ফিল্মি কেরিয়ারের সাফল্যে নিন্দুকদের দিয়েছিলেন কড়া জবাব, জন্মদিনে ফিরে দেখা শুভশ্রীকে

First Published 3, Nov 2019, 12:22 PM IST

জীবনের ২৯ টা বসন্ত পেরিয়ে আজ ৩০-শে পা দিলেন শুভশ্রী গাঙ্গুলির।পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয় করে অভিষেক হয়েছিল টলি ইন্ডাস্ট্রিতে। সালটা ২০০৯। রাজ চক্রবর্তীর হাত ধরেই 'চ্যালেঞ্জ' ছবিতে অভিনয় করে প্রথম লাইমলাইটে আসেন। তার জীবনটা অনেকটা রোলার কোস্টারের মতো। সম্পর্ক, প্রেম, বিচ্ছেদ তার জীবনকে দুর্বিসহ করে তুলেছিল। নিন্দুকেদর যোগ্য জবাব দিয়ে, সবাইকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে সব বাধা পেরিয়ে পরিচালক রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি।  তারপর থেকে সময়টা বেশ ভালই কাটছে অভিনেত্রীর। রাজ-শুভশ্রী এখন টলিউডের রাজশ্রী। পুজোর ছুটি হোক কিংবা ছবির প্রমোশন সবেতেই প্রথম এই কাপলস জুটি। তাদের মিষ্টি প্রেমের কেমিষ্ট্রি নিয়ে সর্বদাই সরগরম টলিমহল। দীপাবলিতেও পুজোর আনন্দের পাশাপাশি ভাসান ডান্স থেকে শুরু করে নিজেদের কোয়ালিটি টাইমও বার করে নিয়েছিলেন তারা। উষ্ণ আদরে মেতেছিলেন দু'জনে। দেখে নেওয়া যাক সেই আবেগঘন মুহূর্তের ছবিগুলি।

দীপাবলি মানেই আলাের সাজ। আর এই আলোর সাজে মেতে উঠেছিলেন টলিকন্যা শুভশ্রী। কেরিয়ারের শুরুতে অনেক আপস অ্যান্ড ডাউনের মধ্যে সময় কেটেছ অভিনেত্রীর। কারোর উপর নির্ভর করে নয়, সম্পূর্ণ নিজের প্রচেষ্টায় তিনি আজ টলিউডের শুভশ্রী।

দীপাবলি মানেই আলাের সাজ। আর এই আলোর সাজে মেতে উঠেছিলেন টলিকন্যা শুভশ্রী। কেরিয়ারের শুরুতে অনেক আপস অ্যান্ড ডাউনের মধ্যে সময় কেটেছ অভিনেত্রীর। কারোর উপর নির্ভর করে নয়, সম্পূর্ণ নিজের প্রচেষ্টায় তিনি আজ টলিউডের শুভশ্রী।

পুজোর পাশাপাশি স্বামী রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে ছবিতে পোজ দিতে দেখা যাকে অভিনেত্রীকে। রাজ চক্রবর্তী পরণে ছিল কালো কুর্তা, আর শুভশ্রী সেজেছিলেন হলুদ শাড়িতে।  নিজের বস হিসেবে নিজেকে নয় ,বরং ঈশ্বরকেই নিজের বস ভাবেন তিনি। কারণ তার ধারণা, আজ যা কিছু হয়েছে তার এসবের পিছনেই রয়েছে তার পরমেশ্বর।

পুজোর পাশাপাশি স্বামী রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে ছবিতে পোজ দিতে দেখা যাকে অভিনেত্রীকে। রাজ চক্রবর্তী পরণে ছিল কালো কুর্তা, আর শুভশ্রী সেজেছিলেন হলুদ শাড়িতে। নিজের বস হিসেবে নিজেকে নয় ,বরং ঈশ্বরকেই নিজের বস ভাবেন তিনি। কারণ তার ধারণা, আজ যা কিছু হয়েছে তার এসবের পিছনেই রয়েছে তার পরমেশ্বর।

নিজের হাতে ফুল দিয়ে রঙ্গোলি সাজিয়ে তার মাধখানে প্রদীপ বসিয়ে  ছবি তুলেছেন তিনি। ঈশ্বরে  বিশ্বাসী  শুভশ্রীর  খারাপ সময়টাতে তার বসকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন, কারণ সেই প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে তার আবদান সবচেয়ে বেশি।

