পোখরানে নাগ মিসাইলের সফল পরীক্ষা, চিনকে জবাব দিতে দেশীয় প্রযুক্তিতে ভরসা প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের

First Published 22, Oct 2020, 12:50 PM

আত্মনির্ভর ভারত প্রকল্পে আরও এক সাফল্যের মুখ দেখল ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের তৈরি নাগ অ্যান্টি ট্যাঙ্ক মিসাইলের সফল উৎপেক্ষণ হয়। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে পোখরানে এটির সফল উৎক্ষেপণ হয়। তারপরই ভারতীয় সেনা বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা শুরু হয়েছে। 
 

<p><strong>পূর্ব লাদাখ সেক্টরে চিনা সেনার সঙ্গে চলমান বিবাদের মধ্যেই ভারত ধীরে ধীরে &nbsp;সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকালে পোখরানে আরও একবার তার প্রমাণ মিলল। এদিন নাগ &nbsp;অ্যান্টি ট্যাঙ্ক মিসাইলের সফল উৎক্ষেপণ হয়।&nbsp;</strong><br />
&nbsp;</p>

পূর্ব লাদাখ সেক্টরে চিনা সেনার সঙ্গে চলমান বিবাদের মধ্যেই ভারত ধীরে ধীরে  সামরিক শক্তি বাড়াচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকালে পোখরানে আরও একবার তার প্রমাণ মিলল। এদিন নাগ  অ্যান্টি ট্যাঙ্ক মিসাইলের সফল উৎক্ষেপণ হয়। 
 

<p><strong>পোখরান সেনা রেঞ্জের একটি ডাব ট্যাঙ্কের লাইভ ওয়ারহেড ব্যবহার করে নাগ অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক মিসাইলের পরীক্ষা করে দেখা হয়। আর সেই পরীক্ষায় ফুলমার্কস পেয়েই নাগ মিসাইলন পাশ করছে বলে সেনা সূত্রে খবর। এখনন অপেক্ষা ভারতীয় সেনায় এই মিসইল অন্তর্ভুক্তির।&nbsp;</strong><br />
&nbsp;</p>

পোখরান সেনা রেঞ্জের একটি ডাব ট্যাঙ্কের লাইভ ওয়ারহেড ব্যবহার করে নাগ অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক মিসাইলের পরীক্ষা করে দেখা হয়। আর সেই পরীক্ষায় ফুলমার্কস পেয়েই নাগ মিসাইলন পাশ করছে বলে সেনা সূত্রে খবর। এখনন অপেক্ষা ভারতীয় সেনায় এই মিসইল অন্তর্ভুক্তির। 
 

<p><strong>সেনা সূত্রে খবর ক্ষেপণাস্ত্রটি এখন ভারতীয় সেনার অন্তর্ভুক্তির জন্য সম্পূর্ণ রূপে তৈরি। এটি শত্রু দেশের ট্যাঙ্ক বা সাঁজোয়া গাড়ি ধ্বংস করতে সক্ষম। সেনাবাহিনীর সূত্রে খবর দীর্ঘ দিন ধরেই এমন একটি মিসাইলের সন্ধান চালাচ্ছিল ভারত। আর এতদিন পরে সাফল্য ধরা দিয়েছে ভারতীয় সেনার হাতে।&nbsp;</strong><br />
&nbsp;</p>

সেনা সূত্রে খবর ক্ষেপণাস্ত্রটি এখন ভারতীয় সেনার অন্তর্ভুক্তির জন্য সম্পূর্ণ রূপে তৈরি। এটি শত্রু দেশের ট্যাঙ্ক বা সাঁজোয়া গাড়ি ধ্বংস করতে সক্ষম। সেনাবাহিনীর সূত্রে খবর দীর্ঘ দিন ধরেই এমন একটি মিসাইলের সন্ধান চালাচ্ছিল ভারত। আর এতদিন পরে সাফল্য ধরা দিয়েছে ভারতীয় সেনার হাতে। 
 

<p><strong>সেনা সূত্র খবর নাগ মিসাইলটি ক্যারিয়ার থেকে বার হওয়ার পর ৪-৭ কিলোমিটার পর্যন্ত যেকোনও টার্গেটকে বিদ্ধ করতে পারবে। এটি তৃতীয় প্রজন্মের অ্যান্টি ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল বলেও দাবি করা হয়েছে।&nbsp;</strong></p>

সেনা সূত্র খবর নাগ মিসাইলটি ক্যারিয়ার থেকে বার হওয়ার পর ৪-৭ কিলোমিটার পর্যন্ত যেকোনও টার্গেটকে বিদ্ধ করতে পারবে। এটি তৃতীয় প্রজন্মের অ্যান্টি ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল বলেও দাবি করা হয়েছে। 

<p><strong>এই মিসাইল পরীক্ষা সফল হওয়ায় ভারতীয় সেনা বাহিনীকে আর ৮-৭ কিলোমিটারের জন্য আমেরিকা বা ইসরায়েলের থেকে মিসাইল কিনতে হবে না। বর্তমানে ভারত মূলত দ্বিতীয় প্রজন্মের মিসাইল ব্যবহার করে।&nbsp;</strong><br />
&nbsp;</p>

এই মিসাইল পরীক্ষা সফল হওয়ায় ভারতীয় সেনা বাহিনীকে আর ৮-৭ কিলোমিটারের জন্য আমেরিকা বা ইসরায়েলের থেকে মিসাইল কিনতে হবে না। বর্তমানে ভারত মূলত দ্বিতীয় প্রজন্মের মিসাইল ব্যবহার করে। 
 

<p><strong>এজাতীয় মিসাইল দিনে রাতে সমান তালে কাজ করতে পারে। রাতের অন্ধকারে প্রতিপক্ষের ট্যাঙ্ক বা সাঁজোয়া গাড়িগুলিকে চিহ্নিত করে আঘাত করতে সক্ষম বলেও সেনাবাহিনী সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এই জাতীয় মিসাইল ভারতীয় পদাতিক বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করবে বলেও দাবি করছে সমর বিশেষজ্ঞরা।&nbsp;</strong><br />
&nbsp;</p>

এজাতীয় মিসাইল দিনে রাতে সমান তালে কাজ করতে পারে। রাতের অন্ধকারে প্রতিপক্ষের ট্যাঙ্ক বা সাঁজোয়া গাড়িগুলিকে চিহ্নিত করে আঘাত করতে সক্ষম বলেও সেনাবাহিনী সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এই জাতীয় মিসাইল ভারতীয় পদাতিক বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করবে বলেও দাবি করছে সমর বিশেষজ্ঞরা।