১৭ তারিখ ফিরছে ইপিএল, চোখ বুলিয়ে নিন প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসের সেরা ১০ গোলকিপারদের ওপর

First Published 16, Jun 2020, 11:39 AM

করোনা আবহেই ১৭ জুন থেকে ফিরতে চলেছে প্রিমিয়ার লিগ। প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি শেফিল্ড ইউনাইটেড এবং অ্যাস্টন ভিলা। পুনরায় শুরুর আগে চিনে নিন শতাব্দী প্রাচীন লিগের  ইতিহাসের সেরা ১০ গোলকিপারদের।
 

<p><strong>১০. ডেভিড জেমস-</strong><br />
প্রিমিয়ার লিগের সেরা গোলকিপারদের মধ্যে একজন। পোর্টসমাউথের হয়ে অসংখ্য ম্যাচ খেলেছিলেন তিনি। দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন। ২০১০ সালে ক্লাব ছাড়েন তিনি। প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে সবথেকে বেশিবার গোলশূন্য থাকার রেকর্ডটি তিনিই দখল করে রেখেছেন। <br />
 </p>

১০. ডেভিড জেমস-
প্রিমিয়ার লিগের সেরা গোলকিপারদের মধ্যে একজন। পোর্টসমাউথের হয়ে অসংখ্য ম্যাচ খেলেছিলেন তিনি। দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন। ২০১০ সালে ক্লাব ছাড়েন তিনি। প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে সবথেকে বেশিবার গোলশূন্য থাকার রেকর্ডটি তিনিই দখল করে রেখেছেন। 
 

<p><strong>৯. শায় গিভেন-</strong><br />
আইরিশ গোলকিপার কে দেখা হয় নিউকাসেলের অন্যতম সেরা নায়ক হিসেবে। একাধিক বার নিউকাসেলকে ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতার জন্য যোগ্যতা অর্জন করানোয় মুখ্য ভূমিকা নিয়েছেন। শূন্যে বল কালেক্ট করায় মাঝে মাঝে সমস্যায় পড়তেন কিন্তু শক্তিশালী শট বাঁচানোয় তার জুড়ি মেলা ভার। </p>

৯. শায় গিভেন-
আইরিশ গোলকিপার কে দেখা হয় নিউকাসেলের অন্যতম সেরা নায়ক হিসেবে। একাধিক বার নিউকাসেলকে ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতার জন্য যোগ্যতা অর্জন করানোয় মুখ্য ভূমিকা নিয়েছেন। শূন্যে বল কালেক্ট করায় মাঝে মাঝে সমস্যায় পড়তেন কিন্তু শক্তিশালী শট বাঁচানোয় তার জুড়ি মেলা ভার। 

<p><strong>৮.পিটার চেক-</strong><br />
প্রিমিয়ার লিগে যখন খেলা শুরু করেন তখন তেমন পরিচিত মুখ ছিলেন না। চেক প্রজাতন্ত্রের এই গোলকিপার কে ফ্রান্সের ক্লাব রেনেস থেকে ৭ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে সই করিয়েছিল চেলসি। তার ওপর করা ভরসার মান রেখেছিলেন চেক। মাত্র ১৫ টি গোল খেয়ে নিজের প্রথম মরশুমে চেলসি কে প্রিমিয়ার লিগ খেতাব জিততে সাহায্য করেন তিনি। প্রিমিয়ার লিগে টানা ১০০০ মিনিট গোল না খাওয়ার রেকর্ড আছে তার। পরে নিজের শেষ কয়েক মরশুম আর্সেনালে কাটিয়েছেন। চেলসিতে নিজের সাফল্য কে আর্সেনালে প্রতিফলিত করতে না পারলেও মোটের ওপর মন্দ খেলেননি তিনি। <br />
 </p>

