রাহুল-স্মৃতি থেকে দীনেশ-অর্জুন - পঞ্চম দফায় আকর্ষণের কেন্দ্রে এই দশ লড়াই

First Published 5, May 2019, 9:44 PM IST

  • সোমবার লোকসভা নির্বাচনের পঞ্চম দফার ভোটগ্রহণ
  • ৭টি রাজ্যের মোট ৫১টি আসনে মত দান করবেন মানুষ
  • বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট প্রার্থীর ভাগ্য নির্ধারিত হবে
  • আছেন সনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, রাজনাথ সিং, স্মৃতি ইরানি, রাজ্যবর্ধন সিং রাঠোর প্রমুখ

 

সনিয়া গান্ধী বনাম দীনেশ প্রতাপ সিং (রায়বেরিলি): মহাগোটবন্ধন গান্ধী পরিবারের দুর্গ হিসেবে পরিচিত এই কেন্দ্রে প্রার্থী দেয়নি। ২০০৪ সাল থেকে এই কেন্দ্রে জয়ী হয়েছেন সনিয়া। সদ্য কংগ্রেস থেকে দল বদলে বিজেপি হওয়া দীনেশ প্রতাপ সিং-এর পক্ষে তাঁকে পরাজিত করাটা অসম্ভব বলেই মনে করা হচ্ছে।

সনিয়া গান্ধী বনাম দীনেশ প্রতাপ সিং (রায়বেরিলি): মহাগোটবন্ধন গান্ধী পরিবারের দুর্গ হিসেবে পরিচিত এই কেন্দ্রে প্রার্থী দেয়নি। ২০০৪ সাল থেকে এই কেন্দ্রে জয়ী হয়েছেন সনিয়া। সদ্য কংগ্রেস থেকে দল বদলে বিজেপি হওয়া দীনেশ প্রতাপ সিং-এর পক্ষে তাঁকে পরাজিত করাটা অসম্ভব বলেই মনে করা হচ্ছে।

রাহুল গান্ধী বনাম স্মৃতি ইরানী (আমেঠি): দারুণ কৌতূহল রয়েছে এই আসনটি নিয়ে। গতবার নির্বাচনে এই কেন্দ্রে রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি পরাজিত হলেও তাঁর জয়ের ব্যবধান ৩.৭ লক্ষ থেকে ১ লক্ষের কিছু বেশি-তে নামিয়ে এনেছিলেন। এই কেন্দ্রেও মহাগোটবন্ধনের প্রার্থী নেই।

রাহুল গান্ধী বনাম স্মৃতি ইরানী (আমেঠি): দারুণ কৌতূহল রয়েছে এই আসনটি নিয়ে। গতবার নির্বাচনে এই কেন্দ্রে রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি পরাজিত হলেও তাঁর জয়ের ব্যবধান ৩.৭ লক্ষ থেকে ১ লক্ষের কিছু বেশি-তে নামিয়ে এনেছিলেন। এই কেন্দ্রেও মহাগোটবন্ধনের প্রার্থী নেই।

রাজনাথ সিং বনাম পুণম সিনহা (লখনউ): কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজনাথ সিং ২০১৪ সালে এই কেন্দ্রে বিপুল ভোট পেয়ে জিতেছিলেন। কিন্তু এইবার তাঁর লড়াইটা কঠিন করে দিয়েছেন প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহার স্ত্রী পুণম সিনহা। তাঁকেই এইবার প্রার্থী করেছে সপা-বসপা জোট। এই কেন্দ্রে ৩.৫ লক্ষ মুসলিম ভোটের সঙ্গে সঙ্গে ৪ লক্ষ কায়স্থ ও ১.৩ লক্ষ সিন্ধি ভোট রয়েছে। যা পুনম তাঁর সিন্ধি বংশ পরিচয় ও শত্রুঘ্নের কায়স্থ বংশ পরিচয়-কে কাজে লাগিয়ে নিজের দিকে আনতে পারবেন বলে মনে করছে সপা-বসপা।

রাজনাথ সিং বনাম পুণম সিনহা (লখনউ): কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজনাথ সিং ২০১৪ সালে এই কেন্দ্রে বিপুল ভোট পেয়ে জিতেছিলেন। কিন্তু এইবার তাঁর লড়াইটা কঠিন করে দিয়েছেন প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহার স্ত্রী পুণম সিনহা। তাঁকেই এইবার প্রার্থী করেছে সপা-বসপা জোট। এই কেন্দ্রে ৩.৫ লক্ষ মুসলিম ভোটের সঙ্গে সঙ্গে ৪ লক্ষ কায়স্থ ও ১.৩ লক্ষ সিন্ধি ভোট রয়েছে। যা পুনম তাঁর সিন্ধি বংশ পরিচয় ও শত্রুঘ্নের কায়স্থ বংশ পরিচয়-কে কাজে লাগিয়ে নিজের দিকে আনতে পারবেন বলে মনে করছে সপা-বসপা।

