পুজো ঘিরে তৈরি হয় অনেক ছোট গল্প, থাকল সেইসব গল্পেরই এক ঝলক

First Published 20, Sep 2019, 7:18 PM IST

পুজোর কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে অনেকদিন আগেই। পুজো মানেই হাজারটা প্ল্যান। রাত জেগে ঠাকুর দেখা থেকে শরু করে অড্ডা মারা। শুধু তাই নয় বাড়ির লোকের নজর এড়িয়ে বন্ধু বা বান্ধবীর হাত ধরে ঘোরা। আর এই সব মিলিয়েই বাঙালির সব থেকে বড় উৎসব দুর্গা পুজো। প্রতি বছরের পুজোর সঙ্গে তৈরি হয় অনেক ছোট ছোট গল্পো। পুজোয় হয়েওঠা সেইরকমই সব ছোট গল্পো গুলিকে দেখেনিন এবার ছবির মধ্যে দিয়ে।
 

পুজোর ষষ্ঠি থেকে দশমী এই পাঁচ দিন ঘিরে থাকে হাজারটা প্ল্যান। ষষ্ঠির দিন থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। অনেকের প্ল্যানেই থাকে পুজোর প্রথম দিনটা শুরু হবে স্পেশাল মানুষটির সঙ্গে। সেই মতোই তার হাত ধরে শুরু হয়ে যায় ঘোরা। তার সঙ্গেই কাটে সারাটা দিন। সেই সঙ্গে স্পেশাল মানুষটির সঙ্গে তৈরি হয় অনেক স্পেশাল মুহুর্তও। এই দিন অনেকেই সিনেমা দেখতে যেতে পছন্দ করেন। ঘোরার সঙ্গে চলে সিনেমা দেখাও।

পুজোর ষষ্ঠি থেকে দশমী এই পাঁচ দিন ঘিরে থাকে হাজারটা প্ল্যান। ষষ্ঠির দিন থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। অনেকের প্ল্যানেই থাকে পুজোর প্রথম দিনটা শুরু হবে স্পেশাল মানুষটির সঙ্গে। সেই মতোই তার হাত ধরে শুরু হয়ে যায় ঘোরা। তার সঙ্গেই কাটে সারাটা দিন। সেই সঙ্গে স্পেশাল মানুষটির সঙ্গে তৈরি হয় অনেক স্পেশাল মুহুর্তও। এই দিন অনেকেই সিনেমা দেখতে যেতে পছন্দ করেন। ঘোরার সঙ্গে চলে সিনেমা দেখাও।

পুজো মানেই খাওয়া দাওয়া। বাড়িতে না খেয়ে পুজোর কটা দিন সবাই বাইরে খেতেই বেশি পছন্দ করেন। ফুচকা থেকে শুরু করে রোল, মটন, চিকেন কোনটাই বাদ যায়না পুজোতে। পুজো মানে পেট পুজোও বলা যেতে পারে। আর খাওয়ার সঙ্গে জোর কদমে চলে আড্ডাও।

পুজো মানেই খাওয়া দাওয়া। বাড়িতে না খেয়ে পুজোর কটা দিন সবাই বাইরে খেতেই বেশি পছন্দ করেন। ফুচকা থেকে শুরু করে রোল, মটন, চিকেন কোনটাই বাদ যায়না পুজোতে। পুজো মানে পেট পুজোও বলা যেতে পারে। আর খাওয়ার সঙ্গে জোর কদমে চলে আড্ডাও।

পুজোতে কারোরই প্রায় ঘরে মন টেকেনা। এই সময় সারা দিন ধরে চলে ঘুরে বেড়ানো। এখন এই প্যান্ডেল তো পরের মুহুর্তেই সেই প্যান্ডেল। এই ভাবেই কেটে যায় পুজোর সারাটা দিন। সেই সঙ্গে জোর কদমে চলে বন্ধুদের সঙ্গে মজা করা আর এই ভাবেই কেটে যায় পুজোর কটা দিন।

পুজোতে কারোরই প্রায় ঘরে মন টেকেনা। এই সময় সারা দিন ধরে চলে ঘুরে বেড়ানো। এখন এই প্যান্ডেল তো পরের মুহুর্তেই সেই প্যান্ডেল। এই ভাবেই কেটে যায় পুজোর সারাটা দিন। সেই সঙ্গে জোর কদমে চলে বন্ধুদের সঙ্গে মজা করা আর এই ভাবেই কেটে যায় পুজোর কটা দিন।

পুজোর অনেক দিন আগে থেকেই শুরু হয়ে যায় পুজোর শপিং। পুজোতে সবাইয়েরই কম বেশি পোশাক হয়ে থাকে। পুজোর দিন গুলিতে সময়ের সঙ্গে পালটায় পোশাক। পুজোতে এক পোশাক পরে ঘুরতে পছন্দ করে না অনেকেই। পুজোতে সময়ের সঙ্গে চলে পোশাক পরিবর্তন।

পুজোর অনেক দিন আগে থেকেই শুরু হয়ে যায় পুজোর শপিং। পুজোতে সবাইয়েরই কম বেশি পোশাক হয়ে থাকে। পুজোর দিন গুলিতে সময়ের সঙ্গে পালটায় পোশাক। পুজোতে এক পোশাক পরে ঘুরতে পছন্দ করে না অনেকেই। পুজোতে সময়ের সঙ্গে চলে পোশাক পরিবর্তন।

