MalayalamNewsableKannadaKannadaPrabhaTeluguTamilBanglaHindiMarathiMyNation
Add Preferred SourceGoogle-icon
  • Facebook
  • Twitter
  • whatsapp
  • YT video
  • insta
  • এই মুহূর্তের খবর
  • ভারত
  • পশ্চিমবঙ্গ
  • বিনোদন
  • ব্যবসা
  • লাইফ স্টাইল
  • ফোটো
  • ভিডিও
  • জ্যোতিষ
  • বিশ্বের খবর
  • Home
  • World News
  • International News
  • কংক্রিটের স্তূপে আটকে থেকে ৬০ ঘণ্টার মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই, ১৩ বছরের ওমায়রার মৃত্যু আজও প্রশ্ন চিহ্ন

কংক্রিটের স্তূপে আটকে থেকে ৬০ ঘণ্টার মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই, ১৩ বছরের ওমায়রার মৃত্যু আজও প্রশ্ন চিহ্ন

কলম্বিয়ার ছোট্ট মেয়ে ওমায়রা সানচেজ। যার মৃত্যু এখনও মনে করলে শিহরিত হয় বিশ্বের অনেক মানুষ। ১৯৮৫ সালের আরমেরো ট্র্যাজেডি আর কলম্বিয়া সরকারের নীরবতার বলি এই ছোট্ট মেয়ে। টানা তিন দিন  আগ্নেয়গিরির ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে জীবনের লড়াই চালিয়ে গিয়েছিল।

4 Min read
Author : Saborni Mitra
| Updated : Sep 29 2025, 02:32 PM IST
Share this Photo Gallery
  • FB
  • TW
  • Linkdin
  • Whatsapp
  • GNFollow Us
110
বাঁচার আপ্রাণ চেষ্টা

বাঁচার আপ্রাণ চেষ্টা

আরও পাঁচটা কলম্বিয়ার শিশুর মতই স্বাভাবিক ছিল তাঁর দিনগুলি। ১৯৯৭ সালে জন্ম কলম্বিয়ার নেভাদো জেল রুইজ আগ্নেয়গিরির নিকটবর্তী আরমেরোতে। স্কুল যাওয়া আর বাবা মা কাকা কাকিমার সঙ্গে বাড়ির ছোটখাটো কাজ করাই দিন তাঁর জীবন। তবে ওমায়ার চোখে স্বপ্ন ছিল বড় হওয়ার। কিন্তু প্রকৃতির রোষ তা হতে দিল না। 
 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred
210
৬৯ বছর শান্ত থাকার পরে জেগে ওঠে

৬৯ বছর শান্ত থাকার পরে জেগে ওঠে

নেভাদো জেল রুইজ অগ্নেয়গিরি ৬৯ বছর শান্ত থাকার পর জেগে উঠেছিল ১৯৮৫ সালের ১৩ নভেম্বর। সেই আগ্নেয়গিরিও চিরতরে ঘুম পাড়িয়ে দিয়েছিল ওয়ামায়া সহ আরও অনেককে। কারণ নেভাদো জেল রুইজ আগ্নুপাতে নিশ্চিহ্ন হয়ে গিয়েছিল বেশ কয়েকটি গ্রাম। যারমধ্যে একটি ছিল ওমায়রার। 

Related Articles

Related image1
ঋণগ্রহীতার হঠাৎ মৃত্যু হলে তাকে মেটাতে হবে সেই লোন? জানুন সঠিক তথ্য
Related image2
পুজোর ছুটিতে জমজমাটি আড্ডা আর খাওয়া-দাওয়া! বানিয়ে ফেলুন মুচমুচে ডিমের বোন্ডা
310
সতর্কবার্তা ছিল

সতর্কবার্তা ছিল

দুর্যোগের দুই মাস আগে সতর্কবার্তা দিয়েছিল আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা। কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে উদাসীন ছিল সেই সময়ের কলম্বিয়া সরকার। এলাকার মানুষদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয়েছিল। তৎকালীন সরকারের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল এম-১৯ গেরিলাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ। তাই আগ্নগিরি জেগে ওঠার আগে বা পরে তেমন কোনও সাহায্য পায়নি দুর্যোগ গ্রস্তরা। 
 

410
১৩ নভেম্বর রাত ৯টা

১৩ নভেম্বর রাত ৯টা

১৩ নভেম্বর রাত ৯টা। যখন ক্নান্ত আরমোরো শহর ঘুমাতে যাওয়ার তোড়়জোড় করছে তখনই জেগে উঠেছিল নেভাদো জেল রুইজ  আগ্নেয়গিরি। কিছু বুঝে ওঠার আগেই আগ্নেয়গিরি গরম ছাই আর লাভা ঢেকে ফেলেছিল গোটা এলাকা। আগ্নেয়গিরিটি গেজে ওঠায় প্রবল গরমে গলে গিয়েছিল নিকটবর্তী একটি হিমবাহ। তারজল মাটি পাথর ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছিল গ্রামের পর গ্রাম। শুধুমাত্র আরমোরো শহরের ২৯ হাজার মানুষেক মধ্যে ২০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। তারই মধ্যে একজন ওমায়রা। 

