ফিনান্সিয়াল রেগুলেশন ভঙ্গ করেছে ম্যানচেস্টার সিটি ফুটবল ক্লাব। ফুটবল বিশেষজ্ঞরা যা আশঙ্কা করছিল অবশেষে তাই সত্যি হল। অনেক দিন ধরেই হওয়ায় ভাসছিল কথা, যে ফুটবলার সই করানোর সময় কিছু প্রচলিত ফিনান্সিয়াল রেগুলেশন ভঙ্গ করছে সিটি। তার জেরেই এবার ২ মরশুমের জন্য ইউরোপীয়ান প্রতিযোগিতা গুলি থেকে নির্বাসিত করা হল বর্তমান প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়নদের। সঙ্গে ৩০ মিলিয়ন ইউরো জরিমানাও ধার্য করা হয়েছে তাদের জন্য। 

উয়েফার সংগঠিত শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির তরফ থেকে শুক্রবার এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একবার নয়, একাধিকবার ম্যানচেস্টার সিটি-কে ক্লাব লাইসেন্সিং-এর সময় নিয়ম ভঙ্গ করতে দেখা গিয়েছে। খরচের সীমাবদ্ধতা সংক্রান্ত উয়েফার যে আইন আছে, যা ধনী এবং তুলনামূলক ছোট ক্লাবগুলির মধ্যে একটি সাম্য বজায় রাখে, সেই নিয়ম বার বার ভেঙেছে ম্যান সিটি ক্লাব ম্যানেজমেন্ট। এ ছাড়াও উয়েফাকে এই ব্যাপারে তদন্তে অসহযোগিতারও অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। 

এই সাজা সিটির প্রাপ্য ছিল বলেই মনে করছে উয়েফা। ফিনান্সিয়াল ফেয়ার প্লে রেগুলেশন তৈরি হওয়ার পর থেকে এই জাতীয় অপরাধে এই প্রকার সাজাই প্রদান করে আসছে উয়েফা। কিন্তু এই সিদ্ধান্তর ফলে সমস্যায় পড়বে ক্লাবের খেলোয়াড়, কোচ ও অন্যান্য কর্মীরা। ক্লাব যে সকল খেলোয়াড়দের সই করবে বলে প্রস্তাব দিচ্ছিল এবং যারা বর্তমানে রয়েছে তারা বকেয়া সমস্যার সম্মুখীন হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। 

 এই মরশুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নামতে বাঁধা নেই ম্যান সিটির। সামনে প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে তারা নামতে চলেছে রিয়াল মাদ্রিদের বিরুদ্ধে। কিন্তু পরের দুই মরশুম অর্থাৎ ২০২০-২১ এবং ২০২১-২২ এ চ্যাম্পিয়ন্স লিগে মাঠে নামতে পারবেনা সিটি। এই শাস্তির বিরুদ্ধে অবশ্য অ্যাপিল করা যাবে এবং ম্যানচেস্টার সিটি কর্মকর্তারা সেই অ্যাপিল করতেও চলেছেন। এখন দেখার সেই আবেদনে কোনও ফল হয় নাকি পরের দুই মরশুমে ইউরোপীয় কম্পিটিশন গুলি থেকে ব্রাত্যই থেকে যায় সিটি