MalayalamNewsableKannadaKannadaPrabhaTeluguTamilBanglaHindiMarathiMyNation
  • Facebook
  • Twitter
  • whatsapp
  • YT video
  • insta
  • এই মুহূর্তের খবর
  • ভারত
  • পশ্চিমবঙ্গ
  • বিনোদন
  • ব্যবসা
  • লাইফ স্টাইল
  • ফোটো
  • ভিডিও
  • জ্যোতিষ
  • বিশ্বের খবর
  • Home
  • India News
  • জরুরী অবস্থার ছয় খলনায়ক, যারা শাস্তির বদলে পেয়েছিল পুরস্কার, চিনে নিন ছবিতে ছবিতে

জরুরী অবস্থার ছয় খলনায়ক, যারা শাস্তির বদলে পেয়েছিল পুরস্কার, চিনে নিন ছবিতে ছবিতে

১৯৭৫ সালের ২৫ জুন ইন্দিরা গান্ধী ভারতে অভ্যন্তরীণ জরুরি অবস্থা জারি করেছিলেন। আর পরের ২১ মাস বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র স্বৈরতান্ত্রের করায়ত্ব হয়েছিল। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ এবং সাংবাদিকদের জেলে পোরা হয়েছিল, সংবাদমাধ্যমের উপর চেপেছিল সেন্সরশিপ, কেড়ে নেওয়া হয়েছিল সংবিধান প্রদত্ত মৌলিক অধিকারগুলি, ভারত পরিণত হয়েছিল পুলিশ রাষ্ট্রে। নাগরিকরা একবার আইনি সুরক্ষার অধিকার হারিয়ে ফেলতেই দাঁত নখ বেরিয়ে এসেছিল একাংশের রাজনীতিবিদ, আমলা এবং পুলিশ আধিকারিকদের। ক্ষমতার সর্বাধিক অপব্যবহারে লিপ্ত হয়েছিল তারা। জরুরি অবস্থার অবসানের পর শাহ তদন্ত কমিশন এই নৃশংসতার তদন্ত করে এরকম বেশ কয়েকজন খলনায়ককে চিহ্নিত করেছিল। কিন্তু, ১৯৮০ সালে ইন্দিরা গান্ধী ফের ক্ষমতায় ফিরে আসতেই এরা সকলেই শাস্তি তো পাওয়া দূরের কথা, পুরস্কৃত হয়েছিল। চিনে নেওয়া যাক এই কুখ্যাত গ্যাং-এর এরকমই কিছু মূল সদস্যদের - 

3 Min read
Author : Amartya Lahiri
Published : Jun 25 2020, 03:51 PM IST
Share this Photo Gallery
  • FB
  • TW
  • Linkdin
  • Whatsapp
  • GNFollow Us
17

বংশী লাল (ইন্দিরা সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী)

দোষ - শাহ কমিশন বলেছিল, বংশী লাল একেবারে ব্যক্তিগত কারণে তাঁর ক্ষমতা এবং কর্তৃত্বের র চূড়ান্ত অপব্যবহার করেছেন। ব্যক্তিগত আক্রোশ মেটাতে তিনি 'ক্ষুদ্র ও প্রতিহিংসাপরায়ণ স্তরে' নেমেছিলেন।

পুরস্কার - জরুরি অবস্থার পরে তিনি রাজীব গান্ধী সরকারে রেলমন্ত্রী হয়েছিলেন এবং গত শতাব্দীর ৮ ও ৯-এর দশকে দু'বার হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। তাঁর নামে একটি খালও রয়েছে। ২০০৬ সালের মার্চে তাঁর প্রয়াণ ঘটে।

 

27

ভি সি শুক্লা (ইন্দিরা সরকারের তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী)

দোষ - সাংবাদিক ও স্বাধীন সংবাদপত্র, প্লেব্যাক গায়ক কিশোর কুমারের বিরুদ্ধে ক্ষমতার ব্যাপক অপব্যবহার এবং সরকারী কর্মচারীদের কংগ্রেস দলের হয়ে কাজ করতে বাধ্য করার জন্য বিদ্যাচরণ শুক্লাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল।

পুরস্কার - রাজীব গান্ধী সরকারের মন্ত্রী হয়েছিলেন এবং তারপর ভি পি সিং এবং নরসিমা রাও মন্ত্রিসভার-ও সদস্য ছিলেন। ২০১৩ সালের মে মাসে তিনি মারা যান।

 

37

আর কে ধাওয়ান (ইন্দিরা গান্ধীর অতিরিক্ত ব্যক্তিগত সচিব)

দোষ - কিসের ভিত্তিতে গ্রেফতারি, তা না দেখেই মিসা আইনের আওতায় গ্রেফতারি পরোয়ানায় স্বাক্ষর করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটদের চাপ দিতেন আর কে ধাওয়ান। একাধিক জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জানিয়েছিলেন, তাদের আকারে ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দেওয়া হত, কোনও বিলম্ব বা প্রতিরোধ করার চেষ্টা করলে তা তাদের পক্ষে বিপদজনক হতে পারে।

পুরস্কার - ১৯৮০ ইন্দিরার ক্ষমতায় ফিরতেই তাঁরও দাপট ফিরেছিল। পরে তিনি কংগ্রেসের হয়ে রাজ্যসভার সদস্য এবং পি ভি নরসিমা রাও সরকারের মন্ত্রী হন।

 

47

নবীন চাওলা (দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর কৃষ্ণ চন্দ, তাঁর সেক্রেটারি):

