CONGRESS Vs BJP: বিজেপি মুখপাত্র প্রদীপ ভান্ডারীর অভিযোগ, রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা বঢ়ডা ও তাঁদের মা সোনিয়া গান্ধী তোলাবাজির সঙ্গে যুক্ত। তারা কেসি বেণুগোপালকে ব্যবহার করে হরিয়ানা মহিলা কংগ্রেসের এক নেত্রীর কাছে ৭ কোটি টাকা আদায় করেছেন। 

এবার রাহুল-প্রিয়াঙ্কার বিরুদ্ধে সরাসরি তোলাবাজির অভিযোগ করল বিজেপি। বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র প্রদীপ ভান্ডারী দাবি করেছেন, গান্ধী পরিবারের সদস্যরা ৭ কোটি টাকা বেআইনিভাবে আদায় করেছেন। তাঁর দাবি, প্রিয়াঙ্কা বঢ়ডা, রাহুল গান্ধী এবং কেসি বেণুগোপাল হরিয়ানা কংগ্রেসে নিজেদেরই এক কর্মীর থেকে ৭ কোটি টাকা আদায়ের চেষ্টা করেছিলেন। ভান্ডারীর মতে, এটা কোনও সাধারণ অভিযোগ নয়। হরিয়ানা মহিলা কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদিকার স্বামী নিজে সাংবাদিক বৈঠক করে এই তথ্য প্রকাশ্যে এনেছেন।

প্রেস কনফারেন্সে দেখানো হল WhatsApp চ্যাট

প্রদীপ ভান্ডারীর দাবি, এই ঘটনার কিছু হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটও সামনে আনা হয়েছে। তিনি বলেন, এই চ্যাটগুলিতে প্রিয়াঙ্কা বঢ়ডা পিএ সাদাব খান এবং কেসি বেণুগোপালের পিএ-র মধ্যে কথাবার্তার প্রমাণ রয়েছে। তাঁর মতে, এই নথিগুলির মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়াটি সামনে এসেছে।

Scroll to load tweet…

হরিয়ানা মহিলা কংগ্রেস নেত্রীর থেকে ৭ কোটি আদায়ের দাবি

বিজেপি মুখপাত্রের মতে, হরিয়ানার এক কংগ্রেস নেত্রী নিজেই পুরো বিষয়টি ফাঁস করেছেন। দাবি করা হয়েছে, ওই মহিলা কোনো সাধারণ কর্মী নন, তিনি হরিয়ানা মহিলা কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদিকা ছিলেন। অভিযোগ, বাওয়াল বিধানসভা আসন থেকে টিকিট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁর কাছ থেকে ৭ কোটি টাকা আদায়ের চেষ্টা করা হয়।

গান্ধী পরিবারের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

প্রদীপ ভান্ডারীর আরও দাবি, হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট থেকে এটা স্পষ্ট যে প্রিয়াঙ্কা , রাহুল গান্ধী এবং সোনিয়া গান্ধী কেসি বেণুগোপালকে 'ফ্রন্ট' হিসেবে ব্যবহার করেছেন। তিনি বলেন, কেসি বেণুগোপাল গান্ধী পরিবারের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত, আর সেই কারণেই তাঁকে সামনে রেখে এই পুরো কাজটি করা হয়েছে। বিজেপির অভিযোগ, এই গোটা ঘটনায় গান্ধী-ওয়াধেরা পরিবারের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনো স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া আসেনি।