510
মেধাবী ছাত্রী ছিলেন

মেধাবী ছাত্রী ছিলেন

কলম্বিয়ান ছোট্ট মেয়ে ওমায়রার বাবা আলভারো এনরিক , মা মারিয়া আলেদা। বাবা চাষের কাজ করতেন।  আর মা ছিলেন নার্স। সেদিন মা আরমোরো শহরে ছিলেন না। চাকরি সূত্রে বাইরে গিয়েছিলেন। ওমায়রা মেধাবী ছাত্রী হিসেবেই পরিচিক ছিল।   

610
আগ্নেয়গিরির বিকট আওয়াজ

আগ্নেয়গিরির বিকট আওয়াজ

অন্যান্য দিনের মতই রাত নেমেছিল আরমোরোতে। কিন্তু আগ্নেয়গিরির বিকট আওয়াজ সবকিছু বদলে দিয়েছিল। অনেকেই আতঙ্কে ঘর থেকে বেরিয়ে এসেছিলেন। ওমায়রা তাঁর পরিবারের সঙ্গে ছাদে উঠেছিল। কিন্তু আগ্নেয়গিরি জেগে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই কাদা জল আর লাভার স্রোত ভাসিয়ে নিয়ে যায় ওমায়ার বাড়ি। ধ্বংসসূপে আটকে পড়ে ওমায়রা। সেই রাতেই মৃত্যু হয়েছিল তার পরিবারের বাকি সদস্যদের। কিন্তু সে জানতেও পারেনি। 

710
কাদাজলে দাঁড়িয়ে ছিল

কাদাজলে দাঁড়িয়ে ছিল

প্রকৃতির তাণ্ডবের পর শান্ত হয়েছিল আরমোরো। এসেছিল উদ্ধারকারীদল, রেডক্রস। তন্নতন্ন করে খুঁজেছিল প্রাণ। সেইসময়ই একগলা কাদা জলে দাঁড়িয়ে বাঁচার আর্তি জানিয়েছিল ওমায়রা। আর আওয়াপ কানে যাওয়ার পর নজর পড়েছিল উদ্ধারকারীদের। সেখানে জড়ো হয়েছিল উদ্ধারকারী দলের বাকি সদস্যরা। কিন্তু কাদাজল ঠেলে ওমায়রাকে উদ্ধারকরা সম্ভব হয়নি। একবার পা কেটে বার করে আনারও সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু ওময়ারার নারকীয় যন্ত্রনা আর গ্যাংগিং হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকায় তাতে সায় দেয়নি চিকিৎসক। মৃত্যুর জন্যই অপেক্ষা করেছিল।

810
বাঁচার মরিয়ে চেষ্টা

বাঁচার মরিয়ে চেষ্টা

উদ্ধারকারী দল ওমায়ার কাছে গিয়ে বুঝতে পারে মেয়েটি বাঁচতে চাইছে। কিন্তু তাকে উদ্ধার করা সহজ নয়। বুক পর্যন্ত ডুবে রয়েছে ছোট্ট মেয়েটি। প্রথমে টানাটানি করতেই ওমায়ারা পায়ের তলায় প্রচন্ড ব্যাথা হচ্ছে বলে উদ্ধারকারীদের জানিয়েছিল। তারপরই ডুবুরি তলব করা হয়। সেই ডুবুরি কাদাজল ঠেলে নেমে দেখে মেয়েটির পা কংক্রিটে আটকে রয়েছে। এক মহিলা পা আঁকড়ে ধরে রয়েছে। মহিলার মৃত্যু আগে হওয়ায়  রীতিমত শক্ত হয়ে গেছে বাঁধন। তাই কংক্রিটের স্তূপ থেকে ওমায়রাকে উদ্ধারের জন্য ক্রেনে ও কাটার চেয়েছিল উদ্ধারকারী দল। কিন্তু তা দিতে অস্বীকার করে কলম্বিয়া সরকার। 

910
আটকে থেকেই সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন

আটকে থেকেই সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন

ওমায়রাকে যখন উদ্ধারের কাজ চলছে তখন সেখানে পৌঁছে ছিলেন জার্মান সাংবাদিক সান্তা মারিয়া বারাগান। তিনি ওমায়রার সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি শেষ সময় তার সব চাহিদাই মিটিয়েছিলেন। শুধু ওমায়রার বাঁচার উচ্ছে পুরণ করতে পারেননি। ওমায়রা তাঁর কাছে নিজের জীবনের কথা, গ্রামের কথা  তুলে ধরেছিল । বলেছিল স্কুলের কথাও। বারবার বাঁচার আর্তি জানিয়েছিল। খেয়েছিল লজেন্স. কোল্ডড্রিংস। নিজেকে মৃত্যুর হাত থেকে দূরে রাখতে সব চেষ্টা করেছিল। ওমায়ার মৃত্যুর কিছু আগেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে ছিলেন ফোটোগ্রাফার ফ্রাঙ্ক ফোর্নিয়ার। তাঁর তোলা ছবি পুরষ্কার পায়। পাশাপাশি কলম্বিয়া সরকারের ব্যার্থা নিয়েও প্রশ্ন তুলে দেয়। 

