মাত্র ৭ মিনিটে পরপর তিনটি গোল। হ্যাটট্রিকের তিনটি গোলই আবার হেডে। দুটি কর্ণার থেকে ও একটি ফ্রি কিকি থেকে। বেলজিয়ান তারকা মারুয়ান ফেলাইনির ছোট্ট একটা ঝড়েই চিনা সুপার লিগে দালিয়ান প্রো’কে ৩-২ গোলে হারাল শানডং লুনেং। আরও আশ্চর্যের বিষয় হল করোনা যুদ্ধে জয়ী হয়ে মাঠে ফিরেই হ্যাটট্রিক করেলন ফেলাইনি। সাত মিনিটের ব্যবধানে হ্যাটট্রিক করে নয়া নজিরও গড়লেন বেলজিয়ান তারকা। ফেলাইনির এই কৃতিত্ব মুগ্ধ করেছে গোটা ফুটবল বিশ্বকে।

আরও পড়ুনঃদেশের অধিনায়ক ছিলেন, বর্তমানে অভাবের তাড়নায় একটি চাকরির জন্য ঘুরছেন দরজায় দরজায়

সালোমোন রন্ডনের গোলে রবিবার ম্যাচে প্রথমার্ধে এগিয়ে গিয়েছিল রাফা বেনিতেজ প্রশিক্ষণাধীন দালিয়ান প্রো। কিন্তু ৭৯ মিনিট, ৮৩ মিনিট এবং ৮৬ মিনিটে তিনটি সেটপিস থেকেই ফেলাইনির সুযোগ-সন্ধানী হেড জড়িয়ে গেল বিপক্ষের জালে। মাত্র সাত মিনিটের ব্যবধানে তিনটি ডানপ্রান্তিক সেটপিস থেকে নিশানায় অব্যর্থ থাকলেন ম্যান ইউ প্রাক্তনী। যার মধ্যে দু’টি এসেছে কর্নার এবং একটি গোল এসেছে ফ্রি-কিক থেকে। স্বাভাবিকভাবেই করোনা জয়ী ফেলাইনির এদিনের কীর্তিতে কমবেশি হতবাক তাঁর সতীর্থ থেকে বিপক্ষ দলের ফুটবলাররা। হ্যাটট্রিকের পর গ্যালারিতে উঠে দাঁড়িয়ে বেলজিয়ান ফুটবলারটিকে অভিবাদন জানান তাঁর সতীর্থরা। ম্যাচ জিতিয়ে রবিবার ফেলাইনি জানান, ‘গোল করা সবসময়ই একটা দারুণ অনুভূতি। ম্যাচ জিতে কার না ভালোলাগে। খেলাটা কঠিন ছিল তবে দুর্দান্ত লড়াই হয়েছে।’ 

আরও পড়ুনঃবিসিসিআই প্রেসিডেন্ট পদে মেয়াদ শেষ সৌরভের, এবার সুপ্রিম কোর্ট ঠিক করবে 'মহারাজের' ভাগ্য

আরও পড়ুনঃঅভিনব সিদ্ধান্ত আইসিসির, শুরু হচ্ছে ক্রিকেট বিশ্বকাপ সুপার লিগ

ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ম্যান ইউ থেকে ৭.২ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে চিনের ক্লাবটিতে যোগ দিয়েছিলেন ফেলাইনি। সেই থেকে চিনা সুপার লিগের একজন নিয়মিত সদস্য বেলজিয়ামের জাতীয় দলের এই ফুটবলার। চিনে গিয়ে এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে চিনা সুপার লিগের একমাত্র ফুটবলার হিসেবে কোভিড১৯ আক্রান্ত হয়েছিলেন ফেলাইনি। তিন সপ্তাহ চিনেরই স্থানীয় এক হাসপাতালে ভর্তি থেকে সুস্থ হয়ে ঘরে ফেরেন বছর বত্রিশের এই ফুটবলার। তারপর থেকে অপেক্ষা করছিলেন ফুটবলে ফেরার। কিন্তু এমন রাজকীয়ভাবে,রেকর্ড গড়ে মাঠে ফিরবেন তিনি তা হয়তো ফেলাইনি নিজেও অনুমান করতে পারেনি। ফেলাইনির এই কৃতিত্বের জন্য তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তার প্রাক্তন ক্লাব ম্যান ইউর সতীর্থ থেকে বেলজিয়ান দলের সতীর্থরাও।