মৃত্যুকামনার পর 'শ্রদ্ধা শেষ' বলে কটাক্ষ, করোনামুক্ত হয়ে তির্যক মন্তব্যে বিদ্ধ অমিতাভ

First Published 4, Aug 2020, 11:20 AM

করোনা ভাইরাস থেকে মুক্ত  হয়েও বাড়ি ফিরেও রেহাই মিলছে না বিগ বির। কিছুদিন আগেই অভিনেতার মৃত্যু কামনা করেছিলেন এক অজ্ঞাত ব্যক্তি।  যদিও ট্রোলের মোক্ষম জবাব হাসপাতালের কোভিড ওয়ার্ড থেকেই দিয়েছিলেন বিগ বি। বাড়ি ফিরেও রেহাই মিলছে না অমিতাভের। অনুরাগীদের শুভেচ্ছার পাশাপাশি তির্যক মন্তব্যে বিদ্ধ অমিতাভ। অমিতাভের প্রতি সমস্ত শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলেছেন বলে ফের মন্তব্য করেছেন এক মহিলা। যদিও এবারও চুপ থাকেননি অমিতাভ। কড়া ভাষাতেই এর পাল্টা জবাব দিয়েছেন বলিউডের সুপারস্টার অমিতাভ বচ্চন।

<p>কোটি কোটি ভক্তের প্রার্থনায় এবং চিকিৎসকদেক প্রচেষ্টায় &nbsp;করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন বলিউডের শাহেনশা অমিতাভ বচ্চন। আপাতত স্থিতিশীল রয়েছেন অমিতাভ বচ্চন।</p>

কোটি কোটি ভক্তের প্রার্থনায় এবং চিকিৎসকদেক প্রচেষ্টায়  করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন বলিউডের শাহেনশা অমিতাভ বচ্চন। আপাতত স্থিতিশীল রয়েছেন অমিতাভ বচ্চন।

<p>করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েও চার দেওয়ালের মধ্যে রেহাই মেলে নি বিগ বির। অভিনেতার মৃত্যু কামনা করেছিলেন এক অজ্ঞাত ব্যক্তি। &nbsp;ট্রোলের মোক্ষম জবাব হাসপাতালের কোভিড ওয়ার্ড থেকেই তিনি দিয়েছেন।&nbsp;</p>

করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েও চার দেওয়ালের মধ্যে রেহাই মেলে নি বিগ বির। অভিনেতার মৃত্যু কামনা করেছিলেন এক অজ্ঞাত ব্যক্তি।  ট্রোলের মোক্ষম জবাব হাসপাতালের কোভিড ওয়ার্ড থেকেই তিনি দিয়েছেন। 

<p><br />
এবার অভিনেতাকে ফের তির্যক মন্তব্য করলেন জাহ্নবী মাখিজা নামের এক মহিলা। ফেসবুকে অমিতাভের উপর অভিযোগ এনে ওই মহিলা জানিয়েছেন, &nbsp;অমিতাভ নানাবতী হাসপাতালে বিজ্ঞাপন করছেন। করোনা চিকিৎসার জন্য তিনি হাসপাতালে ভর্তি হলেও তার আচরণে জাহ্নবী শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলেছেন।</p>


এবার অভিনেতাকে ফের তির্যক মন্তব্য করলেন জাহ্নবী মাখিজা নামের এক মহিলা। ফেসবুকে অমিতাভের উপর অভিযোগ এনে ওই মহিলা জানিয়েছেন,  অমিতাভ নানাবতী হাসপাতালে বিজ্ঞাপন করছেন। করোনা চিকিৎসার জন্য তিনি হাসপাতালে ভর্তি হলেও তার আচরণে জাহ্নবী শ্রদ্ধা হারিয়ে ফেলেছেন।

<p style="text-align: justify;">জাহ্নবী জানান, ৮০ বছরের বয়স্ক তার বাবাও নানাবতী হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। করোনার ভুল টেস্ট হয়েছিল তার বাবার। এবং তার বাবার বেড সোরও হয়ে গিয়েছিল। তাকে এতটা অযত্ন করা হয়েছিল যে বাড়ির লোকও তাকে দেখতে পারেনি।</p>

জাহ্নবী জানান, ৮০ বছরের বয়স্ক তার বাবাও নানাবতী হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। করোনার ভুল টেস্ট হয়েছিল তার বাবার। এবং তার বাবার বেড সোরও হয়ে গিয়েছিল। তাকে এতটা অযত্ন করা হয়েছিল যে বাড়ির লোকও তাকে দেখতে পারেনি।