নিজের হাতে ফুল দিয়ে রঙ্গোলি সাজিয়ে তার মাধখানে প্রদীপ বসিয়ে ছবি তুলেছেন তিনি। ঈশ্বরে বিশ্বাসী শুভশ্রীর খারাপ সময়টাতে তার বসকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন, কারণ সেই প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে তার আবদান সবচেয়ে বেশি।

রাজের সঙ্গে ব্রেক আপের পরও অনেক কথা শুনতে হয়েছিল তাকে। কিন্তু কেন , কীসের জন্য সেটা হয়েছিল তা নিয়ে একবারও নিজেকে প্রশ্ন করেননি  শুভশ্রী। তার মতে, জীবনের অনেকগুলি ভাল জিনিস রয়েছে। রাজ একজন সুন্দর মানুষ এবং তাদের সম্পর্ক ইতিবাচক দিক থেকে শুরু হয়েছিল এবং ভাল পথে শেষ হয়েছে, তাই  নেতিবাচকতার দিকে না তাকিয়ে বরং সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়াই ভাল। রাজের সাথে যে ভাল সময় কেটেছে  সেই স্মৃতিগুলি যেন  অমলিন থাকে এটাই তিনি চেয়েছেন।

রাজের সঙ্গে ব্রেক আপের পরও অনেক কথা শুনতে হয়েছিল তাকে। কিন্তু কেন , কীসের জন্য সেটা হয়েছিল তা নিয়ে একবারও নিজেকে প্রশ্ন করেননি শুভশ্রী। তার মতে, জীবনের অনেকগুলি ভাল জিনিস রয়েছে। রাজ একজন সুন্দর মানুষ এবং তাদের সম্পর্ক ইতিবাচক দিক থেকে শুরু হয়েছিল এবং ভাল পথে শেষ হয়েছে, তাই নেতিবাচকতার দিকে না তাকিয়ে বরং সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়াই ভাল। রাজের সাথে যে ভাল সময় কেটেছে সেই স্মৃতিগুলি যেন অমলিন থাকে এটাই তিনি চেয়েছেন।

দীপাবলির রাতে নিজেদর কমপ্লেক্সে পুজোর কাজে মেতেছিলেন শুভশ্রী। পুজোর জোগাড় থেকে সন্ধ্যাপ্রদীপ জ্বালানো সবেতেই দেখা গেছে রাজ ঘরণীকে। মিমি প্রসঙ্গেও তিনি বরাবরই ভাল কথাই বলে এসেছেন। কাউকে অপমান করাটা খুব ভাল বিষয় নয়, তেমনি কারোর সঙ্গে  গলায় গলায় বন্ধুত্বটাও যেন ঠিক আসে না টলিকন্যার। তাই অনুষ্ঠানে হোক বা কাজের প্রয়োজনে দেখা হলে তবেই মিমির সঙ্গে কথা বলেন শুভশ্রী।

দীপাবলির রাতে নিজেদর কমপ্লেক্সে পুজোর কাজে মেতেছিলেন শুভশ্রী। পুজোর জোগাড় থেকে সন্ধ্যাপ্রদীপ জ্বালানো সবেতেই দেখা গেছে রাজ ঘরণীকে। মিমি প্রসঙ্গেও তিনি বরাবরই ভাল কথাই বলে এসেছেন। কাউকে অপমান করাটা খুব ভাল বিষয় নয়, তেমনি কারোর সঙ্গে গলায় গলায় বন্ধুত্বটাও যেন ঠিক আসে না টলিকন্যার। তাই অনুষ্ঠানে হোক বা কাজের প্রয়োজনে দেখা হলে তবেই মিমির সঙ্গে কথা বলেন শুভশ্রী।

লাল রঙের লেহেঙ্গায়  সারা বাড়িতে প্রদীপ জ্বালাচ্ছেন শুভশ্রী। প্রদীপের আলোয় আর তার মিষ্টি হাসিতে যেন হাজার আলোর রোশনাই জ্বলছিল। এই হাসির মাঝেই লুকিয়ে ছিল একরাশ দুঃখ, যন্ত্রণা, কষ্ট। তবে সবকিছুকে হাসি দিয়ে জয় করে নিন্দুকদের চোখরাঙানিকে উপেক্ষা করে তিনি আজ রাজ ঘরণীর পরিচয়ে নয়, নিজের পরিচয়ে টলিউডের শুভশ্রী।