৮.পিটার চেক-
প্রিমিয়ার লিগে যখন খেলা শুরু করেন তখন তেমন পরিচিত মুখ ছিলেন না। চেক প্রজাতন্ত্রের এই গোলকিপার কে ফ্রান্সের ক্লাব রেনেস থেকে ৭ মিলিয়ন ইউরোর বিনিময়ে সই করিয়েছিল চেলসি। তার ওপর করা ভরসার মান রেখেছিলেন চেক। মাত্র ১৫ টি গোল খেয়ে নিজের প্রথম মরশুমে চেলসি কে প্রিমিয়ার লিগ খেতাব জিততে সাহায্য করেন তিনি। প্রিমিয়ার লিগে টানা ১০০০ মিনিট গোল না খাওয়ার রেকর্ড আছে তার। পরে নিজের শেষ কয়েক মরশুম আর্সেনালে কাটিয়েছেন। চেলসিতে নিজের সাফল্য কে আর্সেনালে প্রতিফলিত করতে না পারলেও মোটের ওপর মন্দ খেলেননি তিনি। 
 

<p><strong>৭. মার্ক স্কোয়াজার-</strong><br />
প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে সেরা গোলকিপারদের একজন। তিনি প্রথম নজরে পড়েন মিডিলসব্রো ক্লাবের হয়ে খেলার সময়। তাদের ইউরোপা লিগে যোগ্যতা অর্জন করানোয় মুখ্য ভূমিকা নিয়েছিলেন তিনি। মিডিলসব্রো-এর ছোট দলের হয়ে করেছিলেন নজরকাড়া পারফরম্যান্স। ১১ বছর মিডিলসব্রোতে খেলার পর ফুলহ‍্যামে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। <br />
 </p>

৭. মার্ক স্কোয়াজার-
প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে সেরা গোলকিপারদের একজন। তিনি প্রথম নজরে পড়েন মিডিলসব্রো ক্লাবের হয়ে খেলার সময়। তাদের ইউরোপা লিগে যোগ্যতা অর্জন করানোয় মুখ্য ভূমিকা নিয়েছিলেন তিনি। মিডিলসব্রো-এর ছোট দলের হয়ে করেছিলেন নজরকাড়া পারফরম্যান্স। ১১ বছর মিডিলসব্রোতে খেলার পর ফুলহ‍্যামে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। 
 

<p><strong>৬. এডউইন ভ্যান ডার সার-</strong><br />
ফুলহ‍্যামের হয়ে ১০০ টির-ও বেশি ম্যাচ খেলার পর ২০০৫ এ যোগ দিয়েছিলেন স্যার আলেক্স ফার্গুসনের ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে। সেখানে ৬ মরশুম খেলে ৪ বার প্রিমিয়ার লিগ জেতেন তিনি। নিজেকে অন্য উচ্চতায় তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন ম্যান ইউ-এর জার্সি গায়ে। ওল্ড ট্রাফোর্ডে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ আনতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল তার। ধীরে ধীরে পরিণত হয়েছিলেন ম্যান ইউ এর সর্বকালের সেরা দের মধ্যে একজনে। <br />
 </p>

৬. এডউইন ভ্যান ডার সার-
ফুলহ‍্যামের হয়ে ১০০ টির-ও বেশি ম্যাচ খেলার পর ২০০৫ এ যোগ দিয়েছিলেন স্যার আলেক্স ফার্গুসনের ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে। সেখানে ৬ মরশুম খেলে ৪ বার প্রিমিয়ার লিগ জেতেন তিনি। নিজেকে অন্য উচ্চতায় তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন ম্যান ইউ-এর জার্সি গায়ে। ওল্ড ট্রাফোর্ডে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ আনতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল তার। ধীরে ধীরে পরিণত হয়েছিলেন ম্যান ইউ এর সর্বকালের সেরা দের মধ্যে একজনে। 
 

