পারি না। যে কোনও ধরনের সাহায্যের প্রয়োজন হলে আমাকে জানাতে অস্বস্তিবোধ করবেন না।' এছাড়া শিশুদের বিষয়ে মেসি বলেছেন,'শিশুদের এই ভাইরাসের হাত থেকে আমাদের বাঁচাতেই হবে। এর জন্য যে কোনও ধরনের সহায়তা প্রয়োজন হলে, তা করতে আমি প্রস্তুত।' মেসির এই মানবিক রূপের পর ধন্যবাদ জানানো হয়েছে রোজারিও হাসপাতালের পক্ষ থেকে। এছাড়া বিশ্ব জুড়ে কোটি কোটি মেসির ভক্ত-অনুগামীরাও তাদের প্রিয় তারকার এই উদ্যোগকে কুর্নিশ জানিয়েছে।