পৃথিবীর দ্বিতীয় করোনা আক্রান্ত দেশে আশার আলো 'কোভ্যাক্সিন', শুরু হল দ্বিতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল

First Published 8, Sep 2020, 8:12 AM

ব্রাজিলকে পেছনে ফেলে গত রবিবার রাতেই বিশ্বের দ্বিতীয় করোনা আক্রান্ত দেশ হয়ে উঠেছে ভারত। প্রতিদিন রেকর্ড গড়ছে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা। এই অবস্থায় ভ্যাকসিনের দিকে তাকিয়ে দেশবাসী। আর এমন সময়ই মানবদেহে কোভিড-১৯  ভ্যাকসিন ‘কোভ্যাক্সিন’-এর দ্বিতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালের জন্য ভারত বায়োটেক সংস্থাকে অনুমোদন দিল কেন্দ্রীয় ওষুধ নিয়ন্ত্রণ দফতর। নীতি কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষে সোমবার থেকে শুরু হল এই পরীক্ষা।  
 

<p><strong>পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রথম পর্যায়ের হিউম্যান ট্রায়ালের ফলাফল যথেষ্ট আশাব্যঞ্জক। এবার তাই শুরু হতে চলেছে ভারতের প্রথম করোনা টিকা কোভ্যাক্সিন-এর দ্বিতীয় পর্বের ট্রায়াল।</strong></p>

পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রথম পর্যায়ের হিউম্যান ট্রায়ালের ফলাফল যথেষ্ট আশাব্যঞ্জক। এবার তাই শুরু হতে চলেছে ভারতের প্রথম করোনা টিকা কোভ্যাক্সিন-এর দ্বিতীয় পর্বের ট্রায়াল।

<p><strong>জানা গিয়েছে, হায়দরাবাদের প্রতিষেধক নির্মাতা সংস্থা ভারত বায়োটেক &nbsp;ইতিমধ্যেই কোভ্যাক্সিন-এর দ্বিতীয় পর্বের ট্রায়াল শুরু করার অনুমতি পেয়ে গিয়েছে।&nbsp;</strong></p>

জানা গিয়েছে, হায়দরাবাদের প্রতিষেধক নির্মাতা সংস্থা ভারত বায়োটেক  ইতিমধ্যেই কোভ্যাক্সিন-এর দ্বিতীয় পর্বের ট্রায়াল শুরু করার অনুমতি পেয়ে গিয়েছে। 

<p><br />
<strong>জানা গিয়েছে, ১৪ দিনের ব্যবধানে &nbsp;কোভ্যাক্সিন-এর মোট ২টি ডোজ দেওয়া হচ্ছে স্বেচ্ছাসেবকদের। তার পর তাঁদের পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে। টিকা নেওয়ার ২৮ দিন, ৪২ দিন, ১০৪ দিন এবং ১৯৪ দিনের ব্যবধানে স্বেচ্ছাসেবকদের রক্তের নমুনা পরীক্ষা করে দেখা হবে। টিকার কার্যকারিতার মেয়াদ সম্পর্কে ধারণা পেতেই এই বিশেষ পর্যবেক্ষণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।</strong></p>


জানা গিয়েছে, ১৪ দিনের ব্যবধানে  কোভ্যাক্সিন-এর মোট ২টি ডোজ দেওয়া হচ্ছে স্বেচ্ছাসেবকদের। তার পর তাঁদের পর্যবেক্ষণে রাখা হচ্ছে। টিকা নেওয়ার ২৮ দিন, ৪২ দিন, ১০৪ দিন এবং ১৯৪ দিনের ব্যবধানে স্বেচ্ছাসেবকদের রক্তের নমুনা পরীক্ষা করে দেখা হবে। টিকার কার্যকারিতার মেয়াদ সম্পর্কে ধারণা পেতেই এই বিশেষ পর্যবেক্ষণের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

<p><strong>দ্বিতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালে ৩৮০ জন স্বেচ্ছাসেবীর উপর পরীক্ষা করার অনুমতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় বিভাগের সাবজেক্ট এক্সপার্ট কমিটি (এসইসি)। গত ৩ সেপ্টেম্বর এক চিঠিতে হায়দরাবাদে ভারত বায়োটেক সংস্থার প্রধান দফতরকে এই তথ্য জানিয়েছেন যুগ্ম ড্রাগ কন্ট্রোলার এস ঈশ্বর রেড্ডি।</strong></p>

