111

দলের অধিনায়ক এবং সবথেকে প্রতিভাবান ব্যাটার। তাঁকে পাকিস্তান দাবি করে বিরাট কোহলির পাকিস্তানি জবাব বলে। পাকিস্তান দলের ব্যাটিং-এর তিনিই প্রধান ভরসা। 
 

Subscribe to get breaking news alerts

211

দলের উইকেটরক্ষক এবং বিস্ফোরক ওপেনার। বর্তমানে তিনি দারুণ ফর্মেও আছেন। প্রায় প্রতি ম্যাচেই বাবর আজমের সঙ্গে ওপেনিং জুটিতে বড় রান তুলছেন তিনি। দুই প্রস্তুতি ম্যাচে অবশ্য তাঁর ব্যাট থেকে রান আসেনি। 
 

311

প্রস্তুতি ম্যাচে পাক ব্যাটারদের মধ্যে সবথেকে ভাল খেলেছেন ফখর জামান। প্রথম ম্যাচে ওয়েস্টইন্ডিজের বিরুদ্ধে ২৪ বলে অপরাজিত ৪৬ রানের ইনিংস খেলে দলকে জেতান। পরের ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ২৮ বলে ৫২ রান করে অপরাজিত অবস্থাতেই মাঠ ছাড়েন।
 

411


বিশ্বকাপের প্রাথমিক ১৫ জনের দলে ছিলেন না বহু যুদ্ধের নায়ক মহম্মদ হাফিজ। কিন্তু,  গত কয়েকটি ম্যাচে পাকিস্তানের মিডল অর্ডার বারবার ব্যর্থ হয়েছে। তাই অভিজ্ঞ হাফিজকে আনা হয়েছে মিডল অর্ডারের স্থিতি আনতে।
 

511


হাফিজের মতোই ভারতের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে, পাকিস্তানের প্রথম ১২ জনের দলে রাখা হয়েছে আরেক বুড়ো শোয়েব মালিককেও। প্রথম একাদশে হাফিজ এবং মালিক দুজনেই খেলবেন বলে মনে করা হচ্ছে। বোলিং-এর সময় শোয়েব মালিক, প্রয়োজনে এক-দুই ওভার হাতও ঘোরাতে পারেন।  
 

611

প্রথম একাদশের বাইরে থাকতে হতে পারে আসিফ আলি এবং হায়দার আলির মধ্যে একজনকে। প্রাথমিক ১৫ জনের দলে ছিলেন না হায়দার আলি। প্রস্তুতি ম্যাচের একটিতেও তাঁকে খেলানো হয়নি। আসিফ আলি প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে ব্যাট করার সুযোগ পাননি, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ১৮ বলে ৩২ রান করেছেন। তবে হায়দার আলি পিএসএল ২০২০ এবং সদ্যসমাপ্ত পাকিস্তানের জাতীয় টি২০ লিগে নিজের বিস্ফোরক ফর্মের পরিচয় দিয়েছেন। পাক দলে হার্ড হিটার সেরকম নেই। এই অবস্থায় হায়দার না আসিফ - কাকে বেছে নেয় টিম ম্য়ানেজমেন্ট, সেটাই দেখার। দুজনের একসঙ্গে খেলার সম্ভাবনা কম।
 

711

ভারতের বিরুদ্ধে দুবাইয়ে পাকিস্তানের বোলিং-এর সূচনা করতে পারেন বাঁহাতি স্পিনার ইমাদ। মরুদেশে দারুণ ছন্দে আছেন তিনি। প্রস্তুতি ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ৩ ওভারে মাত্র ৬ রান দিয়ে ১ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। আর দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ৩ ওভারে ১৯ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। 
 

811

ইমাদের সঙ্গে স্পিন আক্রমণে থাকবেন লেগস্পিনার শাদাব খান। তবে শাদাব ৩ বছর আগে যে ফর্মে ছিলেন, তার সঙ্গে এখনকার শাদাবের অনেক পার্থক্য। তাঁর বলে ধার অনেকটাই কমেছে। দুই প্রস্তুতি ম্যাচে একটিও উইকেট পাননি তিনি। প্রথম ম্যাচে ২ ওভারে দিয়েছিলেন ৭ রান, পরেরটিতে ৪ ওভারে ৩৫। 
 

911

এরপরই আসছে পাকিস্তানের ভয়ঙ্কর তিন পেস ত্রয়ী হাসান আলি, শাহিন আফ্রিদি, এবং হারিস রউফ। তিন জনের মধ্যে হাসান আলিরই বড় ম্যাচে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। প্রস্তুতি ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ভাল বল করলেও, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ৪ ওভারে ৫২ রান দিয়েছেন!
 

1011

পাকিস্তানের জোরে বোলিং বিভাগে বর্তমানে সবথেকে বড় তারকা শাহিন আফ্রিদি। পাকিস্তান সুপার লিগ এবং ওয়ার্ম-আপ ম্যাচগুলিতে অবশ্য দেখা গিয়েছে মরুদেশে শাহিনের বলের  ধার কমে যায়। 
 

1111

প্রস্তুতি ম্যাচে ম্যাড়মেড়ে পারফর্ম করেছেন তৃতীয় জোরে বোলার হ্যারিস রউফ-ও। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ২টি উইকেট নিয়েছিলেন। তবে দুটি ম্যাচেই ওভারে গড়ে ৯.৫ রান করে দিয়েছেন। ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচে দুবাইয়ের পিচের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারেন কিনা, সেটাই দেখার।