আরও সঙ্কটে পিকে বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার রাত থেকে চিকিৎসায় তিনি সাড়া দিচ্ছে না। তাঁর চিকিৎসায় তৈরি মেডিক্যাল টিম সমানে নজর রেখে চলেছে। চিকিৎসায় যাতে তিনি সাড়া দেন তার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছেন চিকিৎসক ও নার্সরা। ৮৩ বছরের ভোকাল টনিক কোচ নিউমোনিয়া-র সমস্যায় ভুগছেন। এছাড়াও তাঁর মধ্যে পার্কিনসন, ডিমেনসিয়া এবং হৃদযন্ত্রের সমস্যা রয়েছে। 

৭ মার্চ পিকে বন্দ্যোপাধ্যায়-কে ই এম বাইপাসে মুকুন্দপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সে সময় তাঁর শারীরিক অবস্থা যথেষ্টই খারাপ ছিল। শ্বাসকষ্ঠ হওয়ায় তাঁকে তৎক্ষণাৎ ভেন্টিলেটরে দেওয়া হয়। এরপর থেকেই কিংবদন্তি কোচকে কিছু সময়ের জন্য ভেন্টিলেশনের বাইরে আনা হলেও পরে ফের তাঁকে ভেন্টিলেশনে দেওয়া হয়। তৈরি করা হয় মেডিক্যাল বোর্ড। চিকিৎসায় সাড়া দিলেও পিকে অবস্থা কখনই সঙ্কটমুক্ত বলে ঘোষণা করেননি চিকিৎসকরা। মেডিক্যাল বোর্ড সমানে তাঁর শারীরিক অবস্থার উপরে নজর রেখে গিয়েছে। পিকে বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিউমিনিয়ার সঙ্গে সঙ্গে অন্যান্য কিছু জটিল রোগের উপসর্গ ছিল। এর জন্য তিনি নিয়মিত ওষুধও খেতেন। 

৭মার্চ থেকে পিকে বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবারের লোক সমানে চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন। চিকিৎসার পদ্ধতিতে তাঁরা যে খুশি তাও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানায় পিকে-র পরিবার। মাঝখানে বেশ দ্রুত উন্নতি করছিলেন পিকে। কিন্তু, দিন দুই থেকে শ্বাসকষ্ট বাড়তে থাকে। চিকিৎসায় সাড়া দেওয়াটাও ছিল মন্থর। সোমবার রাত থেকে আচমকাই চিকিৎসায় এক্কেবারে সাড়া দেওয়া বন্ধ করে দেন পিকে। এরপর থেকেই চিকিৎসক ও নার্সরা সমানে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন পিকে-কে স্বাভাবিক অবস্থায় আনতে। কিন্তু, শেষ পাওয়া খবরেও এখনও স্বাভাবিক শারীরিক অবস্থায় নেই পিকে। এদিকে, কিংবদন্তি কোচের শারীরিক অবস্থা-র কথা শুনে রাতেই হাসপাতালে চলে আসেন রাজ্যের ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ মন্ত্রী।