একা কেবল অসাধ্য সাধন করেনি নিউজিল্যান্ড, জেনে নিন বিশ্বের আর কোন কোন দেশ ইতিমধ্যে হল করোনা মুক্ত

First Published 11, Jun 2020, 3:16 PM

গোটা বিশ্বের ২০০ বেশি দেশে জাল বিছিয়েছে করোনা ভাইরাস। এখনও পর্যন্ত গোটা দুনিয়ার ৭৪ লক্ষেরেও বেশি মানুষ সংক্রমণের শিকার হয়েছেন মারণ ভাইরাসের প্রাণ গিয়েছে ৪ লক্ষেরও বেশি মানুষের। চারদিকে এখন ত্রাহি ত্রাহি রব। পরিস্থিতি কীভাবে মোকাবিলা করা যাবে তা ভেবে পাচ্ছে না বিশ্বের তাবড় তাবড় দেশগুলির শক্তিশালী সরকার। কবে ভ্যাকসিন বাজারে আসবে, তার দিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছেন বিশ্ববাসী। এর মধ্যেই দুনিয়াকে চমকে দিয়ে নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্দা আর্ডেন জানালেন, সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন শেষ করোনা পজিটিভ ব্যক্তিও। এবার তাই দ্বীপরাষ্ট্র ফিরছে চেনা ছন্দে। তবে কেবল নিউজিল্যান্ড নয়, আরও বেশকিছু দেশের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে যারা করোনাকে মাত দিতে সক্ষম হয়েছে। মারণ ভাইরাস সমগ্র বিশ্বকে নিজের জালে বাঁধতে পারলেও, এই দেশগুলি  কিন্তু করোনা যুদ্ধে জিতে গিয়েছে।

<p style="text-align: justify;"><strong>নিউজিল্যান্ড- গত সোমবার  নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্দা আর্ডেন ঘোষণা করেন, তাঁর দেশ এখন করোনা মুক্ত। শেষ করোনা পজেটিভ ব্যক্তিও সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। এবার নিউজিল্যান্ড ফিরছে তার চেনা ছন্দে। কঠোর লকডাউনের ফলে আজ তারা এই মহামারিকে জয় করতে পেরেছে। তিন মাস ১০ দিনের লকডাউনের পর খুলে দেওয়া হচ্ছে সবকিছুই।</strong></p>

নিউজিল্যান্ড- গত সোমবার  নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্দা আর্ডেন ঘোষণা করেন, তাঁর দেশ এখন করোনা মুক্ত। শেষ করোনা পজেটিভ ব্যক্তিও সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। এবার নিউজিল্যান্ড ফিরছে তার চেনা ছন্দে। কঠোর লকডাউনের ফলে আজ তারা এই মহামারিকে জয় করতে পেরেছে। তিন মাস ১০ দিনের লকডাউনের পর খুলে দেওয়া হচ্ছে সবকিছুই।

<p><strong>তানজানিয়া- পূর্ব আফ্রিকার পূর্বাঞ্চলীয় এই দেশটিতে জনসংখ্যা ৬০ লাখ। সেখানে গত ২১ মার্চ নরওয়ে ফেরত এক ব্যক্তির শরীরে প্রথমবারের মতো করোনাভাইরাস শনাক্ত করা হয়। এরপর ধীরে ধীরে শনাক্তকৃত রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকে।  তবে তাঁর দেশ এখন  করোনাভাইরাস মুক্ত বলে গত সোমবার ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট জন ম্যাগুফুলি। রাজধানী দোদোমা’র একটি চার্চে দেওয়া ভাষণে তার দেশ করোনামুক্ত বলে দাবি করেন ম্যাগুফুলি।</strong><br />
 </p>

তানজানিয়া- পূর্ব আফ্রিকার পূর্বাঞ্চলীয় এই দেশটিতে জনসংখ্যা ৬০ লাখ। সেখানে গত ২১ মার্চ নরওয়ে ফেরত এক ব্যক্তির শরীরে প্রথমবারের মতো করোনাভাইরাস শনাক্ত করা হয়। এরপর ধীরে ধীরে শনাক্তকৃত রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকে।  তবে তাঁর দেশ এখন  করোনাভাইরাস মুক্ত বলে গত সোমবার ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট জন ম্যাগুফুলি। রাজধানী দোদোমা’র একটি চার্চে দেওয়া ভাষণে তার দেশ করোনামুক্ত বলে দাবি করেন ম্যাগুফুলি।
 

