চ্য়াম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে প্রথমবার ফাইনালে উঠেছিল ফরাসী ক্লাব পিএসজি। শুধু পিএসজি সমর্থকরাই নয়, নেইমার, এমব্যাপেরাও চেয়েছিল ক্লাবের ইতিহাসে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতে ইতিহাসের পাতায় নাম লেখাতে। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আশায় বুক বেঁধেছিল ফরাসী সমর্থকরাও। কিন্তু ম্যাচের ৫৯ মিনিটে বায়ার্নের কিংসলে কোম্যানের গোল ফরাসী ক্লাবের সব স্বপ্ন শেষ করে দেয়। ১-০ গোলেই ম্যাচ জিতে ষষ্ঠবারের জন্য ইউরোপ সেরার শিরোপা পেল জার্মান জায়েন্ট বায়ার্ন মিউনিখ। 

আরও পড়ুনঃষষ্ঠবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয় বায়ার্ন মিউনিখের, লড়াই করে হার পিএসজির

তীরে এসে তরী ডোবায় হতাস নেইমার, এমব্যাপে, দি মারিয়ারা। ফাইনালে একাধিক সুযোগ তৈরি করেও গোলল করতে ব্যর্থ হওয়ায় ম্যাচ হারের দায় অনেকটাই গিয়ে পড়েছে পিএসজির তারকা প্লেয়ারদের উপর।  চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় দৃশ্যতই হতাশ প্যারিসের ফুটবলপ্রেমীরা। তাঁদের সেই হতাশার বহিঃপ্রকাশ হল হিংসার মাধ্যমে। বায়ার্নের কাছে হারের পর শান্ত প্যারিসকে রীতিমতো অশান্ত করে ফেললেন পিএসজি সমর্থকরা। ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, মারধর এসবই হল। এমনকী করোনার আতঙ্কও রাশ টানতে পারল না সমর্থকদের আবেগে। শেষপর্যন্ত পুলিশকে লাঠিচার্জ করতে হল, এমনকী ছুঁড়তে হল কাঁদানে গ্যাসও। আটক পর্যন্ত করা হয় বেশ কয়েক জন সমর্থককে। আসলে এর আগে মাত্র একবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছিল ফরাসী কোনও ক্লাব। সমর্থকরা ভেবেছিল পিএসজি দ্বিতীয় দল হিসেবে সেই ইতিহাস গড়বে। কিন্তু তা না হওয়ায় হতাশা ও ক্ষোভে ফেটে পড়েন তারা। 

আরও পড়ুনঃঅন্ধকার গলি থেকে স্বপ্নের রাজপথ, ১২ বছরে আইপিএল জন্ম দিয়েছে একাধিক ক্রিকেট তারকার, চিনে নিন তাদের

আরও পড়ুনঃমহারাষ্ট্রে ধোনি ও রোহিত সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ, আহত বেশ কয়েকজন, পরিস্থিতি সামাল দিতে ময়দানে

পুলিসের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের রীতিমত সংঘর্ষ বেধে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য বাধ্য হয়ে লাঠি চার্জ করে পুলিস। পালটে হামলা চালায় বিক্ষোভকারীরাও। পুলিসের লাঠি চারিজে আহতও হয়েছে বেশ কয়েক জন। পিএসজির স্টেডিয়ামের বাইরেও চলে বিক্ষোভ, ভাঙচুর। দলের তারকা প্লেয়ার নেইমার, এমব্যাপে, দি মারিয়াদের সাদামাটা পারফরমেন্সেও ক্ষুব্ধ পিএসজি সমর্থকরা। দীর্ঘক্ষণ চলে বিক্ষোভ। অবশেষে পুলিসি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে প্রিয় দলের হারের জন্য এমন হিংসা কাম্য নয় বলেই জানানো হয়েছে পিএসজির তরফে।