পুজো মানেই পুজো প্রেম। পুজোর এই কটা দিন ঠাকুর দেখার সঙ্গে চলে চুটিয়ে প্রেমও। ঠাকুর দেখার সঙ্গে চলে প্রেম নিবেদনও। সারা বছরের না বলতে পারা কথা পুজোর সময় মা কে সাক্ষী রেখে চলে  প্রেম নিবেদন। বড়দের চোখ এড়িয়েই চলে এই সব কিছু।

পুজো মানেই পুজো প্রেম। পুজোর এই কটা দিন ঠাকুর দেখার সঙ্গে চলে চুটিয়ে প্রেমও। ঠাকুর দেখার সঙ্গে চলে প্রেম নিবেদনও। সারা বছরের না বলতে পারা কথা পুজোর সময় মা কে সাক্ষী রেখে চলে প্রেম নিবেদন। বড়দের চোখ এড়িয়েই চলে এই সব কিছু।

পুজোতে প্যান্ডাল হপিং করতেই হবে। আর পুজোতে সপ্তমীর দিনই সবাই ঠাকুর দেখতে যেতে পছন্দ করে থাকেন। এখন যদিও দ্বিতীয়ার দিন থেকেই সবাই ঠাকুর দেখতে বেড়িয়ে পরেন। পুজোর সময় ঠাকুর না দেখলে চলবে কি করে। ঠাকুর না দেখলে পুজোটাইতো মাটি। উত্তর থেকে দক্ষিণ সব ঠাকুর দেখতেই হবে পুজোতে।

পুজোতে প্যান্ডাল হপিং করতেই হবে। আর পুজোতে সপ্তমীর দিনই সবাই ঠাকুর দেখতে যেতে পছন্দ করে থাকেন। এখন যদিও দ্বিতীয়ার দিন থেকেই সবাই ঠাকুর দেখতে বেড়িয়ে পরেন। পুজোর সময় ঠাকুর না দেখলে চলবে কি করে। ঠাকুর না দেখলে পুজোটাইতো মাটি। উত্তর থেকে দক্ষিণ সব ঠাকুর দেখতেই হবে পুজোতে।

পুজো মানেই অনেক মজা। রাত জেগে ঠাকুর দেখা আর সেই সঙ্গে টুকটাক কিছু সাহসি পদক্ষেপের মজাটাই আলাদা।

পুজো মানেই অনেক মজা। রাত জেগে ঠাকুর দেখা আর সেই সঙ্গে টুকটাক কিছু সাহসি পদক্ষেপের মজাটাই আলাদা।

এবার আসা যাক অষ্টমীর কথায়। অষ্টমী মানেই শাড়ি পড়ে অঞ্জলি দেওয়া। পাড়ায় সারা বছর যে মেয়েটাকে দেখতে পাওয়া যায় না এই দিন তাকেও দেখতে পাওয়া যায় শাড়ি পরে। আর শুধু তাই নয় এই দিন অঞ্জলীর ফাঁকে চলে মেয়ে দেখাও। যার মজাটাই আলাদা। এই দিন রাত্রির বেলায় চলে চুটিয়ে প্রেম।

এবার আসা যাক অষ্টমীর কথায়। অষ্টমী মানেই শাড়ি পড়ে অঞ্জলি দেওয়া। পাড়ায় সারা বছর যে মেয়েটাকে দেখতে পাওয়া যায় না এই দিন তাকেও দেখতে পাওয়া যায় শাড়ি পরে। আর শুধু তাই নয় এই দিন অঞ্জলীর ফাঁকে চলে মেয়ে দেখাও। যার মজাটাই আলাদা। এই দিন রাত্রির বেলায় চলে চুটিয়ে প্রেম।

নবমী মানেই এবার পুজোকে বিদায় জানানোর পালা। পুজোর শেষ দিন তাই এই দিনে সাজগোজের ধুম পরে যায় সকলের মধ্যে। এই দিন সকলেই খুব উজ্বল রঙের পোশাক পরে থাকেন। এছাড়াও এই দিন যেসব ঠাকুর গুলো দেখা বাকি থাকে যায় সেই সব ঠাকুর দেখে ফেলতেই হবে না হলে আরও একটা বছরের অপেক্ষা করতে হবে।

নবমী মানেই এবার পুজোকে বিদায় জানানোর পালা। পুজোর শেষ দিন তাই এই দিনে সাজগোজের ধুম পরে যায় সকলের মধ্যে। এই দিন সকলেই খুব উজ্বল রঙের পোশাক পরে থাকেন। এছাড়াও এই দিন যেসব ঠাকুর গুলো দেখা বাকি থাকে যায় সেই সব ঠাকুর দেখে ফেলতেই হবে না হলে আরও একটা বছরের অপেক্ষা করতে হবে।

পুজোর শেষ বিজয়া দিয়ে। এই দিন লাল পাড় সাদা শাড়ির বিশেষ সেজে সবাই মাকে বিদায় জনান। মাকে বিদায় জানিয়ে এক বছরের অপেক্ষার শুরু হয় এই দিন থেকেই। মায়ের ভাসানের পরে চলে বিজয়ার প্রণাম আর তার পরে হয় মিষ্টি মুখ।

পুজোর শেষ বিজয়া দিয়ে। এই দিন লাল পাড় সাদা শাড়ির বিশেষ সেজে সবাই মাকে বিদায় জনান। মাকে বিদায় জানিয়ে এক বছরের অপেক্ষার শুরু হয় এই দিন থেকেই। মায়ের ভাসানের পরে চলে বিজয়ার প্রণাম আর তার পরে হয় মিষ্টি মুখ।

loader