মার্কিন নির্বাচন নিয়ে জোর খবর, গভীর উদ্বেগে ভোট পিছোনোর আহ্বান জানালেন ট্রাম্প

First Published 30, Jul 2020, 8:13 PM

বাকি নেই আর ১০০ দিনও। আগামী ৩ নভেম্বরই অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ২০২০ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। এরমধ্য়েই বৃহস্পতিবার এই ভোট পিছিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানালেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নাহলে নাকি এই নির্বাচন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বিব্রতকর হবে।

 

<p>এদিন একটি  টুইট করে মেল-ইন ভোটদানে জালিয়াতি হতে পারে এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি। তিনি বলেন ইউনিভার্সাল মেল-ইন ভোটিং-এ নির্বাচন হলে ২০২০ সালের নির্বাচনই মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ইতিহাসে সবচেয়ে ত্রুটিপূর্ণ এবং প্রতারণাপূর্ণ নির্বাচন হবে। তাতে বেজায় বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হবে বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন গণতন্ত্রকে। কাজেই যতদিন না পর্যন্ত মার্কিন জনতা যথাযথভাবে, সুরক্ষিতভাবে ও নিরাপদে ভোট দিতে না পারছেন ততদিন পর্যন্ত ভোটগ্রহণ পিছিয়ে দেওয়া উচিত বলে মত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।</p>

<p> </p>

এদিন একটি  টুইট করে মেল-ইন ভোটদানে জালিয়াতি হতে পারে এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি। তিনি বলেন ইউনিভার্সাল মেল-ইন ভোটিং-এ নির্বাচন হলে ২০২০ সালের নির্বাচনই মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ইতিহাসে সবচেয়ে ত্রুটিপূর্ণ এবং প্রতারণাপূর্ণ নির্বাচন হবে। তাতে বেজায় বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হবে বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন গণতন্ত্রকে। কাজেই যতদিন না পর্যন্ত মার্কিন জনতা যথাযথভাবে, সুরক্ষিতভাবে ও নিরাপদে ভোট দিতে না পারছেন ততদিন পর্যন্ত ভোটগ্রহণ পিছিয়ে দেওয়া উচিত বলে মত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

 

<p>ট্রাম্প চাইলেই কিন্তু ২০২০ সালের নির্বাচন বিলম্বিত করতে পারবেন না। এর জন্য চাই মার্কিন কংগ্রেসের অনুমতি। কারণ আমেরিকান সংবিধান অনুযায়ী কোনও অবস্থাতেই প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের নির্ধারিত সূচি বদল করা যায় না। কংগ্রেস যদি এই বিষয়ে সহমত হয়ে মার্কিন সংবিধান বদলানোর সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলেই পিছিয়ে যেতে পারে মার্কিন নির্বাচন।</p>

<p> </p>

ট্রাম্প চাইলেই কিন্তু ২০২০ সালের নির্বাচন বিলম্বিত করতে পারবেন না। এর জন্য চাই মার্কিন কংগ্রেসের অনুমতি। কারণ আমেরিকান সংবিধান অনুযায়ী কোনও অবস্থাতেই প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের নির্ধারিত সূচি বদল করা যায় না। কংগ্রেস যদি এই বিষয়ে সহমত হয়ে মার্কিন সংবিধান বদলানোর সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলেই পিছিয়ে যেতে পারে মার্কিন নির্বাচন।

 

<p>তবে ট্রাম্পের ভোট জালিয়াতির আশঙ্কা একেবারেই অমূলক বলে দাবি করছেন মার্কিন নির্বাচনী নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা জানিয়েছেন, অন্তত পাঁচটি মার্কিন রাজ্য সম্পূর্ণভাবে মেল-ইন ব্যালটে নির্ভরশীল। কোনও বিদেশী শক্তি যাতে তাদের নির্বাচনে বিঘ্ন না ঘটাতে পারে, হস্তক্ষেপ না করতে পারে, তা নিশ্চিত করার জন্য সেইসব প্রদেশে সমস্ত সুরক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে। এ ছাড়া তাঁরা বলছেন অ্যাবসেন্টি ভোটিং কিংবা মেইল-ইন ভোটিং ব্যবস্থায় জালিয়াতি হওয়া খুবই কঠিন।</p>