1010
নেতিয়ে পড়ে ওমায়রা

নেতিয়ে পড়ে ওমায়রা

ঘণ্টা মিনিট সেকেন্ডের কাঁটা পেরিয় সময় যত বয়ে যায় ততই ঝিমিয়ে আসে ওমায়রা। নেতিয়ে পড়ে। কাদা জলে দাঁড়িয়ে হাতের আঙুল সাদা হয়ে গিয়েছিল। প্রথমে রক্ত জমে চোখ লাল হয়ে গিয়েছিল। পরে সেই চোখই কালো হয়ে যায়। ভুল বকতে শুরু করেছিল ওমায়রা। নির্মম সেই দৃশ্য নিজের ক্যামেরা বন্দি করেছিলেন  জার্মান সাংবাদিক। আর শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করে গিয়েছিলেন ছোট্ট মেয়েটিকে সাহায্য করতে। ঘটনার প্রায় তিন দিন পর অর্থাৎ ১৬ নভেম্বর মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে ওমায়রা। ৬০ ঘণ্টা জলের তলায় আটকে গ্যংগ্রিন ও হাইপোথার্মিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা যায় ১৩ বছরের মেয়েটি। 

About the Author

SM
Saborni Mitra
সাবর্ণী মিত্র, ২০০৩ সালে থেকে মিডিয়ার সঙ্গে যুক্ত। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপণে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি রয়েছে। জাতীয়, আন্তর্জাতিক ও রাজ্যের খবর লেখেন। ক্রাইম নিউজে আগ্রহী। যোগাযোগ: saborni.mitra@asianetnews.in
বিশ্বের খবর
 
4th T20 • IND vs WI
Result
INDIND
223
WIWI
247/3
WI beat IND by 24 runs
Schedule ›
3rd T20 • PAK vs SL
Result
PAKPAK
168/8
SLSL
172/2
SL beat PAK by 8 wickets
Schedule ›
3rd T20 • IND vs WI
Result
INDIND
223
WIWI
209/7
IND beat WI by 14 runs
Schedule ›
2nd T20 • PAK vs SL
Result
PAKPAK
215/3
SLSL
133/7
PAK beat SL by 82 runs
Schedule ›
2nd T20 • IND vs WI
Result
INDIND
249/5
WIWI
252/4
WI beat IND by 6 wickets
Schedule ›
1st T20 • PAK vs SL
Result
PAKPAK
187/6
SLSL
182/8
PAK Won by 4 wickets
Schedule ›
1st TEST • SA vs AUS
Result
SASA
284 & 206
AUSAUS
390 & 314/6
AUS beat SA by 214 runs
Schedule ›
1st T20 • IND vs WI
Result
INDIND
172/2
WIWI
171
IND won by 8 wickets
Schedule ›
5th T20 • IND vs WI
INDIND
Sat, 17 Oct, 2026
WIWI
07:00 pm
Match yet to begin.
Schedule ›
2nd TEST • SA vs AUS
SASA
Sun, 18 Oct, 2026
AUSAUS
01:30 pm
Match yet to begin.
Schedule ›

Latest Videos
Recommended Stories
Recommended image1
জার্মানিতে আবাসনে ভয়াবহ আগুনে মৃত্যু ৩ ভারতীয়র! খুন সন্দেহে গ্রেফতার রোমানিয়ার বাসিন্দা
Recommended image2
Viral News: মা অসুস্থ, বিমানের টিকিট নেই! হেলিকপ্টার ভাড়া করে বাড়ি ফিরলেন যুবক
Recommended image3
Taiwan EU Relations: চিনের উপর বেশি নির্ভর করলে ইউরোপের স্বাধীনতাই বিপদে পড়বে, সতর্ক করল তাইওয়ান
Recommended image4
Sivarasa Anojan: ধর্ম অবমাননায় মৃত্যুদণ্ড নয়, শ্রীলঙ্কার যুবককে স্বস্তি সৌদি সুপ্রিম কোর্টের
Recommended image5
ইজরায়েলগামী ফ্লাইটে পাকিস্তানি পাইলটদের ওপর নিষেধাজ্ঞা এয়ার ফ্রান্সের, বাকিরাও একই পথে?
Related Stories
Recommended image1
ঋণগ্রহীতার হঠাৎ মৃত্যু হলে তাকে মেটাতে হবে সেই লোন? জানুন সঠিক তথ্য
Recommended image2
পুজোর ছুটিতে জমজমাটি আড্ডা আর খাওয়া-দাওয়া! বানিয়ে ফেলুন মুচমুচে ডিমের বোন্ডা
Asianet
Follow us on
  • Facebook
  • Twitter
  • whatsapp
  • YT video
  • insta
  • Download on Android
  • Download on IOS
  • About Website
  • Terms of Use
  • Privacy Policy
  • CSAM Policy
  • Complaint Redressal - Website
  • Compliance Report Digital
  • Investors
© Copyright 2026 Asianxt Digital Technologies Private Limited (Formerly known as Asianet News Media & Entertainment Private Limited) | All Rights Reserved