দ্বিতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালে ৩৮০ জন স্বেচ্ছাসেবীর উপর পরীক্ষা করার অনুমতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় বিভাগের সাবজেক্ট এক্সপার্ট কমিটি (এসইসি)। গত ৩ সেপ্টেম্বর এক চিঠিতে হায়দরাবাদে ভারত বায়োটেক সংস্থার প্রধান দফতরকে এই তথ্য জানিয়েছেন যুগ্ম ড্রাগ কন্ট্রোলার এস ঈশ্বর রেড্ডি।

<p><strong>কোভ্যাক্সিন-এর প্রথম পর্যায়ের হিউম্যান ট্রায়ালের প্রধান পর্যবেক্ষক ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেস-এর ডঃ ই ভেঙ্কট রাও জানিয়েছেবন, স্বেচ্ছাসেবকদের রক্তের নমুনা পরীক্ষা করে করোনা-রোধী অ্যান্টিবডির অস্তিত্বের প্রমাণ মিলেছে। একই সঙ্গে এই প্রতিষেধকের প্রয়োগে স্বেচ্ছাসেবকদের শরীরে কোনও বিরূপ প্রভাবও চোখে পড়েনি।</strong></p>

কোভ্যাক্সিন-এর প্রথম পর্যায়ের হিউম্যান ট্রায়ালের প্রধান পর্যবেক্ষক ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেস-এর ডঃ ই ভেঙ্কট রাও জানিয়েছেবন, স্বেচ্ছাসেবকদের রক্তের নমুনা পরীক্ষা করে করোনা-রোধী অ্যান্টিবডির অস্তিত্বের প্রমাণ মিলেছে। একই সঙ্গে এই প্রতিষেধকের প্রয়োগে স্বেচ্ছাসেবকদের শরীরে কোনও বিরূপ প্রভাবও চোখে পড়েনি।

<p><strong>দু’টি পর্যায়ে মোট ১,১০০ জন স্বেচ্ছাসেবকের উপর কোভ্যাক্সিন পরীক্ষামূলক ভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে। এই ট্রায়ালের জন্য হায়দরাবাদের নিজাম ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস, দিল্লি ও পটনার এইএমস-সহ মোট ১২টি প্রতিষ্ঠানকে বেছে নিয়েছে ‘ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চ’।</strong></p>

দু’টি পর্যায়ে মোট ১,১০০ জন স্বেচ্ছাসেবকের উপর কোভ্যাক্সিন পরীক্ষামূলক ভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে। এই ট্রায়ালের জন্য হায়দরাবাদের নিজাম ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস, দিল্লি ও পটনার এইএমস-সহ মোট ১২টি প্রতিষ্ঠানকে বেছে নিয়েছে ‘ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চ’।

<p style="text-align: justify;"><strong>‘ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চ’ এবং ন্যাশনাল ভায়রোলজি ইনস্টিটিউট )-এর গবেষকরা যৌথ ভাবে তৈরি করেছেন ভারতের প্রথম এই করোনা টিকা কোভ্যাক্সিন। এই ভ্যাকসিবনের &nbsp;সুরক্ষা সম্পর্কিত সমস্ত দিক বিস্তারিত ভাবে পরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণ করে সম্পূর্ণ রূপে নিশ্চিত হওয়ার পরেই এটিকে বাজারে ছাড়ার অনুমতি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে আইসিএমআর।</strong></p>

‘ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চ’ এবং ন্যাশনাল ভায়রোলজি ইনস্টিটিউট )-এর গবেষকরা যৌথ ভাবে তৈরি করেছেন ভারতের প্রথম এই করোনা টিকা কোভ্যাক্সিন। এই ভ্যাকসিবনের  সুরক্ষা সম্পর্কিত সমস্ত দিক বিস্তারিত ভাবে পরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণ করে সম্পূর্ণ রূপে নিশ্চিত হওয়ার পরেই এটিকে বাজারে ছাড়ার অনুমতি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে আইসিএমআর।

loader