দর্শকদের হাসিয়ে মন জয় করবেন, কেন এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন চার্লি

First Published 16, Apr 2020, 5:23 PM

বিশ্বের বিখ্যাত কমেডিয়ান চার্লি চ্যাপলিনের জীবনের ছবিটা ছিল ঠিক উল্টো। মুখে হাসি নিয়ে যে মানুষটি পর্দার সামলেউপস্থিত হলেই হাসির জোয়ের ভাসত আট থেকে আশি, সেই অভিনেতাকেই গ্রাস করেছিল অবসাদ, দুঃখ, কষ্ঠ। জন্ম থেকেই জীবন যুদ্ধে জড়িয়েছিলেন তিনি। সেখান থেকেই নিয়েছিলেন সিদ্ধান্ত হার মানবেন না। মানুষকে হাসানোই হবে তাঁর ধর্ম। 
চার্লি প্রথম থেকেই চেয়েছিলেন অভিনেতা হতে। যাঁর উপস্থিতিতে দর্শকেরা মুহূর্তে ভুলে যান সকল দুঃখ, সেই মানুষটিই সারা জীবন কাটিয়েছিলেন অন্ধকারে। 

চার্লি প্রথম থেকেই চেয়েছিলেন অভিনেতা হতে। যাঁর উপস্থিতিতে দর্শকেরা মুহূর্তে ভুলে যান সকল দুঃখ, সেই মানুষটিই সারা জীবন কাটিয়েছিলেন অন্ধকারে। 

চোখের জল তাঁকে শিখিয়েছিল পরিস্থিতির সঙ্গে লড়াই করতে। মাত্র ৫ বছর বয়সে তিনি লড়াই শুরু করেছিলেন। তাঁর মা গান গাইতেন। 

চোখের জল তাঁকে শিখিয়েছিল পরিস্থিতির সঙ্গে লড়াই করতে। মাত্র ৫ বছর বয়সে তিনি লড়াই শুরু করেছিলেন। তাঁর মা গান গাইতেন। 

একদিন মঞ্চেই বসে যায় মায়ের গলা। মুহূর্তে খেপে গিয়েছিল দর্শকেরা। তাঁরা রীতিমত তাঁর মাকে লক্ষ করে করতে থাকে কটুক্তি। 

একদিন মঞ্চেই বসে যায় মায়ের গলা। মুহূর্তে খেপে গিয়েছিল দর্শকেরা। তাঁরা রীতিমত তাঁর মাকে লক্ষ করে করতে থাকে কটুক্তি। 

পরিস্থিতি সামাল দিতে এগিয়ে গিয়েছিলেন ছোট্ট চার্লি। তাঁর সেই প্রয়াস থেকে খুশি হয়েছিলেন দর্শকেরা। ভরিয়ে দিয়েছিলেন টাকা। 

পরিস্থিতি সামাল দিতে এগিয়ে গিয়েছিলেন ছোট্ট চার্লি। তাঁর সেই প্রয়াস থেকে খুশি হয়েছিলেন দর্শকেরা। ভরিয়ে দিয়েছিলেন টাকা। 

এরপর থেকেই শুরু হয় নতুন যুদ্ধ। মা-বাবার হয় ডিভোর্স। মা হয়ে পড়েন মানসিক রোগি। সেই পরিস্থিতিতে ছোট ছোট কাজ করা শুরু করেন ছোট্ট চার্লি। 

এরপর থেকেই শুরু হয় নতুন যুদ্ধ। মা-বাবার হয় ডিভোর্স। মা হয়ে পড়েন মানসিক রোগি। সেই পরিস্থিতিতে ছোট ছোট কাজ করা শুরু করেন ছোট্ট চার্লি। 

সেখান থেকেই শুরু হয় যুদ্ধ। ছোটবেলায় মা-বাবার বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। মা মানসিক রোগি হয়ে পড়েন। 

সেখান থেকেই শুরু হয় যুদ্ধ। ছোটবেলায় মা-বাবার বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। মা মানসিক রোগি হয়ে পড়েন। 

পড়তে তাঁর ভালো লাগত না। তিনি অভিনয়ের স্বপ্ন দেখতেন। এমনই সময় একদিন তিনি স্টেজে অভিনয় করছিলেন ব্ল্যাক বুক থিয়েটরে। সেখানেই চোখে পড়েন তিনি পরিচালক হ্যামলেটের।

পড়তে তাঁর ভালো লাগত না। তিনি অভিনয়ের স্বপ্ন দেখতেন। এমনই সময় একদিন তিনি স্টেজে অভিনয় করছিলেন ব্ল্যাক বুক থিয়েটরে। সেখানেই চোখে পড়েন তিনি পরিচালক হ্যামলেটের।

সেখান থেকেই শুরু হয় তাঁর অভিনয়। প্রথমে শার্লক হোমসে তিনি অভিনয় করেন। পড়তে পারতেন না সংলাপ। তাঁকে মুখস্থ করাতে হত। এমনই পরিস্থিতিতে সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় চার্লির উচ্চতা ও শরীরের গড়ন। 

সেখান থেকেই শুরু হয় তাঁর অভিনয়। প্রথমে শার্লক হোমসে তিনি অভিনয় করেন। পড়তে পারতেন না সংলাপ। তাঁকে মুখস্থ করাতে হত। এমনই পরিস্থিতিতে সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় চার্লির উচ্চতা ও শরীরের গড়ন। 

তিনি বুঝে গিয়েছিলেন তাঁকে বদল করতে হবে অভিনয়ের ধারা। তখন বিশ্ব যুদ্ধের দাপটে মানুষ ভুলতে বসেছে হাসি। সেই মুহূর্তেই তিনি স্থির করেছিলেন নিজের জীবনের কষ্ট পর্দায় হাসির জোয়ার এসে কাটিয়ে উঠবেন তিনি। সেখান থেকে যাত্রা শুরু অভিনেতার। 

তিনি বুঝে গিয়েছিলেন তাঁকে বদল করতে হবে অভিনয়ের ধারা। তখন বিশ্ব যুদ্ধের দাপটে মানুষ ভুলতে বসেছে হাসি। সেই মুহূর্তেই তিনি স্থির করেছিলেন নিজের জীবনের কষ্ট পর্দায় হাসির জোয়ার এসে কাটিয়ে উঠবেন তিনি। সেখান থেকে যাত্রা শুরু অভিনেতার। 

loader