দোষ - ইন্দিরা সরকারের প্রতি সামান্য প্রতিরোধের মানসিকতা দেখলেও কারাগার বিভাগের আইএএস কর্মকর্তাদের হুমকি দিতেন নবীন চাওলা। দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নরেক সেক্রেটারি হিসাবে কারাগারের বিভাগের পদক্রমের কোনও অবস্থানেই তিনি ছিলেন না। তা সত্ত্বেও জেলকর্তাদের উপর তার খবরদারি চলত। কিছু বাছাই করা বন্দিদের উপর অত্যাচারের জন্য তিনি তাদের অ্যাসবেস্টসের ছাদওয়ালা কক্ষে রাখতে বাধ্য করতেন। কিছু বন্দিকে আবার সমস্যায় ফেলতে তাদের পাগলদের সঙ্গে রাখার নির্দেশ দিতেন। এমনকী দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর কৃষাণ চাঁদ জানিয়েছেন, তাঁকেও সচিবের কথা শুনেই চলতে হত।

পুরস্কার - গণতান্ত্রকে এইবাবে হত্যা করেছিলেন যিনি, তাঁকেই মনমোহন সিং-সোনিয়া গান্ধী জুটি ২০০৩ সালে ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার-এর মতো উচ্চপদে নিয়োগ করেছিলেন। এমনকী এই পদে তাঁর পূর্বসূরী এতে সরকারিভাবে আপত্তি জানিয়েছিলেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন চাওলার নিরপেক্ষতা নিয়ে।

 

57

পি এস ভিন্দার (তৎকালীন দিল্লি পুলিশের ডিআইজি)

দোষ - শাহ কমিশন বলেছিল, প্রীতম সিং ভিন্দার-এর আচরণ 'যে কোনও প্রশাসনের জন্য কলঙ্ক'। গুলি করে মারার আদেশনামায় স্বাক্ষর করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটদের উপর নিয়মিত চাপ দিতেন ভিন্দার। এমনকী, জোর করে প্রাক-তারিখের আদেশনামাও সই করাতেন। ককেউ সামান্য অনীহা দেখালেই তিনি খবর দিতেন ইন্দিরা পুত্র সঞ্জয় গান্ধী-কে।

পুরস্কার - ইন্দিরা গান্ধী ক্ষমতায় ফিরে আসার পরে পিএস ভিন্দার দিল্লির পুলিশ কমিশনার হন এবং শেষে ডিজিপি হিসাবে অবসর গ্রহণ করেছেন।

 

67

জয়রাম পাড়িক্কাল (কেরল পুলিশের তৎকালীন অপরাধ দমন শাখার ডিআইজি)

দোষ - পুলিশ হেফাজতে ইঞ্জিনিয়ারিং-এর কৃতি ছাত্র পি রাজন-কে নির্যাতন ও হত্যার মামলায় তিনিই ছিলেন প্রধান আসামী। ইন্দিরা সরকারের স্রৈরাচারের বিরদ্ধে এক স্বাক্ষর সংগ্রহ আন্দোলনে অংশ নিয়ে ফেরার সময় পি রাজন-কে তুলে নিয়ে গিয়েছিল পুলিশ।

পুরস্কার - পরবর্তী তালে তিনি কেরল পুলিশের ডিজিপি হয়েছিলেন। ১৯৯৭ সালে তাঁর মৃত্যু হয়।

 

77

কৃষাণ চাঁদ (দিল্লির তৎকালীন লেফটেন্যান্ট গভর্নর)

এই তালিকায় তাঁর নাম জোড়া হল ব্যতিক্রম হিসাবে। জরুরী অবস্থার সময়ে দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর ছিলেন তিনি। অনেক আপত্তিজনক কাজ করেছিলেন। শাহ কমিশন তাকে কঠোর অপরাধে অভিযুক্ত করেছিল। এরপর তাঁকে শাস্তি দেয় তাঁর বিবেকই। ১৯৭৮ সালের ৯ জুলাই রাতে দক্ষিণ দিল্লির বাসভবন থেকে বেরিয়ে একটি পরিত্যক্ত কূয়োয় ঝাঁপিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেছিলেন তিনি।

 

About the Author

AL
Amartya Lahiri

Latest Videos
Recommended Stories
Recommended image1
এই ৩টি তহবিল নিয়ে লোকসভায় কোনও আলোচনা আর প্রশ্ন 'নয়', PMOর চিঠি লোকসভার সচিবালয়ে
Recommended image2
Pariksha pe Charcha: ছাত্রদের থেকে শেখা ও বিকশিত ভারত নিয়ে আলোচনায় মোদী
Recommended image3
ইতিহাস তৈরি করতে চলেছেন কেরলের মহিলা থানিয়া নাথন, তিনি প্রথম দৃষ্টিহীন বিচারক হতে চলেছেন
Recommended image4
২% DA Hike-এর ঘোষণা মার্চেই? হোলির আগেই কপাল খুলতে পারে সরকারি কর্মীদের
Recommended image5
Budget 2026: সংসদে বাজেট পর্যালোচনায় পরিকাঠামো ও এসটিটি বৃদ্ধি, শুরু হল আলোচনা
Asianet
Follow us on
  • Facebook
  • Twitter
  • whatsapp
  • YT video
  • insta
  • Download on Android
  • Download on IOS
  • About Website
  • Terms of Use
  • Privacy Policy
  • CSAM Policy
  • Complaint Redressal - Website
  • Compliance Report Digital
  • Investors
© Copyright 2026 Asianxt Digital Technologies Private Limited (Formerly known as Asianet News Media & Entertainment Private Limited) | All Rights Reserved