জিতিন প্রসাদ বনাম রেখা ভার্মা বনাম আর্শাদ সিদ্দিকি (ধৌরহ্রা): ২০০৯ সালে এই কেন্দ্রে জয় পেয়েছিলেন কংগ্রেসের নতুন প্রজন্মের নেতা জিতিন প্রসাদ। কিন্তু ২০১৪ সালে বিজেপি-র রেখা ভার্মার বিরুদ্ধে পরাজিত হন তিনি। এইবার কেন্দ্রটি পুনরায় জেতার লক্ষ্যে নেমেছেন তিনি। এই কেন্দ্রে মহাগোটবন্ধন প্রার্থী করেছে প্রাক্তন বসপা সাংসদ ইলিয়াস আজমির পুত্র আর্শাদ সিদ্দিকি-কে।

জিতিন প্রসাদ বনাম রেখা ভার্মা বনাম আর্শাদ সিদ্দিকি (ধৌরহ্রা): ২০০৯ সালে এই কেন্দ্রে জয় পেয়েছিলেন কংগ্রেসের নতুন প্রজন্মের নেতা জিতিন প্রসাদ। কিন্তু ২০১৪ সালে বিজেপি-র রেখা ভার্মার বিরুদ্ধে পরাজিত হন তিনি। এইবার কেন্দ্রটি পুনরায় জেতার লক্ষ্যে নেমেছেন তিনি। এই কেন্দ্রে মহাগোটবন্ধন প্রার্থী করেছে প্রাক্তন বসপা সাংসদ ইলিয়াস আজমির পুত্র আর্শাদ সিদ্দিকি-কে।

রাজীব প্রতাপ রুডি বনাম চন্দ্রিকা রাই (সরণ): সরণ কেন্দ্রটি আগে পরিচিত ছিল চাপড়া লোকসভা কেন্দ্র হিসেবে। যেখান থেকে একাধিকবার জয়ী হয়েছেন আরজেডি সুপ্রিমো লালুপ্রসাদ যাদব। গত লোকসভা নির্বাচনে অবশ্য বিদেপির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজীব প্রতাপ রুডি পরাজিত করেছিলেন বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রাবরি দেবীকে। এইবার এই কেন্দ্রে আরজেডি প্রার্থী হয়েছেন লালুর বেয়াই চন্দ্রিকা রাই।

রাজীব প্রতাপ রুডি বনাম চন্দ্রিকা রাই (সরণ): সরণ কেন্দ্রটি আগে পরিচিত ছিল চাপড়া লোকসভা কেন্দ্র হিসেবে। যেখান থেকে একাধিকবার জয়ী হয়েছেন আরজেডি সুপ্রিমো লালুপ্রসাদ যাদব। গত লোকসভা নির্বাচনে অবশ্য বিদেপির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজীব প্রতাপ রুডি পরাজিত করেছিলেন বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রাবরি দেবীকে। এইবার এই কেন্দ্রে আরজেডি প্রার্থী হয়েছেন লালুর বেয়াই চন্দ্রিকা রাই।

রাজ্যবর্ধন সিং রাঠোর বনাম কৃষ্ণা পুনিয়া (জয়পুর গ্রামীন): জয়পুর গ্রামীন কেন্দ্রের লড়াইটা দুই ক্রীড়াবিদের লড়াই। কংগ্রেস প্রার্থী কৃষ্ণা পুনিয়া ডিসকাস থ্রোয়িং-এ কমনওয়েলথ গেমসে স্বর্ণপজক জিতেছিলেন। আর কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী তথা বিজেপি প্রার্থী কর্নেল রাঠোর শ্যুটিংয়ে অলিম্পিক রুপো জিতেছিলেন।

রাজ্যবর্ধন সিং রাঠোর বনাম কৃষ্ণা পুনিয়া (জয়পুর গ্রামীন): জয়পুর গ্রামীন কেন্দ্রের লড়াইটা দুই ক্রীড়াবিদের লড়াই। কংগ্রেস প্রার্থী কৃষ্ণা পুনিয়া ডিসকাস থ্রোয়িং-এ কমনওয়েলথ গেমসে স্বর্ণপজক জিতেছিলেন। আর কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী তথা বিজেপি প্রার্থী কর্নেল রাঠোর শ্যুটিংয়ে অলিম্পিক রুপো জিতেছিলেন।

অর্জুন রাম মেঘওয়াল বনাম মদন গোপাল মেঘওয়াল (বিকানের): এই কেন্দ্রে লড়াই এবার দুই ভাইয়ের। ২০০৯ সালে সরকারি চাকরি ছেড়ে প্রাক্তন আইএএস অর্জুন রাম মেঘওয়াল বিজেপি প্রার্থী হয়ে এই কেন্দ্রে প্রার্থী হয়ে জয় পেয়েছিলেন। এবার তাঁর বিরুদ্ধে তাঁর তুতো ভাই মদন গোপাল মেঘওয়াল-কে প্রার্থী করেছে কংগ্রেস।

