দশজন পুলিশের নিরাপত্তা, ব্যারিকেডের সাহায্যে ইডি-র দফতরে প্রবেশ রিয়া ও সৌভিকের

First Published 10, Aug 2020, 12:54 PM

পালাবার পথ নেই রিয়া চক্রবর্তী এবং তাঁর পরিবারের। সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর বিচার চেয়ে নিজেই অমিত শাহকে অনুরোধ করেছিলেন সিবিআই তদন্তের জন্য। পরবর্তীকালে সেই অনুরোধ থেকে একেবারে বেঁকে বসেন তিনি। সুশান্তের মৃত্যুর তদন্তভার যাতে সিবিআইয়ের হাতে না যায় সেই পিটিশনও শীর্ষ আদালতে জমা করেছিলেন রিয়া। তবে শেষরক্ষাটুকু আর হল না। যার জেরে মাঝরাতে মুম্বই ছেড়ে সপরিবারে চলে গিয়েছিলেন অন্য কোথাও। ইডি তলব করতেই ফিরে আসতে হল মুম্বইতে। 

<p>৭ অগস্ট রিয়া চক্রবর্তীর ইডি-র দফতরে হাজিরা দেওয়ার পর চলে আট-নয় ঘন্টার জেরা। অন্যদিকে তাঁর ভাইয়ের জিজ্ঞাসাবাদ চলতে থাকে ১৮ ঘন্টার জন্য।&nbsp;<br />
&nbsp;</p>

৭ অগস্ট রিয়া চক্রবর্তীর ইডি-র দফতরে হাজিরা দেওয়ার পর চলে আট-নয় ঘন্টার জেরা। অন্যদিকে তাঁর ভাইয়ের জিজ্ঞাসাবাদ চলতে থাকে ১৮ ঘন্টার জন্য। 
 

<p>ইডি-র দফতরেই রাত কাটাতে হয়েছিল সৌভিককে। ইডি-র দফতরে ঢুকতে ও বেরতে গিয়ে ভিড়ের মাঝে পড়তে হয়েছিল তাঁদের। এবার সেই সমস্যার সমাধান করলেন ভাই-বোন।&nbsp;</p>

ইডি-র দফতরেই রাত কাটাতে হয়েছিল সৌভিককে। ইডি-র দফতরে ঢুকতে ও বেরতে গিয়ে ভিড়ের মাঝে পড়তে হয়েছিল তাঁদের। এবার সেই সমস্যার সমাধান করলেন ভাই-বোন। 

<p>জনা দশেক পুলিশ নিয়ে ঢুকলেন ইডি-র দফতরে। পিছনে উপচে পড়ছে ভিড়। এবারে পুলিশের কারণে ভিড়ের মধ্যে ঠেলাঠেলি ধাক্কাধাক্কি তেমনভাবে করতে হয়নি রিয়া ও সৌভিককে।&nbsp;</p>

জনা দশেক পুলিশ নিয়ে ঢুকলেন ইডি-র দফতরে। পিছনে উপচে পড়ছে ভিড়। এবারে পুলিশের কারণে ভিড়ের মধ্যে ঠেলাঠেলি ধাক্কাধাক্কি তেমনভাবে করতে হয়নি রিয়া ও সৌভিককে। 

<p>ইডি-র দফতরের প্রেবশদ্বার ছিল সম্পূর্ণ ফাঁকা। এখন রিয়া এবং সৌভিক দ্বিতীবারের হাজিরার খবরে বেড়ে গিয়েছে ভিড়। করোনা হোক বা লকডাউন, বেড়েছে সাধারণ মানুষের উপদ্রবও।&nbsp;</p>

ইডি-র দফতরের প্রেবশদ্বার ছিল সম্পূর্ণ ফাঁকা। এখন রিয়া এবং সৌভিক দ্বিতীবারের হাজিরার খবরে বেড়ে গিয়েছে ভিড়। করোনা হোক বা লকডাউন, বেড়েছে সাধারণ মানুষের উপদ্রবও। 

<p>ব্যারিকেড করা চারিদিক, পুলিশ সহ মহিল পুলিশও রয়েছে সেখানে। হাত ধরাধারি করে নিজেরাও দাঁড়িয়েছে ব্যারিকেডের মতই। এইভাবে সুরক্ষিত রাখতে হচ্ছে রিয়ার ও তাঁর পরিবারকে।&nbsp;</p>

ব্যারিকেড করা চারিদিক, পুলিশ সহ মহিল পুলিশও রয়েছে সেখানে। হাত ধরাধারি করে নিজেরাও দাঁড়িয়েছে ব্যারিকেডের মতই। এইভাবে সুরক্ষিত রাখতে হচ্ছে রিয়ার ও তাঁর পরিবারকে। 

<p>তাহলে কি যেকোনও সময় ঘটতে পারে বিপদ। দেশবাসী যেভাবে রিয়ার এবং চক্রবর্তীর পরিবারের উপর ক্রমশ ক্ষোভ উগরে চলেছে তাতে এমনটাই অনুমান করা যাচ্ছে।&nbsp;</p>

তাহলে কি যেকোনও সময় ঘটতে পারে বিপদ। দেশবাসী যেভাবে রিয়ার এবং চক্রবর্তীর পরিবারের উপর ক্রমশ ক্ষোভ উগরে চলেছে তাতে এমনটাই অনুমান করা যাচ্ছে। 

<p>তাঁদের সুরক্ষিত অবস্থায় ইডি-র দফতরে পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছে মুম্বই পুলিশ। পুলিশের নিরাপত্তার পরও সৌভিক একবারের জন্যও দিদিকে হাতছাড়া করেননি।</p>

তাঁদের সুরক্ষিত অবস্থায় ইডি-র দফতরে পৌঁছে দিতে সক্ষম হয়েছে মুম্বই পুলিশ। পুলিশের নিরাপত্তার পরও সৌভিক একবারের জন্যও দিদিকে হাতছাড়া করেননি।

<p>বরং আরও চেপে ধরে নিয়ে তড়িঘড়ি গিয়ে উঠলেন দফতরের ভিতর। গতবার রিয়াকে নিয়ে প্রবেশ করার সময় তাঁকে সরাসরি প্রশ্নও করা হয়েছিল অনেক।&nbsp;</p>

বরং আরও চেপে ধরে নিয়ে তড়িঘড়ি গিয়ে উঠলেন দফতরের ভিতর। গতবার রিয়াকে নিয়ে প্রবেশ করার সময় তাঁকে সরাসরি প্রশ্নও করা হয়েছিল অনেক। 

<p>কোনও কিছুর জবাব না দিয়েই চলে গিয়েছিলেন তাঁরা। এমনকি সৌভিকের সঙ্গে খানিক ধাক্কাধাক্কিও হয় সংবাদমাধ্যমের। তাঁর মেজাজ দেখে সাইবারবাসী সোচ্চার হয় তাঁর বিরুদ্ধে। &nbsp;</p>

কোনও কিছুর জবাব না দিয়েই চলে গিয়েছিলেন তাঁরা। এমনকি সৌভিকের সঙ্গে খানিক ধাক্কাধাক্কিও হয় সংবাদমাধ্যমের। তাঁর মেজাজ দেখে সাইবারবাসী সোচ্চার হয় তাঁর বিরুদ্ধে।  

loader