বলিউডের সর্বকালের সেরা কিছু বিতর্কিত ঘটনা, এক নজরে দেখে নিন সেই ছবি

First Published 4, Jan 2020, 3:50 PM

  • বলিউডে  বিতর্কিত ঘটনা ও কলঙ্কজনক গল্পের শেষ নেই
  • অন্য়তম,মুম্বই বিস্ফোরণে সঞ্জয় দত্তের নাম জড়িয়ে পড়া
  • দু'জন সুপারস্টার ক্যাটরিনার জন্মদিনে লড়াই করেছিলেন
  • দিলীপ কুমার, মধুবালাকে শুটিং-র সেটে চড় মেরেছিলেন
অমিতাভ বচ্চন কুলির সেটে প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটেছিল। অভিনেতা বেশ কয়েকমাস হাসপাতালে অসুস্থ অবস্থায় ভর্তি ছিলেন ।  তিনি সুস্থ হয়ে উঠতে বেশ কয়েক মাস নিয়েছিলেন এবং দীর্ঘকালীন সুস্থতার পরে বছরের পরের দিকে ছবিতে কাজ শুরু করেছিলেন।

অমিতাভ বচ্চন কুলির সেটে প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটেছিল। অভিনেতা বেশ কয়েকমাস হাসপাতালে অসুস্থ অবস্থায় ভর্তি ছিলেন । তিনি সুস্থ হয়ে উঠতে বেশ কয়েক মাস নিয়েছিলেন এবং দীর্ঘকালীন সুস্থতার পরে বছরের পরের দিকে ছবিতে কাজ শুরু করেছিলেন।

গুরু দত্তকে পেড্ডার রোডের একটি ভাড়া করা অ্যাপার্টমেন্টে মৃত অবস্থায় তার বিছানাতে পাওয়া গিয়েছিল। অনেকের মতে, তিনি বিশ্রাম নিতে না পারায় ঘুমের ওষুধ এবং অ্যালকোহল মিশিয়েছিলেন । অনেকেরই অনুমান, তার মৃত্যু একটি আত্মহত্যা বা একটি দুর্ঘটনা। যার কারণ ওষুধের অতিরিক্ত ডোজ হতে পারে। ঘটনাচক্রে, আশা ভোঁসলেই তাঁর সঙ্গে শেষ কথা বলেছিলেন।

গুরু দত্তকে পেড্ডার রোডের একটি ভাড়া করা অ্যাপার্টমেন্টে মৃত অবস্থায় তার বিছানাতে পাওয়া গিয়েছিল। অনেকের মতে, তিনি বিশ্রাম নিতে না পারায় ঘুমের ওষুধ এবং অ্যালকোহল মিশিয়েছিলেন । অনেকেরই অনুমান, তার মৃত্যু একটি আত্মহত্যা বা একটি দুর্ঘটনা। যার কারণ ওষুধের অতিরিক্ত ডোজ হতে পারে। ঘটনাচক্রে, আশা ভোঁসলেই তাঁর সঙ্গে শেষ কথা বলেছিলেন।

দু'জন সুপারস্টার প্রায় পাঁচ বছর আগে ক্যাটরিনার জন্মদিনের পার্টিতে লড়াই করেছিলেন। তার সঙ্গে আবদ্ধ হওয়ার জন্য দায়ী হওয়ার একাধিক কারণ রয়েছে। তার মধ্য়ে অন্য়তম হচ্ছে পেশাদার নিরাপত্তাহীনতা।

দু'জন সুপারস্টার প্রায় পাঁচ বছর আগে ক্যাটরিনার জন্মদিনের পার্টিতে লড়াই করেছিলেন। তার সঙ্গে আবদ্ধ হওয়ার জন্য দায়ী হওয়ার একাধিক কারণ রয়েছে। তার মধ্য়ে অন্য়তম হচ্ছে পেশাদার নিরাপত্তাহীনতা।

পরিচালক-প্রযোজক সাজিদ নাদিয়াদওয়ালার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন দিব্যা ভারতী।  ১৯৯৩ সালে তিনি মারা যান।  তার মৃত্য়ু আজও ভক্তকূল মেনে নিতে পারেনি।

পরিচালক-প্রযোজক সাজিদ নাদিয়াদওয়ালার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন দিব্যা ভারতী। ১৯৯৩ সালে তিনি মারা যান। তার মৃত্য়ু আজও ভক্তকূল মেনে নিতে পারেনি।

১৯৯৩ সালে মুম্বই বিস্ফোরণ মামলায় সঞ্জয় দত্তের নাম ছড়িয়ে পড়লে পুরো দেশ অবাক হয়ে যায়। পিতা সুনীল দত্তের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের পরে অবশেষে তাকে জামিনে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।

১৯৯৩ সালে মুম্বই বিস্ফোরণ মামলায় সঞ্জয় দত্তের নাম ছড়িয়ে পড়লে পুরো দেশ অবাক হয়ে যায়। পিতা সুনীল দত্তের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের পরে অবশেষে তাকে জামিনে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।

ঐশ্বর্য রাই চলতে চলতে সিনেমার শুটিং শুরু করছিলেন। জানা গিয়েছে, সেই সময় সলমান খান শুটিং সেটে  ঝামেলা করেছিলেন। কিন্তু তারপরেই কাস্টিং হঠাই অদল-বদল হয়। শেষ অবধি ছবিটিতে অভিনয় করেন রানি মুখার্জি। অপর দিকে রানি তখন ডেট করছেন অভিশেখের সঙ্গে। পরে  অভিশেখের সঙ্গে ঐশ্বর্য রাই-র বিয়ে হলে, এদের পরস্পরের বন্ধুত্ব চিরকালের মত নষ্ট হয়ে যায়।

ঐশ্বর্য রাই চলতে চলতে সিনেমার শুটিং শুরু করছিলেন। জানা গিয়েছে, সেই সময় সলমান খান শুটিং সেটে ঝামেলা করেছিলেন। কিন্তু তারপরেই কাস্টিং হঠাই অদল-বদল হয়। শেষ অবধি ছবিটিতে অভিনয় করেন রানি মুখার্জি। অপর দিকে রানি তখন ডেট করছেন অভিশেখের সঙ্গে। পরে অভিশেখের সঙ্গে ঐশ্বর্য রাই-র বিয়ে হলে, এদের পরস্পরের বন্ধুত্ব চিরকালের মত নষ্ট হয়ে যায়।

দিলীপ কুমার, মধুবালাকে মুঘল-ই আজমের সেটে   চড় মেরেছিলেন। অনেকের মতে, দেখে যেন মনে হবে ছবিটির শুটিং চলছিল। অবশ্য় এই নিয়ে যথেষ্ট বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল।

দিলীপ কুমার, মধুবালাকে মুঘল-ই আজমের সেটে চড় মেরেছিলেন। অনেকের মতে, দেখে যেন মনে হবে ছবিটির শুটিং চলছিল। অবশ্য় এই নিয়ে যথেষ্ট বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল।