ক্যাটরিনা কাইফের মুখ সরিয়ে বসল রাণু মণ্ডলের মুখ, এবার যা হল তাতে চোখ কপালে

First Published 6, Nov 2019, 9:14 PM IST

রাণু মণ্ডলে এখন হইহই আর রইরই। আর রাণু নিজেও যে কী করেন! মেজাজ বেজায় তাঁর। গল্পকাহিনি তো নয় যেন রূপকথা এঁকেছেন। কেউ বলছেন দুয়োরানির কপালে সুখ সইলে হয়। সুখ কেন সইবে না! আসলে রাণু তো আর শান্তমতি নন। তিনি সকলকেই ভাবেন গড-এর চাকর। সম্মুখে বলতেও ছাড়েন না সেই কথা। এ তে যা হওয়ার তাই হয়। কিছু মানুষ বলে বড্ড অকৃতজ্ঞ মহিলা। কারোর মতে মতিভ্রম। আবার কারোর মতে আসলে ভিখারির মতো দিনগুজরান করে মাথাটাই গিয়েছে। কিন্তু, সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন খোরাকে পরিণত হয়েছেন রাণু। তাঁকে নিয়ে প্রায়শই বাঁধা হচ্ছে নানা কৌতুক রস। এখনকার ভাষায় মিম। আসলে সম্প্রতি একটি ভিডিও সামনে এসেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে এক মহিলা রাণুর সঙ্গে সেলফি তুলতে চাইছিলেন। রাণু রাজি তো হননি উল্টো ওই মহিলাকে ধাক্কা দিয়ে বলে দেন, 'তোমার এত সাহস হয় কোথা থেকে'। ব্যাস রাণু-র এই ভিডিও এখন ভাইরাল নেটদুনিয়ায়।

রাণু-কে নিয়ে একটি মিম তৈরি হয়েছে। যেখানে চারটি ছবির কোলাজ করা হয়েছে। এরমধ্যে একটি ছবি আগুনের, একটি ট্রান্সফরমারের, একটি বিষধর ব্যাঙের এবং অন্যটি রাণুর। উপরে ক্যাপশানে লেখা-- 'যে জিনিসগুলি ছোঁয়া বারণ'।

রাণু-কে নিয়ে একটি মিম তৈরি হয়েছে। যেখানে চারটি ছবির কোলাজ করা হয়েছে। এরমধ্যে একটি ছবি আগুনের, একটি ট্রান্সফরমারের, একটি বিষধর ব্যাঙের এবং অন্যটি রাণুর। উপরে ক্যাপশানে লেখা-- 'যে জিনিসগুলি ছোঁয়া বারণ'।

চারটি ছবির আরও একটি কোলাজ মিম তৈরি করা হয়েছে রাণু-কে নিয়ে। যেখানে আগুনের ছবির সঙ্গে এক অভিনেত্রীর ছবি ও ব্লেডের ছবি দেওয়া রয়েছে। আর রয়েছে রাণু-র ছবি। মিম-এর ক্যাপশন 'যে জিনসগুলি ছুঁলে বিপদ হয়'।

চারটি ছবির আরও একটি কোলাজ মিম তৈরি করা হয়েছে রাণু-কে নিয়ে। যেখানে আগুনের ছবির সঙ্গে এক অভিনেত্রীর ছবি ও ব্লেডের ছবি দেওয়া রয়েছে। আর রয়েছে রাণু-র ছবি। মিম-এর ক্যাপশন 'যে জিনসগুলি ছুঁলে বিপদ হয়'।

জনপ্রিয় হিন্দি ছবি 'রেস থ্রি'-র একটি জনপ্রিয় গানে নায়িকা ক্যাটরিনা কাইফের উত্তেজক নাচের ছবির স্ক্রিনশট নেওয়া হয়েছে। এরপর সেই ছবি থেকে ক্যাটরিনার মুখটি সরিয়ে রাণু-র মুখ বসিয়ে দিয়েছেন মিম-এর প্রস্তুত কর্তা। যেখানে আবার সেই জনপ্রিয় গানের লাইনও জুড়ে দেওয়া হয়েছে, আর সেটি হল- 'ও যারা যারা টাচ মি টাচ মি টাচ মি... '।