<p> </p>

তবে ট্রাম্পের ভোট জালিয়াতির আশঙ্কা একেবারেই অমূলক বলে দাবি করছেন মার্কিন নির্বাচনী নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা জানিয়েছেন, অন্তত পাঁচটি মার্কিন রাজ্য সম্পূর্ণভাবে মেল-ইন ব্যালটে নির্ভরশীল। কোনও বিদেশী শক্তি যাতে তাদের নির্বাচনে বিঘ্ন না ঘটাতে পারে, হস্তক্ষেপ না করতে পারে, তা নিশ্চিত করার জন্য সেইসব প্রদেশে সমস্ত সুরক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে। এ ছাড়া তাঁরা বলছেন অ্যাবসেন্টি ভোটিং কিংবা মেইল-ইন ভোটিং ব্যবস্থায় জালিয়াতি হওয়া খুবই কঠিন।

 

<p>ট্রাম্প অবশ্য এই প্রথম নয়, গত বেশ কয়েক মাস ধরেই বারবারই নভেম্বরের নির্বাচনে জালিয়তি হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে করোনাভাইরাস মহামারির ফলে মেল-ইন এবং অ্যাবসেন্টি ভোটদান বেশি হবে, এটা প্রকাশ হওয়ার পর তাঁর উদ্বেগ আরও বেড়েছে। দূর থেকে ভোটদানে তাঁর পুনর্নির্বাচনের পথে সবচেয়ে বড় বাধা বলেও মন্তব্য করেছেন। গত মাসে অ্যারিজোনা প্রদেশে ট্রাম্প তাঁর সমর্থকদের বলেছিলেন, ২০২০ সালের নির্বাচন দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত নির্বাচন হতে চলেছে।</p>

<p> </p>

ট্রাম্প অবশ্য এই প্রথম নয়, গত বেশ কয়েক মাস ধরেই বারবারই নভেম্বরের নির্বাচনে জালিয়তি হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে করোনাভাইরাস মহামারির ফলে মেল-ইন এবং অ্যাবসেন্টি ভোটদান বেশি হবে, এটা প্রকাশ হওয়ার পর তাঁর উদ্বেগ আরও বেড়েছে। দূর থেকে ভোটদানে তাঁর পুনর্নির্বাচনের পথে সবচেয়ে বড় বাধা বলেও মন্তব্য করেছেন। গত মাসে অ্যারিজোনা প্রদেশে ট্রাম্প তাঁর সমর্থকদের বলেছিলেন, ২০২০ সালের নির্বাচন দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত নির্বাচন হতে চলেছে।

 

<p>তবে এইসব কাঁদুনির পিছনে আসলে সাম্প্রতিক জনমত সমীক্ষাগুলির বড় ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। করোনাভাইরাস মহামারি ট্রাম্পের পতনের সবচেয়ে বড় কারণ হয়ে যেতে পারে বলে মনে করচেন নির্বাচনী বিশ্লেষকরা। ওয়াশিংটন পোস্ট-এবিসি নিউজের সাম্প্রতিকতম সমীক্ষা বলছে, চলতি মাসে প্রেসিডেন্ট হিসাবে ট্রাম্পের গ্রহণযোগ্যতা নেমে গিয়েছে ৪০ শতাংশে। আর সেখানে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী, ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেন-এর গ্রহণযোগ্যতা বেড়ে হয়েছে ৫৫ শতাংশ। মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলির দাবি, বাইডেনের ধার ক্রমে বাড়ছে। এই মুহূর্তে সমীক্ষা হলে দেখা যাবে দুই প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে ব্যবধান আরও অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে।</p>

তবে এইসব কাঁদুনির পিছনে আসলে সাম্প্রতিক জনমত সমীক্ষাগুলির বড় ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। করোনাভাইরাস মহামারি ট্রাম্পের পতনের সবচেয়ে বড় কারণ হয়ে যেতে পারে বলে মনে করচেন নির্বাচনী বিশ্লেষকরা। ওয়াশিংটন পোস্ট-এবিসি নিউজের সাম্প্রতিকতম সমীক্ষা বলছে, চলতি মাসে প্রেসিডেন্ট হিসাবে ট্রাম্পের গ্রহণযোগ্যতা নেমে গিয়েছে ৪০ শতাংশে। আর সেখানে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী, ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেন-এর গ্রহণযোগ্যতা বেড়ে হয়েছে ৫৫ শতাংশ। মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলির দাবি, বাইডেনের ধার ক্রমে বাড়ছে। এই মুহূর্তে সমীক্ষা হলে দেখা যাবে দুই প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে ব্যবধান আরও অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে।

loader