<p><strong>ভ্যাটিকান- ৬ জুন নিজেদের করোনা মুক্ত ঘোষণা করে ভ্যাটিকান।  ছোট্ট এই দেশটিতে মাত্র ১২ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন করোনায়। করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ার পরই সব ধরনের পর্যটন বন্ধ করে দেওয়া হয় পোপের দেশে। এর ফলে দেশটি এখন পুরোপুরি করোনা রোগী শূন্য।</strong></p>

ভ্যাটিকান- ৬ জুন নিজেদের করোনা মুক্ত ঘোষণা করে ভ্যাটিকান।  ছোট্ট এই দেশটিতে মাত্র ১২ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন করোনায়। করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ার পরই সব ধরনের পর্যটন বন্ধ করে দেওয়া হয় পোপের দেশে। এর ফলে দেশটি এখন পুরোপুরি করোনা রোগী শূন্য।

<p><strong>ফিজি- প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের এই দেশটিতে গত ১৯ মার্চ প্রথম করোনা রোগী ধরা পড়ে। এরপরই সব ধরনের বিমান চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়। বাইর থেকে আসা সবার জন্য বাধ্যতামূলক ১৫ দিনের কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা করা হয়। এখন পর্যন্ত সেখানে মাত্র ১৮ জনের শরীরে ভাইরাসটি শনাক্ত করা হয়েছে। তারা সবাই ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে গেছেন। ফলে গত ২০ এপ্রিল নিজেদের করোনামুক্ত ঘোষণা করে ফিজি।</strong></p>

ফিজি- প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের এই দেশটিতে গত ১৯ মার্চ প্রথম করোনা রোগী ধরা পড়ে। এরপরই সব ধরনের বিমান চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়। বাইর থেকে আসা সবার জন্য বাধ্যতামূলক ১৫ দিনের কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা করা হয়। এখন পর্যন্ত সেখানে মাত্র ১৮ জনের শরীরে ভাইরাসটি শনাক্ত করা হয়েছে। তারা সবাই ইতোমধ্যে সুস্থ হয়ে গেছেন। ফলে গত ২০ এপ্রিল নিজেদের করোনামুক্ত ঘোষণা করে ফিজি।

<p><strong>মন্টিনিগ্রো- ৬ লক্ষ ২২ হাজার ৩৫৯ জনের দেশ হল মন্টিনিগ্রো। ১৭ ই মার্চ প্রথম করোনা আক্রান্তের খবর পাওয়া গেলেও ২৪ শে মে নিজেদেরকে করোনা মুক্ত বলে ঘোষণা করে দেশটি। এখানে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন মোট ৩২৪ জন।</strong></p>

মন্টিনিগ্রো- ৬ লক্ষ ২২ হাজার ৩৫৯ জনের দেশ হল মন্টিনিগ্রো। ১৭ ই মার্চ প্রথম করোনা আক্রান্তের খবর পাওয়া গেলেও ২৪ শে মে নিজেদেরকে করোনা মুক্ত বলে ঘোষণা করে দেশটি। এখানে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন মোট ৩২৪ জন।

<p><strong>সেশেলস- ১৯৭৬ সালের ২৯ জুন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের থেকে স্বাধীন হয় সেশেলস। ৯৭ হাজার ৯৬ জনের এই দেশে করোনা আক্রান্ত হন মাত্র ১১ জন। বর্তমানে তারা সকলেই সুস্থ। গত ১৪ ই মার্চ প্রথম করোনা সংক্রমণের খবর পেয়ে তড়িঘড়ি বন্ধ করে দেওয়া হয় চিন ইতালি, দক্ষিণ কোরিয়া ও ইরানের সঙ্গে সংযোগ। গত ১৮ মে দেশটিকে করোনা মুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে।</strong></p>

সেশেলস- ১৯৭৬ সালের ২৯ জুন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের থেকে স্বাধীন হয় সেশেলস। ৯৭ হাজার ৯৬ জনের এই দেশে করোনা আক্রান্ত হন মাত্র ১১ জন। বর্তমানে তারা সকলেই সুস্থ। গত ১৪ ই মার্চ প্রথম করোনা সংক্রমণের খবর পেয়ে তড়িঘড়ি বন্ধ করে দেওয়া হয় চিন ইতালি, দক্ষিণ কোরিয়া ও ইরানের সঙ্গে সংযোগ। গত ১৮ মে দেশটিকে করোনা মুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে।