<p><strong>৫. ব্র্যাড ফ্রিডল- </strong><br />
প্রিমিয়ার লিগের অন্যতম জনপ্রিয় গোলকিপার। ১৯৯৭ সালে সই করেছিলেন লিভারপুলে। সেখানে তেমন প্রভাব ফেলতে পারেননি। ২০০০ সালে সই করেন ব্ল্যাকবোর্ন রোভার্সে। রেলিগেশনে হয়ে যাওয়া ব্ল্যাকবোর্নকে মূল লিগে যোগ্যতা অর্জন করাতে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন তিনি। ২০০৩ সালে প্রিমিয়ার লিগের বর্ষসেরা খেলোয়াড় হন। এরপরও খেলেছিলেন অ্যাস্টন ভিলা এবং স্পার্সের হয়ে। <br />
 </p>

৫. ব্র্যাড ফ্রিডল- 
প্রিমিয়ার লিগের অন্যতম জনপ্রিয় গোলকিপার। ১৯৯৭ সালে সই করেছিলেন লিভারপুলে। সেখানে তেমন প্রভাব ফেলতে পারেননি। ২০০০ সালে সই করেন ব্ল্যাকবোর্ন রোভার্সে। রেলিগেশনে হয়ে যাওয়া ব্ল্যাকবোর্নকে মূল লিগে যোগ্যতা অর্জন করাতে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন তিনি। ২০০৩ সালে প্রিমিয়ার লিগের বর্ষসেরা খেলোয়াড় হন। এরপরও খেলেছিলেন অ্যাস্টন ভিলা এবং স্পার্সের হয়ে। 
 

<p><strong>৪.নাইজেল মার্টিন-</strong><br />
ক্রিস্টাল প্যালেস এবং লিডস-এর হয়ে খেলা এই গোলকিপার দুবার প্রিমিয়ার লিগের সবচেয়ে দামি গোলকিপারে পরিণত হয়েছিলেন। কেরিয়ারে মোট তিনটি ক্লাবের হয়ে ইপিএলে খেলেছেন তিনি। ক্রিস্টাল প্যালেসে কেরিয়ার শুরু করে গিয়েছিলেন লিডস ইউনাইটেডে। শেষে এভার্টনে গিয়ে অবসর নেন। লিডস ইউনাইটেড তার পারফরম্যান্সের ওপর ভর করে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমিফাইনাল অবধি পৌঁছয়। ইংল্যান্ডের হয়েও ২৩ টি ম্যাচ খেয়েছিলেন তিনি। <br />
 </p>

৪.নাইজেল মার্টিন-
ক্রিস্টাল প্যালেস এবং লিডস-এর হয়ে খেলা এই গোলকিপার দুবার প্রিমিয়ার লিগের সবচেয়ে দামি গোলকিপারে পরিণত হয়েছিলেন। কেরিয়ারে মোট তিনটি ক্লাবের হয়ে ইপিএলে খেলেছেন তিনি। ক্রিস্টাল প্যালেসে কেরিয়ার শুরু করে গিয়েছিলেন লিডস ইউনাইটেডে। শেষে এভার্টনে গিয়ে অবসর নেন। লিডস ইউনাইটেড তার পারফরম্যান্সের ওপর ভর করে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমিফাইনাল অবধি পৌঁছয়। ইংল্যান্ডের হয়েও ২৩ টি ম্যাচ খেয়েছিলেন তিনি। 
 

<p><strong>৩. জুসি জাস্কলাইনেন-</strong><br />
 বোল্টন ওয়ান্ডারার্স-এর হয়ে ৪০০ টি ম্যাচ খেলেছিলেন ইপিএলে। প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে সবথেকে পরিশ্রমী গোলকিপারদের একজন। বোল্টনের মতো ছোট দল-কে দীর্ঘদিন ধরে প্রিমিয়ার লিগে অবনমনের হাত থেকে বাঁচিয়ে এসেছেন তিনি। প্রিমিয়ার লিগে পুরোনো ভক্তদের কাছে তিনি প্রিমিয়ার লিগের অন্যতম সেরা গোলকিপার। </p>