<p><br />
জাহ্নবী আরও জানিয়েছেন, মি.অমিতাভ, যে হাসপাতাল মানুষের জীবনের দাম দেয় না, আর আপনি তাদের জন্য বিজ্ঞাপন করছেন তা সত্যিই খুবই দুঃখের। আপনার প্রতি আমার সমস্ত শ্রদ্ধা শেষ।</p>


জাহ্নবী আরও জানিয়েছেন, মি.অমিতাভ, যে হাসপাতাল মানুষের জীবনের দাম দেয় না, আর আপনি তাদের জন্য বিজ্ঞাপন করছেন তা সত্যিই খুবই দুঃখের। আপনার প্রতি আমার সমস্ত শ্রদ্ধা শেষ।

<p>জাহ্নবীর জবাবে অমিতাভ বলেছেন, আপনার বাবার সঙ্গে যা হয়েছে তা জেনে অত্যন্ত দুঃখবোধ করছি। আমি অল্প বয়স থেকে অত্যন্ত সঙ্কটজনক শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে বারবার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। চিকিৎসার ক্ষেত্রে কিছু কোড অফ কনডাক্ট থাকে, এবং আমি দেখেছি, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মীরা সকলে রোগীর খেয়াল রাখেন।&nbsp;</p>

জাহ্নবীর জবাবে অমিতাভ বলেছেন, আপনার বাবার সঙ্গে যা হয়েছে তা জেনে অত্যন্ত দুঃখবোধ করছি। আমি অল্প বয়স থেকে অত্যন্ত সঙ্কটজনক শারীরিক পরিস্থিতি নিয়ে বারবার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। চিকিৎসার ক্ষেত্রে কিছু কোড অফ কনডাক্ট থাকে, এবং আমি দেখেছি, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মীরা সকলে রোগীর খেয়াল রাখেন। 

<p>&nbsp;অমিতাভ আরও জানান আর্থিক সুবিধার জন্য কোনও হাসপাতাল বা চিকিৎসক খারাপ চিকিৎসা করছেন বলে আমার কখনও মনে হয়নি, আপনার সঙ্গে আমি একমত নই। আর হ্যাঁ, আমি হাসপাতালের বিজ্ঞাপন করছি না, যে সেবা ও চিকিৎসা আমি সেখানে পেয়েছি, অন্যান্য সব হাসপাতাল থেকে পেয়েছি, সে জন্য তাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আর তা করতেই থাকব।&nbsp;</p>

 অমিতাভ আরও জানান আর্থিক সুবিধার জন্য কোনও হাসপাতাল বা চিকিৎসক খারাপ চিকিৎসা করছেন বলে আমার কখনও মনে হয়নি, আপনার সঙ্গে আমি একমত নই। আর হ্যাঁ, আমি হাসপাতালের বিজ্ঞাপন করছি না, যে সেবা ও চিকিৎসা আমি সেখানে পেয়েছি, অন্যান্য সব হাসপাতাল থেকে পেয়েছি, সে জন্য তাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আর তা করতেই থাকব। 

<p><br />
ক্ষুব্ধ গলায় অমিতাভ জানিয়েছেন, আপনি আমার প্রতি শ্রদ্ধা হারাতে পারেন কিন্তু আমি আপনাকে জানাতে চাই, আমি চিকিৎসা নামে পেশা ও আমাদের দেশের চিকিৎসকদের প্রতি কখনও শ্রদ্ধা হারাব না।</p>


ক্ষুব্ধ গলায় অমিতাভ জানিয়েছেন, আপনি আমার প্রতি শ্রদ্ধা হারাতে পারেন কিন্তু আমি আপনাকে জানাতে চাই, আমি চিকিৎসা নামে পেশা ও আমাদের দেশের চিকিৎসকদের প্রতি কখনও শ্রদ্ধা হারাব না।

<p>এবং শেষ কথা হল, আমার সম্মান ও মর্যাদা পাওয়ার যোগ্যতা আপনার দ্বারা কোনওদিনই &nbsp;বিচার্য হবে না।</p>

এবং শেষ কথা হল, আমার সম্মান ও মর্যাদা পাওয়ার যোগ্যতা আপনার দ্বারা কোনওদিনই  বিচার্য হবে না।

<p>এবং শেষ কথা হল, আমার সম্মান ও মর্যাদা পাওয়ার যোগ্যতা আপনার দ্বারা কোনওদিনই &nbsp;বিচার্য হবে না।</p>

এবং শেষ কথা হল, আমার সম্মান ও মর্যাদা পাওয়ার যোগ্যতা আপনার দ্বারা কোনওদিনই  বিচার্য হবে না।

loader