<p><strong>সেইন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস- ক্যারিবিয়ান এই দেশে বর্তমান জনসংখ্যা হল মাত্র ৫২ হাজার ৪৪১ জন। গত ২৪ শে মার্চ  প্রথমবার করোনা আক্রান্তের হদিশ মেলে দেশটিতে । আর তারপর থেকেই কারফু জারি করে বন্ধ করে দেওয়া হয় এয়ারপোর্ট, স্কুল, অনিত্যপ্রয়োজনীয় সব দোকান। সরকারের তৎপরতায় মাত্র ১৫ জন করোনা আক্রান্ত হন। এবং তারা বর্তমানে সম্পূর্ণ সুস্থও হয়ে গিয়েছেন। তাই গত ১৯ শে মে এই দেশ নিজেদেরকে সম্পূর্ণ করোনা মুক্ত বলে ঘোষণা করে দেয়।</strong></p>

সেইন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস- ক্যারিবিয়ান এই দেশে বর্তমান জনসংখ্যা হল মাত্র ৫২ হাজার ৪৪১ জন। গত ২৪ শে মার্চ  প্রথমবার করোনা আক্রান্তের হদিশ মেলে দেশটিতে । আর তারপর থেকেই কারফু জারি করে বন্ধ করে দেওয়া হয় এয়ারপোর্ট, স্কুল, অনিত্যপ্রয়োজনীয় সব দোকান। সরকারের তৎপরতায় মাত্র ১৫ জন করোনা আক্রান্ত হন। এবং তারা বর্তমানে সম্পূর্ণ সুস্থও হয়ে গিয়েছেন। তাই গত ১৯ শে মে এই দেশ নিজেদেরকে সম্পূর্ণ করোনা মুক্ত বলে ঘোষণা করে দেয়।

<p><strong>পূর্ব তিমুর- এশিয়ার দেশ পূর্ব তিমুরও করোনামুক্ত হয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। ২১ মার্চ দেশটিতে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। সঙ্গে সঙ্গে লকডাউন করা হয়। এর আরও আগে ১০ ফেব্রুয়ারি থেকেই চিন থেকে পূর্ব তিমুরে আসা পুরোপুরিভাবে নিষিদ্ধ করে দেয়া হয়েছিল। বন্ধ করা হয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। নিষিদ্ধ করা হয় গণজমায়েত। বিদেশ ফেরতদের জন্য ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন বাধ্যতামূলক করা হয়। এর ফলও পাওয়া যায় হাতেনাতে। মাত্র ২৪ জন আক্রান্ত হয় দেশটিতে। গত ১৫ মে সুস্থ হয়ে ওঠেন দেশের ২৪তম করোনা রোগীও। এরপরই পূর্ব তিমুরকে করোনামুক্ত ঘোষণা করেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ফ্রান্সিসকো গুতেরেস।</strong></p>

পূর্ব তিমুর- এশিয়ার দেশ পূর্ব তিমুরও করোনামুক্ত হয়ে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। ২১ মার্চ দেশটিতে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। সঙ্গে সঙ্গে লকডাউন করা হয়। এর আরও আগে ১০ ফেব্রুয়ারি থেকেই চিন থেকে পূর্ব তিমুরে আসা পুরোপুরিভাবে নিষিদ্ধ করে দেয়া হয়েছিল। বন্ধ করা হয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। নিষিদ্ধ করা হয় গণজমায়েত। বিদেশ ফেরতদের জন্য ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন বাধ্যতামূলক করা হয়। এর ফলও পাওয়া যায় হাতেনাতে। মাত্র ২৪ জন আক্রান্ত হয় দেশটিতে। গত ১৫ মে সুস্থ হয়ে ওঠেন দেশের ২৪তম করোনা রোগীও। এরপরই পূর্ব তিমুরকে করোনামুক্ত ঘোষণা করেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ফ্রান্সিসকো গুতেরেস।

<h2><span style="font-size:14px;"><strong>পাপুয়া নিউ গিনি-  বৈচিত্রের মাঝে ঐক্যের দেশ হল পাপুয়া নিউ গিনি। ৮০ লক্ষ ৯০ হাজার জনসংখ্যার এই দেশে ২০ শে মার্চ প্রথম করোনা সংক্রমণের খবর পাওয়া মাত্রই রাত্রিকালীন কারফু জারি করে সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়। মাত্র ৮ জন করোনা আক্রান্ত হলেও ৪ মে সম্পূর্ণ করোনা মুক্ত হয়ে যায় দেশটি।</strong></span></h2>

পাপুয়া নিউ গিনি-  বৈচিত্রের মাঝে ঐক্যের দেশ হল পাপুয়া নিউ গিনি। ৮০ লক্ষ ৯০ হাজার জনসংখ্যার এই দেশে ২০ শে মার্চ প্রথম করোনা সংক্রমণের খবর পাওয়া মাত্রই রাত্রিকালীন কারফু জারি করে সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়। মাত্র ৮ জন করোনা আক্রান্ত হলেও ৪ মে সম্পূর্ণ করোনা মুক্ত হয়ে যায় দেশটি।

loader