৩. জুসি জাস্কলাইনেন-
 বোল্টন ওয়ান্ডারার্স-এর হয়ে ৪০০ টি ম্যাচ খেলেছিলেন ইপিএলে। প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে সবথেকে পরিশ্রমী গোলকিপারদের একজন। বোল্টনের মতো ছোট দল-কে দীর্ঘদিন ধরে প্রিমিয়ার লিগে অবনমনের হাত থেকে বাঁচিয়ে এসেছেন তিনি। প্রিমিয়ার লিগে পুরোনো ভক্তদের কাছে তিনি প্রিমিয়ার লিগের অন্যতম সেরা গোলকিপার। 

<p><strong>২. ডেভিড সিম্যান-</strong><br />
প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে অন্যতম সেরা গোলকিপার। আর্সেনালের হয়ে প্রচুর স্মরণীয় পারফরম্যান্স রয়েছে তার। দু বার প্রিমিয়ার লিগ-এফ এ কাপ এর ডাবল জিততে আর্সেনালকে সাহায্য করেছিলেন তিনি। আর্সেনালের হয়ে ৩০০ ম্যাচ খেলে শেষে ম্যান সিটি-তে খেলে অবসর নেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে ইংল্যান্ড জাতীয় দলের প্রধান গোলরক্ষকের ভুমিকা পালন করেছেন তিনি। <br />
 </p>

২. ডেভিড সিম্যান-
প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে অন্যতম সেরা গোলকিপার। আর্সেনালের হয়ে প্রচুর স্মরণীয় পারফরম্যান্স রয়েছে তার। দু বার প্রিমিয়ার লিগ-এফ এ কাপ এর ডাবল জিততে আর্সেনালকে সাহায্য করেছিলেন তিনি। আর্সেনালের হয়ে ৩০০ ম্যাচ খেলে শেষে ম্যান সিটি-তে খেলে অবসর নেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে ইংল্যান্ড জাতীয় দলের প্রধান গোলরক্ষকের ভুমিকা পালন করেছেন তিনি। 
 

<p><strong>১.পিটার সেমিখেল-</strong><br />
প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে সেরা গোলকিপার। নয় বছর কাটিয়েছেন ম্যান ইউ-তে। একাধিক বার লিগ জিতেছেন তাদের হয়ে। ১৯৯৯ এ ম্যান ইউ-এর ত্রিমুকুট জয়ী দলের অন্যতম সদস্য তিনি। শুধু গোলকিপিং হয়, পেছন থেকে ডিফেন্স কে নানারকম নির্দেশ দিয়ে সাহায্য করতেন তিনি। ইপিএলে একটি গোলও আছে তার পরবর্তীকালে অ্যাস্টন ভিলার হয়ে। তার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সেভ ইউনাইটেড কে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জয় এনে দিয়েছে। নির্দ্বিধায় তিনি ইপিএলের সর্বকালের সেরা গোলকিপার।</p>

১.পিটার সেমিখেল-
প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে সেরা গোলকিপার। নয় বছর কাটিয়েছেন ম্যান ইউ-তে। একাধিক বার লিগ জিতেছেন তাদের হয়ে। ১৯৯৯ এ ম্যান ইউ-এর ত্রিমুকুট জয়ী দলের অন্যতম সদস্য তিনি। শুধু গোলকিপিং হয়, পেছন থেকে ডিফেন্স কে নানারকম নির্দেশ দিয়ে সাহায্য করতেন তিনি। ইপিএলে একটি গোলও আছে তার পরবর্তীকালে অ্যাস্টন ভিলার হয়ে। তার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সেভ ইউনাইটেড কে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জয় এনে দিয়েছে। নির্দ্বিধায় তিনি ইপিএলের সর্বকালের সেরা গোলকিপার।

loader