অর্জুন রাম মেঘওয়াল বনাম মদন গোপাল মেঘওয়াল (বিকানের): এই কেন্দ্রে লড়াই এবার দুই ভাইয়ের। ২০০৯ সালে সরকারি চাকরি ছেড়ে প্রাক্তন আইএএস অর্জুন রাম মেঘওয়াল বিজেপি প্রার্থী হয়ে এই কেন্দ্রে প্রার্থী হয়ে জয় পেয়েছিলেন। এবার তাঁর বিরুদ্ধে তাঁর তুতো ভাই মদন গোপাল মেঘওয়াল-কে প্রার্থী করেছে কংগ্রেস।

জয়ন্ত সিনহা বনাম গোপাল সাহু বনাম ভুবনেশ্বর মেহতা (হাজারিবাগ): ২০১৪ সালে হাজাপিবাগ কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে জয় পেয়েছিলেন প্রাক্তন বিজেপি নেতা যশবন্ত সিনহার পুত্র জয়ন্ত সিনহা। তাঁর বিরুদ্ধে মহাগোটবন্ধনের সমর্থনে কংগ্রেস গোপাল সাহুকে প্রার্থী করেছেন। সেই সঙ্গে এখানে সিপিআই প্রার্থী ভুবনেশ্বর মেহতা-ও কঠিন লড়াই ছুঁড়ে দেবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

জয়ন্ত সিনহা বনাম গোপাল সাহু বনাম ভুবনেশ্বর মেহতা (হাজারিবাগ): ২০১৪ সালে হাজাপিবাগ কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে জয় পেয়েছিলেন প্রাক্তন বিজেপি নেতা যশবন্ত সিনহার পুত্র জয়ন্ত সিনহা। তাঁর বিরুদ্ধে মহাগোটবন্ধনের সমর্থনে কংগ্রেস গোপাল সাহুকে প্রার্থী করেছেন। সেই সঙ্গে এখানে সিপিআই প্রার্থী ভুবনেশ্বর মেহতা-ও কঠিন লড়াই ছুঁড়ে দেবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

বাবুলাল মারান্ডি বনাম অন্নপূর্ণা দেবী (কোডার্মা): ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা ঝাড়খণ্ড বিকাশ মোর্চা (প্রজাতান্ত্রিক)-এর নেতা বাবুলাল মারান্ডি-কে কোডার্মা কেন্দ্রে সমর্থম দিচ্ছে কংগ্রেস ও ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা - দুই দলই। তাঁর বিরুদ্ধে এইবার বিজেপি গতবারের জয়ী প্রার্থী ও প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি রবীন্দ্র রাই-কে বসিয়ে প্রার্থী করেছে ছমাস আগেও ঝাড়খণ্ডে আরজেডির সভাপতি হিসেবে কাজ করা অন্নপূর্ণা দেবীকে।

বাবুলাল মারান্ডি বনাম অন্নপূর্ণা দেবী (কোডার্মা): ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা ঝাড়খণ্ড বিকাশ মোর্চা (প্রজাতান্ত্রিক)-এর নেতা বাবুলাল মারান্ডি-কে কোডার্মা কেন্দ্রে সমর্থম দিচ্ছে কংগ্রেস ও ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা - দুই দলই। তাঁর বিরুদ্ধে এইবার বিজেপি গতবারের জয়ী প্রার্থী ও প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি রবীন্দ্র রাই-কে বসিয়ে প্রার্থী করেছে ছমাস আগেও ঝাড়খণ্ডে আরজেডির সভাপতি হিসেবে কাজ করা অন্নপূর্ণা দেবীকে।

দীনেশ ত্রিবেদী বনাম অর্জুন সিং (ব্যারাকপুর): পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুর কেন্দ্রটি এইবার কৌতূহলের চরমে রয়েছে। এই কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী প্রাক্তন রেলমন্ত্রী তথা দুইবারের জয়ী দীনেশ ত্রিবেদী। তাঁর বিরুদ্ধে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন তৃণমূলের হয়ে বেশ কয়েকবার বিধায়ক নির্বাচিত হওয়া অর্জুন সিং। লোকসভা ভোটের ঠিক আগেই তিনি বিজেপি-তে যোগ দিয়েছিলেন।

দীনেশ ত্রিবেদী বনাম অর্জুন সিং (ব্যারাকপুর): পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুর কেন্দ্রটি এইবার কৌতূহলের চরমে রয়েছে। এই কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী প্রাক্তন রেলমন্ত্রী তথা দুইবারের জয়ী দীনেশ ত্রিবেদী। তাঁর বিরুদ্ধে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন তৃণমূলের হয়ে বেশ কয়েকবার বিধায়ক নির্বাচিত হওয়া অর্জুন সিং। লোকসভা ভোটের ঠিক আগেই তিনি বিজেপি-তে যোগ দিয়েছিলেন।

loader