BJP vs TMC: মোদীর সভার আগেই উত্তপ্ত কলকাতার গুরুত্বপূর্ণ এলাকা গিরিশপার্ক। বিজেপি আর তৃণমূলের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। ভাঙচুর করা হয় রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়়িতে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভার আগেই তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল গিরিশ পার্ক এলাকা। রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী শশী পাঁজার বাড়ির সামনেই দুই রাজনৈতিক দলের সদস্যদের মধ্যে মারামারি হয়। শশী পাঁজার বাড়ি লক্ষ্য হামলা চালায়। রাজনৈতিক কর্মীদের পাশাপাশি আক্রান্ত হয় পুলিশও। ব়্যাফও মোতায়েন করা হয়।
উত্তপ্ত গিরিশ পার্ক
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনসভায় দলীয় নেতা কর্মীরা মিছিল করে যাচ্ছিল। গিরিশ পার্কে শশী পাঁজার বাড়ির সামনে বিজেপির মিছিল লক্ষ্য করে ইঁট পাথর ছোঁড়া হয় বলে অভিযোগ বিজেপি নেতা কর্মীদের। এই ঘটনার পরই পাল্টা শশী পাঁজার বাড়ি লক্ষ্য করে হামলা চালান হয়। শশী পাঁজার বাড়িতেও ভাঙচুর চালান হয় বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি ক্রমশই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রীতিমত উত্তপ্ত হয়ে পড়ে গিরিশপার্ক। এলাকায় দিয়ে যান চলাচলও ব্যাহত হয়।
শশী পাঁজার বয়ান
এই ঘটনায় রীতিমত ক্ষুব্ধ রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা। তিনি জানিয়েছেন, তাঁর বাড়ি লক্ষ্য করে হামলা চালান হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ তাঁর বাড়ির ভিরত যায়। বাড়ির একটি কাচের জানলা ভাঙচুর করা হয়েছে। গেটেও ইটের দাঁগ স্পষ্ট। শশী পাঁজা জানিয়েছেন, গুন্ডাদের নিয়ে বিজেপি সভা করেছে ব্রিগেডে। তিনি বলেন, 'এরা খুন। আমার ওপরেও হামলা চালান হচ্ছে।' পাল্টা বিজেপি কর্মীরা জানাচ্ছেন, তাঁদের ওপর আগে হামলা চালান হয়েছিল। রাজ্যে পরিবর্তন হচ্ছে। আর তা রুখতে তৃণমূল ব্যর্থ বলেই তাদের ওপর হামলা চালান হয়। শশী পাঁজা পাল্টা জানিয়েছেন, তাঁর মোবাইলে হামলাকারীদের ছবি তোলা রয়েছে। সেগুলি দিয়েই এফআইআর করা হবে। পুলিশই ব্যবস্থা নেবে।
বিজেপির অভিযোগ
এই ঘটনায় বিজেপি সরাসরি অভিযোগের আঙুল তুলেছে তৃণমূলের দিকে। তাদের কথায় মোদীর সভায় যেতে বাধা দেওয়ার জন্যই তৃণমূল হামলা চালিয়েছে। বিজেপির মিছিলের বাসও ভাঙচুর করা হয়েছে। পুলিশ অশান্তি রুখতে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। পুলিশ তৃণমূলের হয়ে কাজ করেছে। স্থানীয় কাউন্সিলর এই ঘটনার পরই ব্রিগেড থেকে চলে আসেন। তিনি বলেন রাজ্যের সরকার আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে ব্যর্থ বলেও অভিযোগ করেন। তাঁর কথায় পুলিশ গোটা ঘটনায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখেছে। বিজেপির এক কর্মী দাবি করেছেন, তাদের পক্ষের ২০-৩০ জন আহত হয়েছে। পাল্টা তৃণমূলও দাবি করেছে তাদেরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে।
