আজও কি বিক্রমকেই দায়ী করা হয় সনিকার মৃত্যুর জন্য, ফিরে দেখা সেই মর্মান্তিক রাত

First Published 15, Apr 2020, 9:08 PM

সাল ২০১৭, ২৯ এপ্রিল। দেখতে দেখতে কেটে গেল তিন বছর। এখনও এই দিনটির কথা ভাবলে কারও কারও মনে পড়ে সনিকা চৌহানের নাম। সনিকা, সেই টেলিভিশন হোস্ট এবং মডেল যাঁর এ দিন রাসবিহারী এভেনিউয়ের লেক মলের সামনে মৃত্যু হয়। অভিনেতা বিক্রম চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে গাড়িতে ছিলেন সনিকা। বিক্রম নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়ি গিয়ে ধাক্কা খায় ডিভাইডারে, সেখানে ছিটকে বাঁ দিকের ফুটপাতে উঠে যায় গাড়িটি। মাঝরাতের এই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান সনিকা। মাথায় চোঁট পেয়ে হাসপাতাল, পুলিশ এবং আদালতের চক্কর কাটেন বিক্রম।
আজও কি তাঁকে সনিকার মৃত্যুর জন্য দায়ী করে অসংখ্য মানুষ। ফিরে দেখা সেই রাতে ঠিক কী ঘটেছিল তা আজও স্পষ্ট নয়। 

আজও কি তাঁকে সনিকার মৃত্যুর জন্য দায়ী করে অসংখ্য মানুষ। ফিরে দেখা সেই রাতে ঠিক কী ঘটেছিল তা আজও স্পষ্ট নয়। 

মাঝরাতে সেই দুর্ঘটনার পর কাছের কোনও হাসপাতালে না নিয়ে দূরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় সনিকা এবং বিক্রমকে।

মাঝরাতে সেই দুর্ঘটনার পর কাছের কোনও হাসপাতালে না নিয়ে দূরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় সনিকা এবং বিক্রমকে।

ভোর ৪:৩০ নাগাদ মৃত্যু হয় সনিকার। ২৯ এপ্রিলের রাতে তিনটি ক্লাব ফিনিক্স, মিক্স এবং আন্ডারগ্রাউন্ডে পার্টি করেছিলেন সনিকা এবং বিক্রম। 

ভোর ৪:৩০ নাগাদ মৃত্যু হয় সনিকার। ২৯ এপ্রিলের রাতে তিনটি ক্লাব ফিনিক্স, মিক্স এবং আন্ডারগ্রাউন্ডে পার্টি করেছিলেন সনিকা এবং বিক্রম। 

<br />
পার্টিতে তাঁকে গ্লাস হাতে দেখা গেলেও পরে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী জানা যায়, মদ্যপান করেননি বিক্রম।&nbsp;<br />
&nbsp;


পার্টিতে তাঁকে গ্লাস হাতে দেখা গেলেও পরে পুলিশের তথ্য অনুযায়ী জানা যায়, মদ্যপান করেননি বিক্রম। 
 

সনিকার ঘনিষ্ঠ মহল বিক্রমকে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর জন্য দায়ীও করে। যদিও সাংবাদিক বৈঠকে বিক্রম পরিষ্কার জানিয়ে দেন, তিনি মদ্যপ ছিলেন না এবং গাড়ি জোরে চালাচ্ছিলেন না।

সনিকার ঘনিষ্ঠ মহল বিক্রমকে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর জন্য দায়ীও করে। যদিও সাংবাদিক বৈঠকে বিক্রম পরিষ্কার জানিয়ে দেন, তিনি মদ্যপ ছিলেন না এবং গাড়ি জোরে চালাচ্ছিলেন না।

বিভিন্ন তথ্য নিয়ে কাটাছেড়া করতে গিয়ে জানা যায়, সনিকার সঙ্গে বিক্রমের নাকি সম্পর্কও ছিল। এদিকে সাহেবের সঙ্গে সেই সময় রিলেশনশিপে ছিলেন সনিকা। যা নিয়ে রীতিমত পাব্লিকালি স্বীকারও করেছিলেন তাঁরা।

বিভিন্ন তথ্য নিয়ে কাটাছেড়া করতে গিয়ে জানা যায়, সনিকার সঙ্গে বিক্রমের নাকি সম্পর্কও ছিল। এদিকে সাহেবের সঙ্গে সেই সময় রিলেশনশিপে ছিলেন সনিকা। যা নিয়ে রীতিমত পাব্লিকালি স্বীকারও করেছিলেন তাঁরা।

তাহলে কি সাহেবকে এড়িয়েই তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। সব কিছু নিয়ে থেকে গিয়েছে রহস্য। সেদিন রাতে ওভারস্পিডিং করছিলেন নাকি গাড়িতে সনিকার সঙ্গে বিক্রমের হাতাহাতি হয়েছিল সেসব নিয়ে নানা মতবিরোধ তৈরি হয়।

তাহলে কি সাহেবকে এড়িয়েই তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। সব কিছু নিয়ে থেকে গিয়েছে রহস্য। সেদিন রাতে ওভারস্পিডিং করছিলেন নাকি গাড়িতে সনিকার সঙ্গে বিক্রমের হাতাহাতি হয়েছিল সেসব নিয়ে নানা মতবিরোধ তৈরি হয়।

সনিকার ঘনিষ্ঠ মহল বিক্রমের বিরুদ্ধে মন্তব্য করে বলেছিলেন, বিক্রমের অন্তত ভদ্রতার খাতিরে সনিকার পরিবারের কাছে গিয়ে ক্ষমা চাওয়া উচিত ছিল।&nbsp;

সনিকার ঘনিষ্ঠ মহল বিক্রমের বিরুদ্ধে মন্তব্য করে বলেছিলেন, বিক্রমের অন্তত ভদ্রতার খাতিরে সনিকার পরিবারের কাছে গিয়ে ক্ষমা চাওয়া উচিত ছিল। 

অন্যদিকে বিক্রমের হয়ে তাঁর বন্ধু-বান্ধবরা বলেছিলেন, সকলে যদি মেনেই নেয় যে বিক্রম মদ্যপ ছিল, তাহলে সনিকা কেন তা জানার সত্ত্বেও বিক্রমের গাড়িতে ওঠে।

অন্যদিকে বিক্রমের হয়ে তাঁর বন্ধু-বান্ধবরা বলেছিলেন, সকলে যদি মেনেই নেয় যে বিক্রম মদ্যপ ছিল, তাহলে সনিকা কেন তা জানার সত্ত্বেও বিক্রমের গাড়িতে ওঠে।

সে সময় মডেলিংয়ের ইন্ডাস্ট্রি এবং টলিউডের অভিনেতা-অভিনেত্রীরা দু-ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। জাস্টিস ফর সনিকা এবং ভয়েস ফর বিক্রমে ছেয়ে গিয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়া।&nbsp;

সে সময় মডেলিংয়ের ইন্ডাস্ট্রি এবং টলিউডের অভিনেতা-অভিনেত্রীরা দু-ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। জাস্টিস ফর সনিকা এবং ভয়েস ফর বিক্রমে ছেয়ে গিয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়া। 

loader