জনপ্রিয় হিন্দি ছবি 'রেস থ্রি'-র একটি জনপ্রিয় গানে নায়িকা ক্যাটরিনা কাইফের উত্তেজক নাচের ছবির স্ক্রিনশট নেওয়া হয়েছে। এরপর সেই ছবি থেকে ক্যাটরিনার মুখটি সরিয়ে রাণু-র মুখ বসিয়ে দিয়েছেন মিম-এর প্রস্তুত কর্তা। যেখানে আবার সেই জনপ্রিয় গানের লাইনও জুড়ে দেওয়া হয়েছে, আর সেটি হল- 'ও যারা যারা টাচ মি টাচ মি টাচ মি... '।

আর এক মিম প্রস্তুত কর্তা লিখেছেন আগে রাণু মণ্ডলকে স্পর্শ করলে অন্যরা বলত কোন সাহসে ওকে ছোঁলে। এখন রাণু বলছে, 'আমাকে ছোঁয়ার সাহস হল কী করে'। এই মিম প্রস্তুত কর্তার মতে আসলে রাণু এখন সেলিব্রিটি।

আর এক মিম প্রস্তুত কর্তা লিখেছেন আগে রাণু মণ্ডলকে স্পর্শ করলে অন্যরা বলত কোন সাহসে ওকে ছোঁলে। এখন রাণু বলছে, 'আমাকে ছোঁয়ার সাহস হল কী করে'। এই মিম প্রস্তুত কর্তার মতে আসলে রাণু এখন সেলিব্রিটি।

আরও একটি মিম-এ ভাইরাল হওয়া ভিডিও-র একটি স্ক্রিনশট এবং রাণু-র একটি ছবি-র কোলাজ তৈরি করা হয়েছে। এখানে আবার ক্যাপশন দেওয়া হয়েছে 'ডোন্ট টাচ মি', বাংলা করলে যার তর্জমা দাঁড়ায় আমাকে ছুঁয়ো না।

আরও একটি মিম-এ ভাইরাল হওয়া ভিডিও-র একটি স্ক্রিনশট এবং রাণু-র একটি ছবি-র কোলাজ তৈরি করা হয়েছে। এখানে আবার ক্যাপশন দেওয়া হয়েছে 'ডোন্ট টাচ মি', বাংলা করলে যার তর্জমা দাঁড়ায় আমাকে ছুঁয়ো না।

এই মিম-এ ডার্টি পিকচারের গানের একটি অংশের স্ক্রিনশট নিয়ে রাণুর ছবি নিচে জুড়ে দেওয়া হয়েছে। ক্যাপশানে লেখা হয়েছে - 'ও-লা--লা-ও-লা--লা-- তু হে মেরি ফ্যান্টাসি', আর এর নিচের ছবি-তে লেখা হয়েছে 'ছু-না-- না-- ছু-না--না--- আব মেয় ফেমাস হো গেয়ি...'।

এই মিম-এ ডার্টি পিকচারের গানের একটি অংশের স্ক্রিনশট নিয়ে রাণুর ছবি নিচে জুড়ে দেওয়া হয়েছে। ক্যাপশানে লেখা হয়েছে - 'ও-লা--লা-ও-লা--লা-- তু হে মেরি ফ্যান্টাসি', আর এর নিচের ছবি-তে লেখা হয়েছে 'ছু-না-- না-- ছু-না--না--- আব মেয় ফেমাস হো গেয়ি...'।

আরও একটি মিম-এ -তে হিন্দি গানের একটি স্ক্রিনশট-এ রাণু-র মুখ জুড়ে দেওয়া হয়েছে। 'ডোন্ট টাচ মি সোনিয়ো' বলে এই গানটি একটা সময় বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল। এই গানের স্ক্রিনশটে নায়িকার মুখের জায়গায় রাণু-র মুখ জুড়ে দেওয়া হয়েছে।

আরও একটি মিম-এ -তে হিন্দি গানের একটি স্ক্রিনশট-এ রাণু-র মুখ জুড়ে দেওয়া হয়েছে। 'ডোন্ট টাচ মি সোনিয়ো' বলে এই গানটি একটা সময় বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল। এই গানের স্ক্রিনশটে নায়িকার মুখের জায়গায় রাণু-র মুখ জুড়ে দেওয়া হয়েছে।

loader