পাকিস্তানের নজর এবার রোহিঙ্গা শিবিরে, তৈরি হচ্ছে ভারতে হামলার বিরাট ষড়যন্ত্র

First Published 17, Aug 2020, 11:38 PM

ফের ভারতের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর নয়া ষড়যন্ত্রে মেতেছে পাক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই। দীর্ঘদিন ধরেই তারা বিবিন্ন পাক জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। তাদের প্রশিক্ষণও দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এমনকী জম্মু ও কাশ্মীরের জঙ্গিগোষ্ঠীগুলিকেও আর্থিক ও অন্যান্য বিভিন্ন ভাবে সহায়তা করে তারা। এবার ভারতের শান্তি ও স্থিতি নষ্ঠ করতে তাদের লক্ষ্য রোহিঙ্গা মুসলমান শরণার্থীরা।

 

<p>জানা গিয়েছে, আইএসআই গোপনে বাংলাদেশে বসবাসকারী রোহিঙ্গা মুসলিমদের সন্ত্রাসবাদী প্রশিক্ষণ দিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর জন্য প্রস্তুত করছে। পাকিস্তান জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির সঙ্গে এই প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত রোহিঙ্গাদের কাজে লাগিয়ে তারা ভারত ও আফগানিস্তানে স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে চায়।</p>

<p>&nbsp;</p>

জানা গিয়েছে, আইএসআই গোপনে বাংলাদেশে বসবাসকারী রোহিঙ্গা মুসলিমদের সন্ত্রাসবাদী প্রশিক্ষণ দিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর জন্য প্রস্তুত করছে। পাকিস্তান জঙ্গি গোষ্ঠীগুলির সঙ্গে এই প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত রোহিঙ্গাদের কাজে লাগিয়ে তারা ভারত ও আফগানিস্তানে স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে চায়।

 

<p>ব্রাসেলসে দক্ষিণ এশিয় ডেমোক্রেটিক ফোরামের রিসার্চ ডিরেক্টর সিগফ্রিড ও' উল্ফ দাবি করেছেন, 'জামাত-উল মুজাহিদিন বাংলাদেশ' অন্তত ৪০ জন রোহিঙ্গা শরণার্থীকে জঙ্গি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। আর সেই কাজে বকলমে সমর্থন দিচ্ছে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই।</p>

<p>&nbsp;</p>

ব্রাসেলসে দক্ষিণ এশিয় ডেমোক্রেটিক ফোরামের রিসার্চ ডিরেক্টর সিগফ্রিড ও' উল্ফ দাবি করেছেন, 'জামাত-উল মুজাহিদিন বাংলাদেশ' অন্তত ৪০ জন রোহিঙ্গা শরণার্থীকে জঙ্গি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। আর সেই কাজে বকলমে সমর্থন দিচ্ছে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই।

 

<p>প্রসঙ্গত এই জামাত-উল মুজাহিদিন বাংলাদেশ বা জেএমবি জঙ্গিরাই ২০১৬ সালে ঢাকার একটি কফিশপে সন্ত্রাসবাদী হামলা চালিয়ে ২২ জনকে হত্যা করেছিল। নিহতদের বেশিরভাগই ছিলেন বিদেশি।</p>

<p>&nbsp;</p>

প্রসঙ্গত এই জামাত-উল মুজাহিদিন বাংলাদেশ বা জেএমবি জঙ্গিরাই ২০১৬ সালে ঢাকার একটি কফিশপে সন্ত্রাসবাদী হামলা চালিয়ে ২২ জনকে হত্যা করেছিল। নিহতদের বেশিরভাগই ছিলেন বিদেশি।

 

<p>জানা গিয়েছে মায়ানমারেই চলছে রোহিঙ্গাদের জঙ্গি প্রশিক্ষণ। মায়ানমারের সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের শরণার্থী শিবিরগুলি অবস্থিত। এই শিবিরগুলির উপরই এখন নজর পড়েছে বাংলাদেশী ও পাক সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীগুলির।</p>

<p>&nbsp;</p>

জানা গিয়েছে মায়ানমারেই চলছে রোহিঙ্গাদের জঙ্গি প্রশিক্ষণ। মায়ানমারের সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের শরণার্থী শিবিরগুলি অবস্থিত। এই শিবিরগুলির উপরই এখন নজর পড়েছে বাংলাদেশী ও পাক সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীগুলির।

 

<p>বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্তে এমনিতেই সক্রিয় রোহিঙ্গা বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি বা এআরএসএ। রোহিঙ্গা শিবিরে তাদের আনাগোনাও বাড়ছে বলেই খবর রয়েছে। জানা গিয়েছে এই দলের সদস্যরা রাতের অন্ধকারে শরণার্থী শিবিরে এসে উপস্থিত হয়, দিনের আলো ফোটার আগেই চলে যায়।</p>

<p>&nbsp;</p>

বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্তে এমনিতেই সক্রিয় রোহিঙ্গা বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি বা এআরএসএ। রোহিঙ্গা শিবিরে তাদের আনাগোনাও বাড়ছে বলেই খবর রয়েছে। জানা গিয়েছে এই দলের সদস্যরা রাতের অন্ধকারে শরণার্থী শিবিরে এসে উপস্থিত হয়, দিনের আলো ফোটার আগেই চলে যায়।

 

<p>এই দলের নেতার নাম আতা উল্লা। আতা উল্লার জন্ম পাকিস্তানে। সৌদি আরবের নাগরিকত্বও রয়েছে তার। এই আতাউল্লার সঙ্গেও এখন আইএসআই-এর চররা যোগাযোগ করছে।</p>

<p>&nbsp;</p>

এই দলের নেতার নাম আতা উল্লা। আতা উল্লার জন্ম পাকিস্তানে। সৌদি আরবের নাগরিকত্বও রয়েছে তার। এই আতাউল্লার সঙ্গেও এখন আইএসআই-এর চররা যোগাযোগ করছে।

 

loader