লাল রঙের লেহেঙ্গায় সারা বাড়িতে প্রদীপ জ্বালাচ্ছেন শুভশ্রী। প্রদীপের আলোয় আর তার মিষ্টি হাসিতে যেন হাজার আলোর রোশনাই জ্বলছিল। এই হাসির মাঝেই লুকিয়ে ছিল একরাশ দুঃখ, যন্ত্রণা, কষ্ট। তবে সবকিছুকে হাসি দিয়ে জয় করে নিন্দুকদের চোখরাঙানিকে উপেক্ষা করে তিনি আজ রাজ ঘরণীর পরিচয়ে নয়, নিজের পরিচয়ে টলিউডের শুভশ্রী।

'আর কাছাকাছি আরও কাছে এসো'। এই লাভ বার্ডসকে দেখে সবার আগে এই গানের কলিই যেন মাথায় আসে। তেমনি ব্রেক আপের পরে আলোচনার শীর্ষে উঠে এসেছিলেন তারা। জীবনে একটা বিরতি দরকার। আর সেই বিরতির পরেই তিনি আজ পরিণত। আর এটাই জীবনের অঙ্গ।

'আর কাছাকাছি আরও কাছে এসো'। এই লাভ বার্ডসকে দেখে সবার আগে এই গানের কলিই যেন মাথায় আসে। তেমনি ব্রেক আপের পরে আলোচনার শীর্ষে উঠে এসেছিলেন তারা। জীবনে একটা বিরতি দরকার। আর সেই বিরতির পরেই তিনি আজ পরিণত। আর এটাই জীবনের অঙ্গ।

মানুষের জীবনে বিরতি কতটা প্রয়োজন সেটা সেই সময়েই বুঝেছিলেন শুভশ্রী। কারণ কীভাবে খারাপ সময়গুলি মোকাবেলা করতে হয়এবং জীবনের ভাল জিনিসগুলির প্রশংসা করতে হয় সেটা তখনই শিখেছিলেন অভিনেত্রী।

মানুষের জীবনে বিরতি কতটা প্রয়োজন সেটা সেই সময়েই বুঝেছিলেন শুভশ্রী। কারণ কীভাবে খারাপ সময়গুলি মোকাবেলা করতে হয়এবং জীবনের ভাল জিনিসগুলির প্রশংসা করতে হয় সেটা তখনই শিখেছিলেন অভিনেত্রী।

জিতের সঙ্গে বেশ অনেকগুলি ছবিতে কাজ করেছেন শুভশ্রী। তাই জিতের জন্য সর্বদাই একটা  স্পেশ্যাল জায়গা থাকবে অভিনেত্রীর কাছে।

জিতের সঙ্গে বেশ অনেকগুলি ছবিতে কাজ করেছেন শুভশ্রী। তাই জিতের জন্য সর্বদাই একটা স্পেশ্যাল জায়গা থাকবে অভিনেত্রীর কাছে।

একের পর এক ছবি করে টলি পাড়ায় ইতিমধ্যেই প্রথম সারিতে রয়েছেন শুভশ্রী। নিজের অভিনয় দক্ষতা দিয়ে তিনিও বারেবারে প্রমাণ করে দিয়েছেন যে কারোর দ্বারা নয়, ইচ্ছাশক্তি থাকলেই নিজের প্রচেষ্টাতেই সবটা সম্ভব। কিছুদিন আগেই মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি 'পরিণীতা'-তে তার লুক, অভিনয়, দর্শক ও সমােলাচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছিল। আপকামিং ছবি 'ধর্মযুদ্ধ'-তে আবারও সেই ডি-গ্ল্যাম লুক নিয়ে মুন্নির ভূমিকায় পর্দা কাঁপাতে আসছে শুভশ্রী।

একের পর এক ছবি করে টলি পাড়ায় ইতিমধ্যেই প্রথম সারিতে রয়েছেন শুভশ্রী। নিজের অভিনয় দক্ষতা দিয়ে তিনিও বারেবারে প্রমাণ করে দিয়েছেন যে কারোর দ্বারা নয়, ইচ্ছাশক্তি থাকলেই নিজের প্রচেষ্টাতেই সবটা সম্ভব। কিছুদিন আগেই মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি 'পরিণীতা'-তে তার লুক, অভিনয়, দর্শক ও সমােলাচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছিল। আপকামিং ছবি 'ধর্মযুদ্ধ'-তে আবারও সেই ডি-গ্ল্যাম লুক নিয়ে মুন্নির ভূমিকায় পর্দা কাঁপাতে আসছে শুভশ্রী।

loader